গাজীপুরের শ্রীপুরে ভাওয়াল বনাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে নাশকতামূলক অগ্নিকাণ্ড

AI-classifiedconfidence 74%

Why this classification

Unknown arsonists set fire to at least 15 locations in the Bhawal Forest, Sreepur, Gazipur, between March 12 and March 16, 2026, with no reported casualties. The incident is classified as political violence because the Forest Department has officially characterized the fires as acts of sabotage. The specific identities of the perpetrators and the victims are not recorded. This report is based on one corroborating source.

Reported by:Prothom AloSingle source
16/03/26•Bhawal Forest, Sreepur

Killed

0

Injured

0

Summary

গাজীপুরের শ্রীপুরে ১২ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ভাওয়াল বনাঞ্চলের অন্তত ১৫টি স্থানে দুর্বৃত্তরা আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। বন বিভাগ এই অগ্নিকাণ্ডকে নাশকতা হিসেবে দেখছে এবং অপরাধীদের ধরিয়ে দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

74% · severity 4

Parties involved

Forest DepartmentUnknown Arsonists

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 16/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Prothom Alo · 17/03/26open original ↗

শ্রীপুরে বনের আগুন নেভাচ্ছেন বনকর্মীরা, অগ্নিসংযোগকারীকে ধরতে পুরস্কার ঘোষণা

আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন বনকর্মী। গতকাল সোমবার দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুরে ভাওয়াল বনাঞ্চলেছবি: সংগৃহীত গাজীপুরের শ্রীপুরে ভাওয়াল বনাঞ্চলের বিভিন্ন অংশে লাগা আগুন নেভাতে শুরু করেছেন বন বিভাগের কর্মীরা। স্থানীয় লোকজনকে আগুন নেভানোর কাজে সম্পৃক্ত করতে এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। লোকজনকে নিয়ে এলাকাভিত্তিক সচেতনতামূলক সভা করা হচ্ছে। অগ্নিসংযোগকারীকে ধরতে বিশেষ পুরস্কার ঘোষণা করেছে বন বিভাগ। গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বিন্দুবাড়ি এলাকায় ভাওয়াল বনাঞ্চলের শালবনঘেঁষা ঢাকা–ময়মনসিংহ রেলপথসংলগ্ন এলাকায় ১২ মার্চ দুপুরে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। বিন্দুবাড়ি এলাকার আরও অন্তত পাঁচটি স্থানে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে পরদিন সংবাদ প্রকাশিত হয়। একই দিন কর্ণপুর, গোসিংগা, বরমী, খোঁজেখানিসহ আশপাশের আরও ৭ থেকে ১০টি স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত সপ্তাহে শ্রীপুরের সিমলাপাড়া, মাওনা, বারতোপা, শিরীষগুড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় বনে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার দুপুর থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত শ্রীপুর উপজেলার কয়েকটি জায়গায় বনকর্মীদের বিভিন্ন পদ্ধতিতে আগুন নেভাতে দেখা গেছে। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল থেকে পাঁচটি বিটে মোট ১৫টি স্থানে আগুন নিভিয়েছেন তাঁরা। এর মধ্যে আছে মাওনা, পাঁচলটিয়া, কর্ণপুর, বিন্দুবাড়ি, রাথুরা, গাজিয়ারণ ও পোষাইদ মৌজা এলাকা। এসব জায়গায় প্রায় ২০ বনকর্মী কাজ করেছেন। বন বিভাগ জানিয়েছে, বনের আশপাশে থাকা স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করতে বিভিন্নভাবে কাজ করা হচ্ছে। এলাকার মসজিদে শুক্রবার জুমার নামাজের আগে লোকজনকে আগুন বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে ছোট ছোট সভা করে তাঁদের আগুন প্রতিরোধ ও বনের গুরুত্ব বোঝানো হচ্ছে। আগুন লাগানোর কোনো ঘটনা দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে যেন তাঁরা বন বিভাগকে খবর দেন ও নিজেরা আগুন নেভান, সে বিষয়ে তাঁদের বলা হচ্ছে। অপর দিকে আগুন দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত কাউকে ধরিয়ে দিলে বিশেষ পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে। বনে আগুন নিয়ন্ত্রণে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে ও সচেতন করতে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। গতকাল দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুরেছবি: সংগৃহীত বন বিভাগ আরও জানায়, বনের আশপাশে থাকা বাসিন্দারা চাইলে আগুন লাগার শুরুতে তা নিভিয়ে দিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে মাটিতে পড়ে থাকা শুকনা পাতাগুলো সরিয়ে দিলে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কমে যায়। এ ছাড়া ফায়ার লাইন তৈরির মাধ্যমেও আগুন ছড়িয়ে পড়া বন্ধ করা যায়। অপর দিকে আগুন নেভাতে বনের কোনো গাছের কাঁচা ছোট ডাল ভেঙে তা দিয়ে আগুন নেভানো যায়। তবে এসব কাজে স্থানীয় লোকজনের আগ্রহ কম। তাই তাঁদের উদ্বুদ্ধ করতে চেষ্টা করা হচ্ছে। বন বিভাগের শ্রীপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘গণমাধ্যমে আগুনের খবর আসার পর মানুষ বিষয়টি ব্যাপকভাবে জেনেছেন। তবে এসব আগুন নিয়ন্ত্রণে আমরা আগে থেকেই কাজ করছি। যে পরিমাণ বনভূমি, সে তুলনায় আমাদের পর্যাপ্ত জনবল নেই। তাই এক জায়গার আগুন নেভাতে নেভাতে আরেক জায়গায় লাগা আগুনে সব পুড়ে যায়।’ তিনি জানান, আগুন থেকে বাঁচতে মূল ভূমিকা পালন করতে পারেন স্থানীয় লোকজন। তাঁরা যতক্ষণ বনের গুরুত্ব না বুঝবেন, ততক্ষণ বনের এসব আগুন নিয়ন্ত্রণ প্রায় অসম্ভব। আরও পড়ুন ভাওয়াল বনাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে আগুন, অস্তিত্ব সংকটে জীববৈচিত্র্য ১৩ মার্চ ২০২৬ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন শ্রীপুরগাজীপুরবনসংরক্ষিত বনঅগ্নিকাণ্ডবন বিভাগঢাকা বিভাগ