ডাকসু-সিন্ডিকেট সভা ঘেরাওে বাগ্বিতণ্ডা
Why this classification
The article reports a physical scuffle between Dakshu/student leaders and university proctors during a protest, which is a clear political clash within the last 14 days, so it is classified as political violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
ডাকসু ও হল সংসদের নেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সভা ঘেরাও করে, শাহবাগ থানা সামনে বাগ্বিতণ্ডা ঘটায়। কোনো আহত বা মৃতের খবর নেই।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
94% · severity 2
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
সিট বণ্টন নীতিমালার দাবিতে সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও ডাকসুর
সিট বণ্টন নীতিমালার দাবিতে সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও ডাকসুর ছবি- সমকাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬ | ২৩:১৮ শিক্ষার্থীবান্ধব ও স্বচ্ছ সিট বণ্টন নীতিমালা প্রণয়নের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভা ঘেরাও করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতারা। একই সঙ্গে শাহবাগ থানার সামনে ডাকসু নেতাদের ওপর হামলার ঘটনার বিচারও দাবি করেন তারা। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সামনে অবস্থান নেন ডাকসু ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতারা। সিন্ডিকেটের সভা চলাকালে ভবনের বাইরে অবস্থান নিয়ে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন। রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি চলে। পরে ডাকসুর একটি প্রতিনিধিদল সিন্ডিকেট সদস্যদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নেয়। প্রতিনিধিদলে ছিলেন ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের, ক্যারিয়ার অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম এবং শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) আহসান হাবীব ইমরোজ। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নেতারা ‘আদু ভাইয়ের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘গণরুমের পাঁয়তারা, রুখে দেবে ছাত্ররা, ‘আবাসনে রি-অ্যাড, চলবে না চলবে না’, ‘বিতর্কিত সিট নীতিমালা, চলবে না চলবে না’ এবং ‘স্বচ্ছ নীতিমালা, দিতে হবে দিয়ে দাও’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর আগে সন্ধ্যা ৭টার দিকে মিছিল নিয়ে সিন্ডিকেট কক্ষের সামনে গেলে ডাকসুর কয়েকজন নেতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর এনামুল হক সজীব, রেজাউল করিম সোহাগ ও শান্টু বড়ুয়ার সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তবে পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়। ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি তিনবার রি-অ্যাডের মাধ্যমে আট বছর হলে থাকার সুযোগ তৈরির চেষ্টা চলছে। এ সুযোগ দেওয়া হলে অনেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে রি-অ্যাড নেবে এবং হলের সিট দীর্ঘদিন ধরে রাখবে। এতে আবারও গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতি ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, আমরা জানতে পেরেছি এখন সিন্ডিকেট সভা চলছে। সেখানে সিট বরাদ্দ নীতি নিয়ে পাঁয়তারা করা হচ্ছে। আমরা থাকতে এটা কখনো হতে দেব না। একজন শিক্ষার্থীকে ভর্তির প্রথম দিন থেকেই হলের সিট নিশ্চিত করতে হবে। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলকে সিন্ডিকেট সভায় অংশ নেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। প্রক্টরিয়াল বডির সহযোগিতায় প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য সভাকক্ষে প্রবেশ করেন। পরে রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিন্ডিকেট সভা চলে। - বিষয় : - ডাকসু - সিন্ডিকেট সভা
সিন্ডিকেট সভা চলাকালে ‘ঘেরাও’ কর্মসূচিতে ডাকসু নেতারা
সিন্ডিকেট সভা চলাকালে ‘ঘেরাও’ কর্মসূচিতে ডাকসু নেতারা Advertisement ঢাবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ শিক্ষার্থীবান্ধব ও স্বচ্ছ সিট বণ্টন নীতিমালা প্রণয়নের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সিনেট ভবনের সামনে অবস্থান এবং ‘সিন্ডিকেট ঘেরাও’ কর্মসূচি পালন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতারা। এ সময় ভবনের ভেতরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের সভা চলছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের সামনে অবস্থান নেন ডাকসু ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতারা। পরে সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটের দিকে তারা সিন্ডিকেট সভাকক্ষের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। কর্মসূচিতে তারা ‘স্বচ্ছ নীতিমালা, দিতে হবে দিয়ে দাও’, ‘গণরুমের পাঁয়তারা, রুখে দিবে ছাত্ররা’, ‘আবাসনে রিঅ্যাড, গণরুমের রোডম্যাপ’, ‘গেস্টরুমের পাঁয়তারা, রুখে দিবে ছাত্ররা’, ‘বিতর্কিত সিট নীতিমালা, চলবে না চলবে না’, ‘আদু ভাইয়ের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’ এবং ‘সে নো, গণরুম’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। ডাকসু নেতাদের দাবি, অনার্সে দুবছর এবং মাস্টার্সে এক বছর রি-অ্যাডমিশনসহ আবাসিক সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ একটি নির্দিষ্ট ছাত্রসংগঠনের হলকেন্দ্রিক আধিপত্য বিস্তারের সুযোগ তৈরি করবে। পুনঃভর্তি বা দীর্ঘ মেয়াদে অবস্থানকারী শিক্ষার্থীদের জন্য সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে, যাতে তারা নিয়মিত শিক্ষার্থীদের আবাসিক অধিকার ক্ষুণ্ন করতে না পারেন। ডাকসুর ছাত্র পরিবহণ সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা জানতে পেরেছি তিনবার রিঅ্যাড এর মাধ্যমে আট বছর হলে অবস্থান সুযোগ সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। ফলে এর মাধ্যমে আগের মতো গণরুম, গেস্টরুম ফিরে আসবে। শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) মো. আহসান হাবীব ইমরোজ অভিযোগ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়কে সন্ত্রাসীদের আখড়া বানানোর চেষ্টা করছে। ১৫ জুলাই আক্রমণে সেসব শিক্ষক ও ছাত্রলীগের নেতারা অংশগ্রহণ করেছেন তাদের সবাইকে চিহ্নিত করে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে শাহবাগ থানায় ডাকসু নেতাদের ওপর হামলার ঘটনা নিয়ে সহকারী প্রক্টর ড. এনামুল হক সজিব, রেজাউল করিম সোহাগ ও শান্টু বড়ুয়ার সঙ্গে ডাকসু নেতাদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এরপর রাত ৮টা ২৩ মিনিটে প্রক্টরদের সহযোগিতায় ডাকসুর ছয়জন প্রতিনিধি সিন্ডিকেট সভাকক্ষে প্রবেশ করেন। কর্মসূচিতে ডাকসুর পরিবহণ সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদসহ বিভিন্ন হল সংসদের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
