জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে সংঘর্ষে মাদ্রাসাশিক্ষক নিহত
Why this classification
This is a specific, recent incident in Lohagara, Chattogram, where a land dispute between cousins turned into a physical fight on 13 May 2026. A 65-year-old madrasa teacher was beaten on the head with a stick and died, and three others were injured, so it counts as a fatal clash.
Killed
1
Injured
3
Summary
১৩ মে ২০২৬ সকাল সাড়ে ১১টায় চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার চরম্বা ইউনিয়নে জায়গা-জমির বিরোধের জেরে সংঘর্ষে মাদ্রাসাশিক্ষক আবুল কাশেম (৬৫) নিহত এবং উভয়পক্ষের আরও তিনজন আহত হন। ঘটনায় নিহতের চাচাতো ভাই সামশুল আলমকে আটক করেছে পুলিশ।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে সংঘর্ষে মাদ্রাসাশিক্ষক নিহত
জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে সংঘর্ষে মাদ্রাসাশিক্ষক নিহত Advertisement লোহাগাড়া দ. (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম ফাইল ছবি চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় আবুল কাশেম (৬৫) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সামশুল আলম (৩৮) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১৩ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের জান মোহাম্মদ পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবুল কাশেম ওই এলাকার মৃত আব্দুস সোবহানের ছেলে। তিনি চরম্বা জামেউল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আটক সামশুল আলম নিহতের আপন চাচাতো ভাই এবং ওই গ্রামের কবির আহমদের ছেলে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের আরও তিনজন আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন- নিহতের বোন ছকিনা বেগম (৬৫), মৃত ফয়েজ আহমদের ছেলে শাহ আলম (৬৯) ও কবির আহমদের ছেলে হারুনুর রশিদ (৪০)। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে আবুল কাশেমের সঙ্গে তার চাচাতো ভাই প্রবাসী নুরুল হক, হারুনুর রশিদ ও সামশুল ইসলাম গংয়ের জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন বিরোধপূর্ণ জায়গায় নতুন বাড়ি নির্মাণের কাজ চলছিল। এতে বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। নিহতের মেয়ে উম্মে হাফছা অভিযোগ করে বলেন, জোরপূর্বক জায়গা দখল করে ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করলে তার ফুফু ছকিনা বেগম বাধা দেন। এ সময় তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। খবর পেয়ে তার বাবা মাদ্রাসা থেকে ঘটনাস্থলে আসেন। পরে নির্মাণ শ্রমিক এয়াকুব হোসেন প্রকাশ (এয়াকুব মিস্ত্রি) গালিগালাজ ও উত্তেজিত আচরণ করেন। একপর্যায়ে হারুন ও ওসমান লাঠি দিয়ে তার বাবার মাথায় আঘাত করলে তিনি ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন। পরে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চরম্বা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সৈয়দ হোসেন বলেন, জায়গা-জমির বিরোধের জেরে আবুল কাশেম নির্মমভাবে খুন হয়েছেন। লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. আবু আদনান সাঈদী বলেন, আবুল কাশেম নামের এক বৃদ্ধকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে আরও তিনজন আহত ব্যক্তি চিকিৎসা নিতে আসেন। তাদের মধ্যে দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিএসবি) কর্মরত এএসআই জাহাঙ্গীর আলম ঘটনার সঙ্গে জড়িত সামশুল আলম নামে এক যুবককে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেন। লোহাগাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের আটকের চেষ্টা চলছে।
