আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গজারিয়ায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ৫

AI-classifiedconfidence 88%

Why this classification

This is a single, specific incident on 1 June 2026 in which supporters from two rival political camps clashed in Gazaria, Munshiganj, injuring at least five people and damaging a BNP office and several homes. The event is recent and involves physical violence, so it qualifies. Earlier clashes mentioned in the article are background and were not treated as separate events.

Reported by:JugantorSingle source
01/06/26•চর বলাকী গ্রাম, ঈদগাহ এলাকা (হোসেন্দী ইউনিয়ন)

Killed

0

Injured

5

Summary

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার চর বলাকী গ্রামে ১ জুন ২০২৬ (সোমবার) আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হন। এ সময় স্থানীয় বিএনপির ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয়সহ অন্তত সাত-আটটি বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

88% · severity 6

Perpetrator side

Awami League

Victim side

BNP

Other actors

মুসা (৭০)সুমন (৩৫)জিকু (২৮)মুছানুরুজ্জামানশহর আলীনাজমুল ইসলাম (উপজেলা যুবলীগ নেতা)আনোয়ার হোসেন প্রধান (যুবদল নেতা)ইমরান আহমেদ (মুন্সীগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার)

Affected infrastructure

বিএনপির ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড কার্যালয়বিএনপির পার্টি অফিসআনোয়ার হোসেনের বসতঘরনুর ইসলামের বাড়িইকবাল হোসেনের বাড়িশুক্কুর আলীর বাড়িজিকুর বাড়িঅন্তত সাত-আটটি বসতবাড়ি

Tags

Party ClashElection Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 5

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 01/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 01/06/26open original ↗

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গজারিয়ায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ৫

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গজারিয়ায় দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ৫ Advertisement গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম বিএনপি অফিসে ভাঙচুর মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার চর বলাকী গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১ জুন) দুপুরে সংঘটিত এ ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ সময় স্থানীয় বিএনপির কার্যালয়সহ বেশ কয়েকটি বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। আহতরা হলেন- মুসা (৭০), সুমন (৩৫), জিকু (২৮), মুছা ও নুরুজ্জামান। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত সুমন ও জিকুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর সমর্থক মুসার সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক শহর আলীর বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে সোমবার দুপুরে স্থানীয় ঈদগাহ এলাকায় মুসা ও শহর আলীর মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি দুইপক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক উপজেলা যুবলীগ নেতা নাজমুল ইসলামের অনুসারী এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর সমর্থক যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন প্রধানের সমর্থকদের মধ্যে পালটাপালটি ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষ চলাকালে হোসেন্দী ইউনিয়ন বিএনপির ৮ ও ৯ নাম্বার ওয়ার্ড কার্যালয়সহ অন্তত সাত থেকে আটটি বসতবাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মুসা বলেন, কয়েক মাস আগে শহর আলী ও তার ছেলে আমাকে মারধর করেছিল। সোমবার দুপুরে ঈদগাহ এলাকায় তার সঙ্গে দেখা হলে আমি ওই ঘটনার মীমাংসার বিষয়ে জানতে চাই। এ সময় আমাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। শহর আলী নিজেকে বিএনপির লোক দাবি করলেও তিনি মূলত যুবলীগ নেতা নাজমুল ইসলামের অনুসারী। এ বিষয়ে যুবদল নেতা আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় যুবলীগ নেতা নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে আমাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় পার্টি অফিস, আমার বসতঘর এবং নুর ইসলাম, ইকবাল হোসেন, শুক্কুর আলী ও জিকুর বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে। প্রায় দুই শতাধিক লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এ হামলায় অংশ নেয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে যুবলীগ নেতা নাজমুল ইসলাম বলেন, আনোয়ার হোসেনের লোকজন বিনা উসকানিতে আমাকে ধাওয়া ও মারধরের চেষ্টা করে। পার্টি অফিস ও ঘরবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তারা নিজেরাই নিজেদের স্থাপনায় ভাঙচুর চালিয়ে আমাদের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে। এটি কোনো দলীয় বিরোধ নয়, বরং ব্যক্তিকেন্দ্রিক বিরোধের ফল। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি সিসিটিভি ফুটেজে কয়েকজন ব্যক্তিকে দেশীয় অস্ত্র হাতে আনোয়ার হোসেন প্রধান ও তার সমর্থকদের বাড়িঘরে হামলা চালাতে দেখা গেছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মুন্সীগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান আহমেদ বলেন, দুইপক্ষের মধ্যে পূর্ব থেকেই গোষ্ঠীগত বিরোধ রয়েছে। এর আগেও তাদের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ ঘটনায় কয়েকটি বাড়িঘর ও একটি রাজনৈতিক কার্যালয় ভাঙচুরের খবর পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর ও ৫ এপ্রিল একই গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই দুইপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৯ জন আহত হন এবং বহু বসতবাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।