কলাপাড়ায় ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
Why this classification
The article describes a serious sexual assault attempt but contains no political party involvement or election context, so it is not classified as political violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
কলাপাড়া, পটুয়াখালীর ছোনখোলা গ্রামে ৪ বছর বয়সী মেয়ের ওপর শ্রী শহিদুল মুন্সী ধর্ষণচেষ্টা করেন, সহায়তায় আলা মৃধা ছিলেন। শিশুর নানি অভিযোগ দায়ের করে পুলিশকে জানায়, আলা মৃধা গ্রেফতার করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কলাপাড়ায় ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চার বছরের এক কন্যাসন্তানকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শহিদুল মুন্সী (৪৮) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) দুপুরে ভুক্তভোগী শিশুর নানি বাদী হয়ে কলাপাড়া থানায় দুইজনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ চেষ্টায় সহায়তাকারী আলা মৃধাকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে, গত বুধবার (১৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের ছোনখোলা গ্রামে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও শিশুর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির মা জীবিকার তাগিদে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। জন্ম থেকেই শিশুটি ছোনখোলা গ্রামে তার নানির কাছে লালন-পালন হচ্ছে। গত বুধবার দুপুরে শিশুটি বাড়ির উঠানে খেলা করার সময় প্রতিবেশী আলা মৃধা তাকে ফুসলিয়ে ডেকে নিয়ে অপর প্রতিবেশী শহিদুল মুন্সীর ঘরে দিয়ে আসে। ওই সময় শহিদুলের ঘরে কেউ ছিল না। এই সুযোগে শহিদুল শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা চালান এবং আলা মৃধা ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে পাহারা দেন। একপর্যায়ে শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, আমরা বাচ্চার চিৎকার শুনে দৌড়ে গিয়ে শহিদুলের ঘর থেকে তাকে উদ্ধার করি। তখন শহিদুল ও আলা মৃধা ঘটনার কথা অস্বীকার করেন। পরে তারা বিষয়টি ধামাচাপা দিতে স্থানীয়ভাবে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করে। সালিশের নামে সময়ক্ষেপণ করে মূল অভিযুক্ত শহিদুলকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে আলা মৃধা। এদিকে ঘটনার পরদিন বৃহস্পতিবার শিশুর নানি কলাপাড়া থানায় হাজির হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। এ বিষয়ে কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা তৎপরতা শুরু করি। ধর্ষণ চেষ্টার সহায়তাকারী ও মামলার ২ নম্বর আসামি আলা মৃধাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হচ্ছে। একটি চার বছরের শিশুর সঙ্গে এমন নির্মম আচরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। মূল অভিযুক্ত শহিদুল মুন্সীকে গ্রেপ্তারের জন্য আমাদের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। এসএম আলমাস/এএমকে
