যশোরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, অভিযোগ বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a single, specific incident: a Jubo League leader was hacked and beaten by 5 to 6 attackers in Chougachha on the morning of 11 June 2026 and died in hospital the same day. It is a murder that falls squarely within the violence definition, and it happened in Bangladesh within the recent time window.

Reported by:Prothom AloSingle source
11/06/26•মুক্তদাহ মোড়, মুক্তদাহ গ্রাম, চৌগাছা

Killed

1

Injured

0

Summary

যশোরের চৌগাছা উপজেলার মুক্তদাহ গ্রামে ২০২৬ সালের ১১ জুন, বৃহস্পতিবার সকালে যুবলীগ নেতা জুয়েল আহমেদ রানাকে ৫–৬ জন হামলাকারী কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে, এবং দুপুরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। পরিবার বিএনপি নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ করলেও বিএনপির উপজেলা সভাপতি ও থানার ওসি এটিকে জমি বা পূর্ব বিরোধের জের বলে জানিয়েছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 8

Perpetrator side

BNP

Victim side

Awami League

Other actors

জুয়েল আহমেদ রানা (নিহত, যুবলীগ নেতা)নজরুল ইসলাম (পাতিবিলা ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি ও ইউপি সদস্য)ইউসুফ আলী (কসাই)এম এ সালাম (চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি)মামুনুর রশিদ (চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)মায়া বেগম (নিহতের স্ত্রী)

Tags

MurderLand Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 11/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Prothom Alo · 11/06/26open original ↗

যশোরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা, অভিযোগ বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে

যশোরের চৌগাছায় যুবলীগের এক নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার মুক্তদাহ গ্রামে তাঁর ওপর হামলা হয়। পরে দুপুরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরিবারের অভিযোগ, বিএনপির নেতা–কর্মীরা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। নিহত জুয়েল আহমেদ রানা (৪০) মুক্তদাহ গ্রামের ওয়াদুদ খন্দকারের ছেলে। তিনি স্থানীয় পাতিবিলা ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানের পর তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের পর তিনি এলাকায় ফিরে আসেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে গ্রামের মুক্তদাহ মোড়ে জুয়েল রানার সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ আলীর (কসাই) কথা-কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে পাতিবিলা ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি ও ইউপি সদস্য নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে ৫–৬ জন দেশি অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে জুয়েলের ওপর হামলা করা হয়। তাঁকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করা হয়। গুরুতর অবস্থায় স্বজনেরা জুয়েলকে উদ্ধার করে প্রথমে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জুয়েলের মৃত্যু হয়। জুয়েল আহমেদের স্ত্রী মায়া বেগম অভিযোগ করেন, সকালে তিনি মেয়েকে স্কুলে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। ওই সময় তাঁর স্বামী স্থানীয় রাস্তার মোড়ে চা খেতে যান। এ সময় হামলাকারীরা তাঁর স্বামীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করে। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, তাঁরা বিএনপির রাজনীতি করেন। হত্যাকাণ্ডে বিএনপির নেতা–কর্মীদের জড়িত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার জানা মতে, স্থানীয় জমি-জায়গা নিয়ে বিরোধে জুয়েল রানা খুন হয়েছেন। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম জড়িত নন।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ বলেন, ‘মূলত ইউসুফের (কসাই) সঙ্গে জুয়েলের আগে থেকে বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।