অধ্যক্ষকে টেনেহিঁচড়ে অফিস কক্ষ থেকে বের করে মারধর

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a single, concrete incident on 19 April 2026 in which a group led by named individuals demanded money from the college principal in Narsingdi, then dragged him out of his office and beat him after he refused. The attackers also threatened to kill him, so this is a physical assault and qualifies as violence.

Reported by:SamakalSingle source
19/04/26•সরকারি আদিয়াবাদ ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, রায়পুরা

Killed

0

Injured

1

Summary

১৯ এপ্রিল ২০২৬ (রোববার) সকালে নরসিংদীর রায়পুরার সরকারি আদিয়াবাদ ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে একদল লোক অধ্যক্ষ নূর সাখাওয়াত হোসেনের কক্ষে ঢুকে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে টেনেহিঁচড়ে বারান্দায় নিয়ে কিলঘুষি মারা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে হামলাকারীরা চলে যায়, ঘটনায় রায়পুরা থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

নূর সাখাওয়াত হোসেন (কলেজের অধ্যক্ষ, ভুক্তভোগী)আমজাদ হোসেন (নেতৃত্বদানকারী)নাজমুল হোসেন বাদলআব্দুল জলিলজুয়েলআল আমিনমিল্লাত ভূঁইয়াহাসনাত ভূঁইয়া

Affected infrastructure

কলেজের অফিস কক্ষকলেজের বারান্দা

Tags

Extortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 19/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 20/04/26open original ↗

অধ্যক্ষকে টেনেহিঁচড়ে অফিস কক্ষ থেকে বের করে মারধর

অধ্যক্ষকে টেনেহিঁচড়ে অফিস কক্ষ থেকে বের করে মারধর ছবি ভিডিও থেকে নেওয়া নরসিংদী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | ১৯:২৩ মব সৃষ্টি করে একজন অধ্যক্ষের ওপর হামলা চালিয়েছে একদল লোক। আজ রোববার সকালে নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার সরকারি আদিয়াবাদ ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার হয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ নূর সাখাওয়াত হোসেন। এলাকাবাসী জানান, অধ্যক্ষ নূর সাখাওয়াত হোসেন রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কলেজে দাপ্তরিক কাজ করছিলেন। এ সময় এলাকার আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে একদল লোক অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে গালাগাল করতে থাকে। একপর্যায় হামলা করে। অধ্যক্ষকে টেনেহিঁচড়ে অফিস কক্ষ থেকে বের করে বারান্দায় নিয়ে কিলঘুষি মারা হয়। এ সময় কলেজের অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারী এগিয়ে গেলে অধ্যক্ষকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায় হামলাকারীরা। খবর পেয়ে রায়পুরা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পর থেকে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অধ্যক্ষ নূর সাখাওয়াত হোসেন বলেন, এলাকার আমজাদ হোসেন, নাজমুল হোসেন বাদল, আব্দুল জলিল, জুয়েল, আল আমিন, মিল্লাত ভূঁইয়া, হাসনাত ভূঁইয়ার নেতৃত্বে একদল লোক অফিসে ঢুকে তার কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে কিছু বুঝে ওঠার আগেই হামলা চালায়। এ সময় কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীরা এগিয়ে এলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায় হামলাকারীরা। এ ব্যাপারে রায়পুরা থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। অধ্যক্ষকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এতে দেখা যায়, অধ্যক্ষকে টেনেহিঁচড়ে বারান্দায় নিয়ে মারধর করছে কয়েকজন। এর আগে ২৬ জানুয়ারি অধ্যক্ষ নূর শাখাওয়াত হোসেনকে স্বপদে বহাল রাখার দাবিতে কলেজের প্রধান ফটকের সামনে অভিভাবক, প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা একটি মানববন্ধন করেন। মানববন্ধন চলাকালে আমজাদ হোসেন ও নাজমুল হোসেন বাদলের নেতৃত্বে একদল লোক গালাগাল শুরু করে এবং হাতে থাকা ব্যানার ছিনিয়ে নিয়ে মারধর করে। এই ঘটনার ফুটেজ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদেরও মারধর করে। অভিযুক্ত আমজাদ হোসেন ও নাজমুল হোসেন বাদলের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও রিসিভ করেননি। রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমানের ভাষ্য, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এই ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।