ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন চলে গেল ফারিহার সঙ্গেই

AI-classifiedconfidence 80%

Why this classification

A 23-year-old woman was found hanging in a Comilla flat on Tuesday night (5 May 2026), and her father alleges her husband murdered her and staged a suicide. A police officer also said the position of the body does not match a suicide, so this is a death linked to a possible crime, which counts as violence.

Reported by:SamakalSingle source
05/05/26•মনোহরপুর মুন্সেফবাড়ি, ফ্ল্যাট

Killed

1

Injured

0

Summary

কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুর মুন্সেফবাড়ির একটি ফ্ল্যাট থেকে ২০১৬ সালের ৫ মে ২০২৬ মঙ্গলবার রাতে জান্নাতুন নাঈম ফারিহা (২৩) নামের এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের বাবা স্বামী মেহেদী হাসান হৃদয় ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ এনেছেন, আর একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন মরদেহের অবস্থান আত্মহত্যার সঙ্গে মেলে না।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

80% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

জান্নাতুন নাঈম ফারিহা (নিহত, ২৩)মেহেদী হাসান হৃদয় (স্বামী, অভিযুক্ত)মো. হানিফ মিয়া (নিহতের বাবা, স্কুলশিক্ষক)পুলিশ কর্মকর্তা

Tags

Domestic ViolenceMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 05/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 07/05/26open original ↗

ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন চলে গেল ফারিহার সঙ্গেই

ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন চলে গেল ফারিহার সঙ্গেই জান্নাতুন নাঈম ফারিহা কুমিল্লা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ মে ২০২৬ | ০৮:১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ ‘মেয়েটার অনেক স্বপ্ন ছিল ইঞ্জিনিয়ার হবে। কিন্তু স্বামীর হাতেই তাঁকে জীবন দিতে হলো। ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার স্বপ্ন রয়ে গেল অধরা।’ আদরের মেয়ের মরদেহ নিয়ে যাওয়ার সময় আহাজারি করতে করতে বলছিলেন স্কুলশিক্ষক মো. হানিফ মিয়া। তাঁর মেয়ে জান্নাতুন নাঈম ফারিহার (২৩) ‘ঝুলন্ত’ মরদেহ গত মঙ্গলবার রাতে কুমিল্লা নগরীর মনোহরপুর মুন্সেফবাড়ির এক ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ফারিহা কুমিল্লা সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার কান্দাল গ্রামের হানিফ মিয়ার বড় মেয়ে। প্রায় আট মাস আগে মেঘনা উপজেলার মেহেদী হাসান হৃদয়ের সঙ্গে ফারিহার বিয়ে হয়। হৃদয় স্কলারশিপ নিয়ে চীন যান। সফল হতে না পেরে দেশে ফেরেন। এরপর থেকেই বেকারত্ব ও সংসারের খরচ নিয়ে দাম্পত্য কলহ দেখা দেয়। গত সোমবার ফারিহা বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাসায় আসেন।  মো. হানিফ মিয়া বলেন, ‘আমার মেয়েটাকে প্রায়ই মারধর ও নির্যাতন করত হৃদয়। সে আগেও আমার মেয়েকে মেরে জেল খাটার হুমকি দিয়েছিল। ফারিহার খুব ইচ্ছা ছিল সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার, কিন্তু পাষণ্ড স্বামী আর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনে সেই স্বপ্ন চিরতরে শেষ হয়ে গেল।’ তাঁর অভিযোগ, ফারিহাকে হত্যার পর সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন তিনি। এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘কেউ আত্মহত্যা করলে তাঁর পা এভাবে বিছানায় লেগে থাকার কথা নয়। কেউ ফাঁসিতে ঝুললে নিচের চেয়ারটিও সরে যাওয়ার কথা।’ এদিন দুপুরে ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে ফারিহার স্বামী ও পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি। - বিষয় : - ইঞ্জিনিয়ার