সীতাকুণ্ডে পুলিশ পেটানোয় যুবদল নেতা বহিষ্কার
Why this classification
The article reports a concrete physical clash between a BNP youth league leader and police on 1 Oct 2026, meeting the definition of political violence; therefore it is classified as political violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
বৃহস্পতিবার রাত সীতাকুণ্ড মডেল থানা কম্পাউন্ডে যুবদল সহসভাপতি ইসমাইল হোসেন গাড়ি পার্কিং নিয়ে কনস্টেবল শফিককে মারধর করেন; শফিক আহত হন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
94% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
রাউজানে যুবদল নেতা খুনে ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
রাউজানে যুবদল নেতা খুনে ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ চট্টগ্রাম ব্যুরো ও রাউজান প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬ | ০৫:০৬ চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরীকে (৪৫) প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আলোচিত সন্ত্রাসী মোহাম্মদ রায়হানসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গত সোমবার রাতে নিহতের বড় ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী বাদী হয়ে রাউজান থানায় হত্যা মামলাটি করেন। মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও আটজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছে রায়হানের সহযোগী মোহাম্মদ ইলিয়াস ওরফে ধামা ইলিয়াস, মোহাম্মদ মোবারক, দিদারুল আলম, মোহাম্মদ ইউসুফ প্রমুখ। রাউজান থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, যুবদল নেতা খুনের ঘটনায় তাঁর ভাই বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরও আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলার আসামিদের ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। গত শনিবার দুপুরে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী ইউনিয়নের চৌমুহনী বাজারে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় মাসুদুল হক চৌধুরীকে। তিনি পাশের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তাঁর বড় ভাই পেয়ারুল হক চৌধুরী রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান। মাসুদুল আসছে ইউপি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাই প্রতিপক্ষ তাঁকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে। - বিষয় : - যুবদল নেতা - চট্টগ্রাম
রাউজানে যুবদল নেতা হত্যা : ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা
চট্টগ্রামের রাউজানে প্রকাশ্য দিবালোকে যুবদল নেতা মাসুদুল হক চৌধুরী (৪৫) হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাউজান থানায় এই হত্যা মামলাটি রেকর্ড করা হয়। শনাক্ত হওয়া ৫ জন অস্ত্রধারীসহ মামলায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৭ থেকে ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। সোমবার (১৬ জুন) রাতে নিহত যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাকসুদুল হক চৌধুরীর ভাই ও রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ পিয়ারুল হক চৌধুরী স্বপন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুহাম্মদ বেলায়াত হোসেন মামলার বিষয়টি মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, রাত সাড়ে ১২টার দিকে দণ্ডবিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার (১৩ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে রাউজান উপজেলার পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারের ‘আশরাফিয়া ফার্মেসি’ নামের একটি ওষুধের দোকানের সামনে মাসুদুল হক চৌধুরীকে প্রকাশ্য গুলি করে হত্যা করা হয়। নিহত মাসুদুল হক রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের মৃত আবদুল খালেকের ছেলে। হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলের একটি সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ৫ জন অস্ত্রধারীকে শনাক্ত করে পুলিশ। জানতে চাইলে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, নিহতের ভাইয়ের দেওয়া এজাহারের ভিত্তিতে ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা রুজু হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজের মাধ্যমে সব আসামিকে আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি। ঘটনার পর গ্রেপ্তার হওয়া সন্দেহভাজন মুহাম্মদ জাকের মিয়াকেও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জেডএস
সীতাকুণ্ডে পুলিশ পেটানোয় যুবদল নেতা বহিষ্কার
সীতাকুণ্ডে পুলিশ পেটানোয় যুবদল নেতা বহিষ্কার Advertisement সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সীতাকুণ্ড মডেল থানায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্তব্য কাজে বাধা প্রদানের সুস্পষ্ট অভিযোগে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি ইসমাইল হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বে) মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সীতাকুণ্ড মডেল থানা কম্পাউন্ডে গাড়ি রাখা নিয়ে থানার কনস্টেবল ও ওসির গাড়ি চালক শফিককে মারধর করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি ইসমাইল হোসেন। থানা সূত্রে জানা যায়, রাতে যুবদল নেতা ইসমাইল তার ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে থানায় যান। এ সময় গাড়ি পার্কিং নিয়ে ওসির গাড়ি চালক শফিকের সঙ্গে ইসমাইলের বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে দুইজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটলে কনস্টেবল শফিক আহত হন। তাকে উদ্ধার করে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
