ডিবি কর্তৃক ছাত্র নেতাদের জোরপূর্বক গ্রেপ্তার

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports a direct violent act on 26 July 2026 where DB personnel abducted and detained student coordinators, a clear political confrontation; therefore it is classified as political violence.

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
26/07/26•Hospital

Killed

3

Injured

0

Summary

২৬ জুলাই ঢাকা হাসপাতালে তিনজন ছাত্র সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও আবু বাকের মজুমদারকে ডিবি জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। একই দিনে দেশের বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আরও তিনজনের মৃত্যু হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

94% · severity 8

Perpetrator side

Law Enforcement

Victim side

Locals

Other actors

নাহিদ ইসলামআসিফ মাহমুদআবু বাকের মজুমদারঅতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল

Affected infrastructure

Hospital

Tags

Rally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 26/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 26/07/26open original ↗

সমন্বয়কদের তুলে নেয় ডিবি কারফিউ ভেঙে বিক্ষোভ

ফিরে দেখা জুলাই সমন্বয়কদের তুলে নেয় ডিবি কারফিউ ভেঙে বিক্ষোভ ছবি: সমকাল সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬ | ০৭:৫১ | আপডেট: ২৬ জুলাই ২০২৬ | ০৭:৫৮ | প্রিন্ট সংস্করণ নজিরবিহীন কারফিউ, বন্ধ থাকা মোবাইল ইন্টারনেট আর চারদিকের সেনা টহলের মধ্যেই ২০২৪ সালের ২৬ জুলাই ক্ষোভ ও দ্রোহের প্রকাশ চলে। এর আগে গুম ও নির্যাতনের শিকার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন প্রধান সমন্বয়ক– নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ ও আবু বাকের মজুমদারকে এদিন তুলে নেয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আগের দিন ক্ষতিগ্রস্ত মেট্রোরেল স্টেশনে গিয়ে তাঁর কান্নাকাটিতে যে ক্ষোভ তৈরি হয়, তা সামাল দিতে ২৬ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাসপাতালে যান আহতদের দেখতে। এর পর তিনি বিটিভি ভবনে গিয়ে আরেক দফা কাঁদেন ক্ষতিগ্রস্ত ভবন দেখে। এতে আবার স্লোগান ওঠে– ‘নাটক কম কর পিও’। এদিনও কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বিক্ষোভ, সংঘাত, ভাঙচুর, সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘেরাও করে ‘ব্লক রেইড’ দিয়ে ছাত্রদের বাড়ি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। হাসপাতাল থেকে ডিবিতে ছাত্রনেতারা  ২৬ জুলাই বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে একদল লোক হাসপাতালে প্রবেশ করে। প্রথমে নাহিদ ইসলাম এবং পরবর্তী সময় আসিফ ও বাকেরকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে ১৯ জুলাই মধ্যরাতেও নাহিদকে খিলগাঁও থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্মম নির্যাতন শেষে পূর্বাচলে ফেলে যাওয়া হয়েছিল। আবারও হাসপাতাল থেকে তাদের এভাবে তুলে নেওয়ার ঘটনাটি সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম আতঙ্ক ও তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করে। তবে গভীর রাতে ডিবির তৎকালীন অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ গণমাধ্যমকে জানান, ‘নিরাপত্তা ও সহিংসতার তথ্য জানার স্বার্থে’ তাদের ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে। কারফিউ শিথিল ও স্থবির জনজীবন আগের দিন রাতে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ঘোষণা অনুযায়ী ২৬ জুলাই ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল ছিল। এই ৯ ঘণ্টার মধ্যে সাধারণ মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে বের হলেও পুরো ঢাকা ছিল থমথমে। গণপরিবহন চলাচল ছিল অত্যন্ত সীমিত। গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে সেনাবাহিনী, র্যাব এবং পুলিশের সাঁজোয়া যান ও ব্যারিকেড দিয়ে তল্লাশি চালাতে দেখা গেছে। গানের মিছিলে কারফিউ ভাঙা  রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, গণগ্রেপ্তার এবং নির্বিচারে ছাত্র-জনতা হত্যার প্রতিবাদে ২৬ জুলাই প্রগতিশীল সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়। কারফিউ শিথিলের সুযোগে প্রগতিশীল ছাত্র ও সাংস্কৃতিককর্মীরা সেখানে জড়ো হয়ে ‘কারফিউ ভাঙার গান’ ও প্রতিবাদী গানের মিছিল নিয়ে পল্টন এলাকা প্রদক্ষিণ করেন। আন্তর্জাতিক উদ্বেগ দমনপীড়নে হত্যাযজ্ঞ ও গণগ্রেপ্তারে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ২৬ জুলাই তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করে। তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রাণঘাতী অস্ত্রের বেআইনি ব্যবহার হয়েছে। ২৬ জুলাই সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকটির ‘শহীদ রুদ্র তোরণ’ নামকরণ করেন কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী। ২৬ জুলাই ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় সংঘর্ষে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন আরও তিনজনের মৃত্যু হয়। - বিষয় : - জুলাই গণঅভ্যুত্থান

Source 2: Jugantor · 15/04/26open original ↗

পূর্ব শত্রুতার জেরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা চেষ্টায় গ্রেফতার ১

পূর্ব শত্রুতার জেরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা চেষ্টায় গ্রেফতার ১ Advertisement ডেমরা (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৪৪ এএম রাজধানীর ডেমরায় জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের পরিবারকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা চেষ্টায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার আব্দুর রহমান ওরফে ইব্রাহিম আলীকে (৪২) মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকালে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে সোমবার (১৩ এপ্রিল) ডেমরার মুসলিম নগর আমান সিটি সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ইব্রাহিম মুসলিম নগর আমান সিটি এলাকার বজলুর রহমানের বাড়ির ভাড়াটিয়া এবং যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল ইসলাম নগর এলাকার মৃত এ. আর. জালাল আহমেদের ছেলে। জানা গেছে, সোমবার (১৩ এপ্রিল) ভোর ৪টার দিকে আমান সিটির মহসিন আলীর ছয়তলা ভবনের নিচতলায় গ্যাস লাইটারের মাধ্যমে আগুন দেন ইব্রাহিম। এতে নিচতলার সিঁড়ির পাশে থাকা একটি মোটরসাইকেল পুড়ে যায়। এ ছাড়া ভবনের দরজা-জানালার কাঠসহ অন্যান্য জিনিসপত্র পুড়ে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। এ সময় চিৎকার শুনে ভবন মালিক মহসিন আলীর ছেলে ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে প্রায় আধা ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এসময় ভবনের নিচতলায় বসবাসরত ছয়জন ভাড়াটিয়া আগুনে দগ্ধ হন। আহতরা হলেন- দুই মাস বয়সি শিশু সামিহা, দুই বছরের শিশু ইয়াছিন, ইউসুফ (৩৬), সাত বছরের শিশু মীম, রীনা বেগম (৬০) এবং হাফসা (১২)। এ ঘটনায় মহসিন আলী সোমবার রাতে ডেমরা থানায় ইব্রাহিমসহ অজ্ঞাতনামা তিন থেকে চার জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ডেমরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মুরাদ হোসেন বলেন, ভুক্তভোগী মহসিন আলীর সঙ্গে ইব্রাহিমের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দীর্ঘদিন ধরে শত্রুতা চলছিল। এ প্রেক্ষিতে তিনি মহসিন আলীর ছেলেদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলেন। শেষ পর্যন্ত সোমবার ভোরে ওই ভবনে আগুন দিয়ে সবাইকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেন তিনি।