বিরামপুরে বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

পারিবারিক কলহের জেরে বড় ভাই লাঠি দিয়ে ছোট ভাইকে আঘাত করায় মুকুল হোসেনের মৃত্যু হয়েছে; এটি একটি সাম্প্রতিক সহিংস হত্যাকাণ্ড, তাই সহিংস ঘটনা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হলো।

Reported by:Ajker PatrikaSingle source
05/10/26•কৃষ্টচাঁদপুর গ্রাম, বিরামপুর পৌর এলাকা

Killed

1

Injured

0

Summary

সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টায় দিনাজপুরের বিরামপুরের কৃষ্টচাঁদপুর গ্রামে পারিবারিক কলহের জেরে বড় ভাই এ টি এম শামসুজ্জামানের লাঠির আঘাতে মুকুল হোসেন (৩৮) নিহত হন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

এ টি এম শামসুজ্জামানমুকুল হোসেনমাহমুদাওসি আব্দুর রাজ্জাক

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 05/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Ajker Patrika · 06/10/26open original ↗

বিরামপুরে বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

দিনাজপুরের বিরামপুরে পারিবারিক কলহের জেরে বড় ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মুকুল হোসেন (৩৮) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে পৌর এলাকার কৃষ্টচাঁদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত মুকুল হোসেন ওই গ্রামের মৃত মনির হোসেনের ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশাচালক ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বড় ভাই এ টি এম শামসুজ্জামান ও ছোট ভাই মুকুল হোসেনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় শামসুজ্জামানের লাঠির আঘাতে মুকুল গুরুতর আহত হন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতির মধ্যেই মুকুলের মৃত্যু হয়। এদিকে ঘটনার পর অভিযুক্ত এ টি এম শামসুজ্জামান পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তিনি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলে জানা গেছে।বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পারিবারিক বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের আঘাতে ছোট ভাই নিহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মঙ্গলবার সকালে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’তিনি জানান, এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মাহমুদা বিরামপুর থানায় মামলা করেছেন।