বয়স্ককে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, নেপথ্যে যে ঘটনা
Why this classification
The article reports a recent physical assault on an elderly person in Dhanmondi, Dhaka, describing a beating by a mob; therefore it meets the definition of violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
ধানমন্ডি, ঢাকা-তে রাস্তায় এক বয়স্ক ব্যক্তির উপর মারধরের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে ঘটনার ‘মব’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 14/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
ফুটপাতে মারধরের ঘটনায় সেই যুবক আটক, পুলিশ প্রত্যাহার
ফুটপাতে মারধরের ঘটনায় সেই যুবক আটক, পুলিশ প্রত্যাহার ছবি- ভিডিও থেকে নেওয়া সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ১৭:৫২ | আপডেট: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ১৮:০৫ রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার ফুটপাতে এক ব্যক্তিকে মারধর করা যুবক খালিদ হাসানকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ধানমন্ডির মীনা বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। মারধরের সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ধানমন্ডি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হাইকে কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ধানমন্ডি থানা পুলিশ। আজ বিকেলে সমকালকে এসব তথ্য জানান ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব। ওসি ইমদাদুল ইসলাম বলেন, গত সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি সাতমসজিদ রোডের বেসরকারি বাংলাদেশ আই হসপিটালের উল্টো দিকে শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ ওরফে মাসুদ রানা (৪৮) নামের এক ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় জড়িত খালিদ হাসানকে আটক করা হয়েছে। পরে তাঁকে ডিএমপির রমনা জোনের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। খালিদ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গ্রাফিকস ডিজাইনার। মারধরের শিকার শহীদ আবদুল্লাহ মানসিক রোগে আক্রান্ত। তাকে মারধরের সময় ধানমন্ডি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হাই সহ আরও দুই পুলিশ সদস্য পাশেই ছিল। এসময় কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় কর্তব্যে অবহেলার অভিযোগে আবদুল হাইকে কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আর পুলিশের বাকি দুই সদস্য পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টের (দাঙ্গা দমন বিভাগের)। তাঁদের ব্যাপারে তিনি কিছু জানেন না। এর আগে গত সোমবার দুপুরে এক তরুণীকে (২৩) শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে শহীদ আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে। এর জেরে তাঁকে চড়থাপ্পড়, লাথি ও কান ধরে ওঠবস করাতে দেখা যায় খালিদকে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। তবে সব ছাপিয়ে আলোচনায় আসে মারধরের বিষয়টি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ২ মিনিট ১২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, এক যুবক রাগ ও ক্ষোভের সঙ্গে গালাগাল করতে করতে ওই ব্যক্তিকে থাপ্পড় ও লাথি মারছেন। এ সময় আশপাশে ভিড় করেন পথচারীরা। তাঁদের কেউ কেউ ঘটনাটি দেখছেন, আবার কেউ কেউ মোবাইলে ভিডিও করছেন। ভিডিওতে পথচারীদের বলতে শোনা যায়, ‘মেয়ের গায়ে হাত দিয়েছে’, ‘ক্যানটিনে এই ঘটনা ঘটে’, ‘মা-বোন নাই’। এ সময় এক পথচারী মারধরের শিকার ব্যক্তির কাছে গিয়ে সেখানে উপস্থিত পুলিশের দুই সদস্যকে দেখিয়ে ব্যক্তিটিকে তাঁদের হাতে তুলে দিতে বলেন। একপর্যায়ে মারধরের শিকার ব্যক্তিকে বসা অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়াতে দেখা যায়। মারধর করা যুবক তাঁকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এ সময় উত্তেজিত যুবককে বলতে শোনা যায়, ‘কিসের সরি, সরি বললেই সব শেষ হয়ে যায়?’ এরপর তিনি ‘তুই একটি মায়ের গায়ে হাত দিয়েছিস’ বলে ওই ব্যক্তিকে আবারও থাপ্পড় মারেন। ভিডিওতে দেখা যায়, ফুটপাতের এ ঘটনা যখন ঘটছে, তখন কয়েক হাত দূরে পুলিশের দুই সদস্য উপস্থিত ছিলেন। আশপাশে ভিড় করা পথচারীদের মতো তাঁরাও ঘটনাটি দেখছিলেন। পুলিশ জানায়, আবদুল্লাহ এক নারীকে ‘ব্যাড টাচ’ করার অভিযোগ উঠে। পরে তিনি তাঁর এক স্বজনকে মুঠোফোনে ডেকে আনেন। পরে তিনি এসে আবদুল্লাহকে মারধর করেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। - বিষয় : - যুবক - আটক - পুলিশ - প্রত্যাহার - ধানমন্ডি
‘ভাগনিকে রক্ষা’ করতে এসে মামার ১৫ দিনের কারাদণ্ড
