চুনারুঘাটে শিকলে বাঁধা অবস্থায় মাদ্রাসাপড়ুয়া দুই শিশু শিক্ষার্থী উদ্ধার
Why this classification
The report describes a concrete incident in which two children were found chained up in a bazaar in Chunarughat, Habiganj, on 21 April 2026. Physically chaining minors is a form of physical abuse, though no injuries were reported and no outside group was involved.
Killed
0
Injured
0
Summary
হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) বিকালে উপজেলা পরিষদের সামনের বাজার এলাকায় শিকলে বাঁধা অবস্থায় দুই মাদ্রাসাশিক্ষার্থী শিশুকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেন। পরিবারের দাবি, বারবার মাদ্রাসা থেকে পালানোর কারণে তাদের শিকলে বেঁধে মাদ্রাসায় পাঠানো হয়েছিল, পরে শিশুরা সুযোগ পেয়ে শিকল কেটে বাজারে চলে আসে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
85% · severity 4
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 21/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
চুনারুঘাটে শিকলে বাঁধা অবস্থায় মাদ্রাসাপড়ুয়া দুই শিশু শিক্ষার্থী উদ্ধার
চুনারুঘাটে শিকলে বাঁধা অবস্থায় মাদ্রাসাপড়ুয়া দুই শিশু শিক্ষার্থী উদ্ধার Advertisement হবিগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৬ পিএম উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীরা। হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় শিকলে বাঁধা অবস্থায় দুই মাদ্রাসাপড়ুয়া শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকালে উপজেলা পরিষদের সামনে বাজার এলাকা থেকে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেন। উদ্ধার হওয়া শিশুরা হলো- হবিগঞ্জ সদর উপজেলার চাঁনপুর গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে মারুফ ইসলাম সবুজ (৯) এবং বানিয়াচং উপজেলার পাথারিয়া গ্রামের বেলু মিয়ার ছেলে সায়েম মিয়া (৮)। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে তাদের থানায় নেওয়া হয় এবং রাতে অভিভাবকদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, তারা পরস্পর আত্মীয় এবং একই সঙ্গে মাদ্রাসায় পড়ে। তাদের মা-বাবাকে খবর দিয়ে থানায় এনে দুই শিশুকে তাদের কাছে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, অভিভাবকদের ভাষ্যমতে, গত রমজানের ঈদের পর থেকে তারা ইতোমধ্যে চারবার মাদ্রাসা থেকে পালিয়েছে। এতে পরিবারকে দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়েছে। গত ৩-৪ দিন আগেও তারা পালিয়ে গিয়েছিল এবং তাদের বাহুবল থেকে ধরে আনা হয়। পরে বাধ্য হয়ে এভাবে শিকলে বেঁধে মাদ্রাসায় পাঠানো হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, তাদের বোঝানো হয়েছে যে এভাবে শাসন করা উচিত নয়। এ ধরনের শাসন শিশুদের মেধা বিকাশে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে। অভিভাবকদের বলা হয়েছে, সন্তানদের বিষয়ে যেন তারা আরও নমনীয় হন। চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী বলেন, শিশু দুজন শিকলে বাঁধা অবস্থায় চুনারুঘাট বাজারে উপজেলা পরিষদের সামনে চলে এসেছিল। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা পরিষদে নিয়ে আসেন। পরবর্তীতে আমি থানার ওসি সাহেবকে খবর দিয়ে বিষয়টি খোঁজখবর নিতে বলি এবং তার কাছে শিশুদের হস্তান্তর করি। পরিবারের দাবি, বারবার পালিয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। তবে সুযোগ পেয়ে শিশুরা শিকল কেটে বাজারে চলে আসে।
