ভিডিও করে তরুণ তরুণীকে মারধর, রাত কাটানোর প্রস্তাব

AI-classifiedconfidence 93%

Why this classification

The article reports a ward boy physically beating a young man and woman, stealing their phone and cash, and threatening to share a compromising video unless a sexual proposition is accepted. This meets the definition of violence and falls within the 14‑day recency window, so it is classified as a violence incident.

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
14/06/26•Manikganj Medical College Hospital, Women's Surgery Ward Toilet

Killed

0

Injured

2

Summary

মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডের টয়লেটে ওয়ার্ডবয় শাহিন এক যুবক ও তরুণীর ভিডিও রেকর্ড করে, তাদেরকে একটি ঘরে আটকে শারীরিক নির্যাতন করে, আইফোন‑১৩ ও ৩,৩০০ টাকা চুরি করে। এরপর ভিডিও দেখিয়ে রাত কাটানোর অনৈতিক প্রস্তাব দেয় এবং না মানলে সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশের হুমকি দেয়।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

93% · severity 5

Perpetrator side

Law Enforcement

Victim side

Locals

Other actors

Ward Boy Shahin

Tags

Sexual HarassmentRobberyExtortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 15/06/26open original ↗

হাসপাতালে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে মারধর ও অনৈতিক প্রস্তাবের অভিযোগ

মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অসুস্থ স্বজনকে দেখতে আসা এক যুবক ও তার নারীসঙ্গীকে গোপনে ভিডিও ধারণের পর আটকে রেখে মারধর, মোবাইল ফোন ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়া এবং পরে সেই ভিডিও দেখিয়ে আপত্তিকর প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শাহিন নামে এক ওয়ার্ডবয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কয়েকজন আনসার সদস্যের সম্পৃক্ততার অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীরা। আনুষ্ঠানিক অভিযোগ না পেলেও তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গতকাল রোববার (১৪ জুন) দিবাগত রাতে হাসপাতালের মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল ও এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী যুবকের দাবি, রোববার বিকেলে হরিরামপুর উপজেলার একটি গ্রাম থেকে তার অসুস্থ বৃদ্ধা নানিকে চিকিৎসার জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করান তিনি। নানির দেখভালের জন্য তার পরিচিত এক নারীও হাসপাতালে আসেন। রাত প্রায় ৩টার দিকে হাসপাতালের একটি শৌচাগারে অবস্থানকালে দায়িত্বরত ওয়ার্ডবয় শাহিন তাদের ভিডিও ধারণ করেন। ভুক্তভোগীদের দাবি, ভিডিও ধারণের কিছুক্ষণ পর তাদের হাসপাতালের একটি কক্ষে নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে ওয়ার্ডবয় শাহিনসহ কয়েকজন আনসার সদস্য তাদের মারধর করেন। পরে তাদের কাছ থেকে একটি আইফোন-১৩ মডেলের মোবাইল ফোন এবং নগদ তিন হাজার তিন শ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। ভুক্তভোগী যুবক আরও অভিযোগ করেন, প্রায় আধা ঘণ্টা পর ওয়ার্ডবয় শাহিন ও তার এক সহযোগী ধারণ করা ভিডিও দেখিয়ে নারীসঙ্গীকে নিয়ে রাত কাটানোর আপত্তিকর প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হলে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে ঘটনার পর হাসপাতালের আনসার প্লাটুন কমান্ডার আলম ও সহকারী প্লাটুন কমান্ডার রাসেল গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে ভুক্তভোগী যুবকের মোবাইল ফোন ফেরত দেন। পরে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি হাসপাতালে এসে ওই যুবক ও নারীসঙ্গীকে হাসপাতালের বাইরে নিয়ে যান। আনসার বাহিনীর সহকারী প্লাটুন কমান্ডার রাসেল বলেন, সকাল ৯টার দিকে ওয়ার্ডবয় শাহিনের সঙ্গে দেখা হলে আমি ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাই। তিনি নাশতা খেয়ে আসবেন বলে বের হন। এরপর আর ফিরে আসেননি। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত ওয়ার্ডবয় শাহিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, বিষয়টি জানা নেই। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরএআর

Source 2: Jugantor · 15/06/26open original ↗

ভিডিও করে তরুণ তরুণীকে মারধর, রাত কাটানোর প্রস্তাব

মানিকগঞ্জে ওয়ার্ড বয়ের কাণ্ড ভিডিও করে তরুণ তরুণীকে মারধর, রাত কাটানোর প্রস্তাব Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, মানিকগঞ্জ প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১০:৪০ পিএম মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক যুবক ও এক তরুণীকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে গোপনে ভিডিও ধারণের পর আটকে রেখে মারধর, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওই ভিডিওকে হাতিয়ার করে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালের আউটসোর্সিং কর্মী ওয়ার্ড বয় শাহিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় কয়েকজন আনসার সদস্যের সম্পৃক্ততার অভিযোগও করেছেন ভুক্তভোগীরা। রোববার গভীর রাতে হাসপাতালের মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডের একটি টয়লেটে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর হাসপাতালজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, রাত সাড়ে ৩টায় হাসপাতালের একটি টয়লেটে অবস্থানকালে ওয়ার্ডবয় শাহিন তাদের ভিডিও ধারণ করেন। পরে তাদের একটি কক্ষে নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে একটি আইফোন-১৩ ও নগদ ৩ হাজার ৩০০ টাকা নিয়ে নেওয়া হয়। ভুক্তভোগী যুবক অভিযোগ করেন, কিছু সময় পর ওয়ার্ড বয় শাহিন ও তার এক সহযোগী ভিডিওটি দেখিয়ে তরুণীকে নিয়ে রাত কাটানোর আপত্তিকর প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবে রাজি না হলে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।