রাজধানীর ধানমন্ডিতে এক ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় খালিদ হাসান নামের এক যুবককে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে ধানমন্ডির মীনাবাজার এলাকা থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশ। পরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে এ সাজা দেন। গত সোমবার দুপুরে ধানমন্ডি সাতমসজিদ সড়কে বাংলাদেশ আই হসপিটালের বিপরীতে শহীদ আবদুল্লাহ আল মাসুদ ওরফে মাসুদ রানা (৪৮) নামে এক ব্যক্তিকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করান খালিদ। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওতে ঘটনাস্থলে দুই পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকলেও তাঁদের নীরব দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। বুধবার আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরান আহমেদ বলেন, শহীদ আবদুল্লাহকে মারধর ও কান ধরে ওঠবস করানোর কথা স্বীকার করেছেন খালিদ হাসান। এ কারণে তাঁকে ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, খালিদ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেন। তাঁর ভাগনিকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে তিনি শহীদ আবদুল্লাহর ওপর চড়াও হয়েছিলেন। এদিকে একই ঘটনায় শহীদ আবদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করে ধানমন্ডি থানার পুলিশ। পরে তাঁকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠান ঢাকা মহানগর পুলিশের স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। শহীদ আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তোলা ওই তরুণী জানান, তিনি তাঁকে ‘ব্যাড টাচ’ বা খারাপভাবে স্পর্শ করেন। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা তাঁকে আটক করতে অনীহা প্রকাশ করেন বলে অভিযোগ করেন তরুণী। পরে তিনি ফোন করে তাঁর মামা খালিদ হাসানকে ডেকে আনেন। ভাগনিকে রক্ষা করতে এসে খালিদ শহীদ আবদুল্লাহকে মারধর করেন। খালিদকে কারাদণ্ড দেওয়ার পর ওই তরুণী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ম্যাজিস্ট্রেট মামাকে ১৫ দিনের জেল দিয়ে দিয়েছেন। ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে কান্নাকাটি করে বলেছিলাম, ‘আমাকে নিয়ে যান, আমার মামাকে ছেড়ে দেন।’ আমাকে রক্ষা করতেই তো তিনি এসেছেন। আমার জন্যই তো তিনি ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট আমার কথা শুনলেন না। তরুণী প্রশ্ন তোলেন, তাঁকে শ্লীলতাহানির অভিযোগের সময় ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ সদস্যরা নীরব ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেটিও জানতে চান তিনি। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ধানমন্ডি থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হাইকে কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব বলেন, ঘটনাস্থলে আবদুল হাইয়ের দায়িত্ব ছিল। এ কারণে তাঁকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশের অন্য দুই সদস্য পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টের (দাঙ্গা দমন বিভাগ) হওয়ায় তাঁদের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। এর আগে ওসি ইমদাদুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, শহীদ আবদুল্লাহ মোহাম্মদপুর এলাকায় থাকেন। তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি মানসিক রোগে আক্রান্ত। এমবিবিএস পড়ার সময় তাঁর এ সমস্যা দেখা দেয়। পরে বিয়ে হলেও তাঁর সংসার টেকেনি।
রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি : আয়াস ও রিমি রিমান্ড শেষে কারাগারে
শিল্পকলা একাডেমির সামনে দেয়ালে আঁকা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি নষ্ট ও বিকৃত করার চেষ্টা, উসকানিমূলক বক্তব্য এবং ধর্মীয় সম্প্রীতিতে আঘাতের চেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম’ এর সদস্যসচিব আ ন ম আয়াস ও মার্জিয়া খন্দকার রিমিকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিয়াদ হাসান এ আদেশ দেন। গত রোববার আয়াসের তিন দিনের ও রিমির দুই দিনের রিমান্ড দেন আদালত। রিমান্ড শেষে আজ তাদের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল গাফফার হিমেল কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, আসামিদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে মামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। যা যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং আসামিদের নাম-ঠিকানা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন। আবেদনে আরও বলা হয়, মামলার তদন্তের স্বার্থে পরবর্তী সময়ে আরও গভীর ও নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের লক্ষ্যে আসামিদের পুনরায় রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হতে পারে। আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট মনির হোসেন সুমন জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। এদিকে, জামিন শুনানিকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্র এবং আসামি পক্ষের আইনজীবীর মধ্যে হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার জেরে বিচারক এজলাস ছেড়ে খাসকামরায় অবস্থান নেন। ছয় মিনিট পরে আবারও বিচারক এজলাসে ওঠে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গতকাল ১৩ অক্টোবর একই মামলায় গ্রেপ্তার সাকিব ও সুজন নামে দুই আসামিকে রিমান্ড শেষে কারাগার পাঠানো হয়। গত শনিবার দুপুরে সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতি বিকৃত ও নষ্ট করার চেষ্টাকালে এক নারীসহ চারজনকে আটক করে পুলিশ। পরে শাহবাগ থানার এসআই জিয়াউল হক মামলা করেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগ আনা হয়েছে। এনআর/আরএফ
বয়স্ককে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, নেপথ্যে যে ঘটনা
বয়স্ককে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, নেপথ্যে যে ঘটনা. রাজধানীর ধানমন্ডিতে এক বয়স্ক ব্যক্তিকে রাস্তায় মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি ঘিরে ঘটনাটিকে ‘মব’ হিসেবে উল্লেখ করে নানা আলোচনা ও দাবি
