বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতন করার অভিযোগ আ.লীগ সমর্থকদের বিরুদ্ধে
Why this classification
This is a single, specific physical attack on 27 March 2026: a BNP leader was beaten and held underwater in a beel in Madan, Netrokona, and hospitalised. The attackers are named and the alleged motive is a grass-cutting dispute, while the accused deny the drowning attempt.
Killed
0
Injured
1
Summary
নেত্রকোনার মদনে গত ২৭ মার্চ (শুক্রবার) কান্দুবিয়া বিলে ঘাস কাটার সময় উপজেলা বিএনপির সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক মেহেদী হাসান আকন্দ শফিককে পূর্ববিরোধের জেরে সোহেল মিয়া ও তার লোকজন মারধর করে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। আহত মেহেদী মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন, এবং অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
গরু লুটে বাধা দেওয়ায় অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি, মৃত সন্তান প্রসব
গরু লুটে বাধা দেওয়ায় অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি, মৃত সন্তান প্রসব ফাইল ছবি নেত্রকোনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬ | ২২:০০ নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে গরু লুটে বাধা দেওয়ায় ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারীর পেটে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে। লাথি দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে মৃত কন্যা সন্তান প্রসব করেন ওই নারী। পরে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে সুয়াইর ইউনিয়নের হাটনাইয়া আলীপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী রোকেয়া আক্তার (৩৮) মোহনগঞ্জ উপজেলার হাটনাইয়া আলীপুর গ্রামের ওলিউল্লাহর স্ত্রী। ১৫ এপ্রিল তাঁর স্বাভাবিক প্রসব হওয়ার কথা ছিল। এই ঘটনায় শুক্রবার রাতে ওলিউল্লাহর ভাতিজা আবুল বাশার বাদী হয়ে একই গ্রামের আঙ্গুর মিয়া, রফিকুল ইসলাম, তরিকুল মিয়া, আনসার মিয়া, মজিবর মিয়াসহ ৯ জনের নামে মামলা করেছেন। অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে কয়েকজনকে। জানা গেছে, মোহনগঞ্জের হাটনাইয়া আলীপুর গ্রামে গত ১৪ মার্চ ওলিউল্লাহর ভাগনের হাঁস আঙ্গুর মিয়ার ডোবায় নেমে পানি ঘোলা করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়। সংঘর্ষের সময় আঙ্গুর মিয়ার লোকজন হাঁস লুট করে নিয়ে যায়। পরে আঙ্গুর মিয়ার পক্ষ থেকে করা মামলায় ওলিউল্লাহসহ তাঁর পরিবার ও আত্মীয়দের আসামি করা হয়। এরপর থেকে ওলিউল্লাহর পরিবারের পুরুষ সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে থাকেন পুলিশের ভয়ে। গত বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে ওলিউল্লাহর বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালায়। কাউকে না পেয়ে পুলিশ চলে যায়। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে আঙ্গুর মিয়াসহ ১৫-২০ জন ওলিউল্লাহর বাড়িতে হামলা চালায় এবং গরু লুট করার চেষ্টা করে। কোনো পুরুষ মানুষ না থাকায় ওলিউল্লাহর ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রোকেয়া গরু লুট করতে বাধা দেন। এ সময় আঙ্গুর মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে রোকেয়ার পেটে লাথি মারে। অন্যরাও তাঁকে কিলঘুসি মেরে আহত করে। ওই সময়ই পেটের তীব্র ব্যথায় চিৎকার শুরু করেন রোকেয়া। এতে আশপাশের লোকজন ছুটে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এর কয়েক ঘণ্টা পর মৃত সন্তান প্রসব করেন রোকেয়া। পরে মা ও নবজাতককে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা করে নবজাতককে মৃত ঘোষণা করেন। রোকেয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। ওলিউল্লাহ বলেন, এটি পরিকল্পিত হত্যা। এর আগে হাঁস লুট করেছে। পিটিয়ে জখম করে উল্টো মিথ্যা মামলায় আসামি করেছে। তাদের পালিয়ে থাকার সুযোগে গভীর রাতে বাড়িতে হামলা করে গোয়ালের গরুগুলো লুট করতে গিয়েছে। বাধা দেওয়ায় তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পেটে লাথি মেরে গর্ভের সন্তানকে হত্যা করেছে। ভুক্তভোগী রোকেয়ার বড় বোন রুয়েলা আক্তার জানান, গভীর রাতে বাড়িতে হামলা চালায় আঙ্গুর মিয়াসহ বেশ কয়েকজন। গোয়ালের গরুগুলো নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। বাড়িতে পুরুষ মানুষ না থাকায় রোকেয়া গিয়ে বাধা দেয়। এ সময় তারা রোকেয়ার পেটে লাথি মারে এবং কিলঘুসি দেয়। লাথি দেওয়ায় পেটে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। এতে মৃত বাচ্চা প্রসব হয়। এর বিচার চান তারা। আঙ্গুর মিয়ার ভাষ্য, আগের একটি ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ায় এলাকায় থাকেন না তিনি। আগের ঘটনা ধামাচাপা দিতে এটি একটি সাজানো নাটক। স্থানীয় ইউপি সদস্য মামুন মিয়া বলেন, ‘আঙ্গুর মিয়ার লোকজন বলছে ঘটনা মিথ্যা। আর ওলিউল্লাহর লোকজন বলছে ঘটনা সত্য। এই বিষয়টা নিয়ে এলাকায় দুইটা পক্ষ তৈরি হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা বোঝা যাচ্ছে না। পুলিশ তদন্ত করে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করবে আশা করছি।’ মোহনগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান, খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। - বিষয় : - নেত্রকোনা
বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতন করার অভিযোগ আ.লীগ সমর্থকদের বিরুদ্ধে
বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতন করার অভিযোগ আ.লীগ সমর্থকদের বিরুদ্ধে Advertisement মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬, ১১:১০ পিএম আহত মেহেদী হাসান আকন্দ শফিক। নেত্রকোনার মদনে এক বিএনপি নেতাকে পানিতে চুবিয়ে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সমর্থকদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) ভুক্তভোগী উপজেলা বিএনপির সহ-সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান আকন্দ শফিক এ বিষয়ে মদন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মেহেদী বাড়ির সামনে কান্দুবিয়া বিলে ঘাস কাটতে যান। এ সময় পূর্ববিরোধের জের ধরে সোহেল মিয়া ও তার লোকজন মেহেদীকে অতর্কিতভাবে মারপিট করেন। একপর্যায়ে তাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে বিলের পানিতে চুবাতে শুরু করেন। মেহেদীর চিৎকার শুনে পাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার করে মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি মদন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় মেহেদী ৪ জনকে অভিযুক্ত করে মদন থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার মদন সদর ইউনিয়নের কুলিয়াটি গ্রামের মৃত শামছু মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া, খায়েস, কাওছার ও সাগর। এ বিষয়ে সোহেল মিয়া জানান, মেহেদী আমার চাষকৃত ঘাস কাটছিল। আমি এতে বাধা দেই। এরপর তার সঙ্গে আমার ও আমার ভাইদের ধস্তাধস্তি হয়। তাকে পানিতে চুবিয়ে মারার চেষ্টা করেছি এমন অভিযোগ সঠিক নয়। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। মদন থানার ওসি হাসনাত জামান জানান, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
