নির্বাচনের আগে খুলনায় বেড়েছে সন্ত্রাসী তৎপরতা

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a specific, recent incident in Khulna in which a young man was dragged out of a salon and shot in the head, which is fatal. It is classified as violence because it is a concrete shooting with one death, and it is not a roundup or commentary.

Reported by:SamakalSingle source
05/02/26•মধ্যম হরিণটানা শিশু বাগান এলাকা, খুলনা নগরী

Killed

1

Injured

0

Summary

খুলনা নগরীর মধ্যম হরিণটানা শিশু বাগান এলাকায় ৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টার দিকে দুই যুবক স্যালুন থেকে রাকিব হোসেনকে টেনে বের করে মাথায় গুলি করে হত্যা করে। ঘটনার পর এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি এবং কোনো মামলাও হয়নি।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 8

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

Rakib HossainTwo unidentified youthsTauhid Uz Zaman, OC of Labanchara Thana

Tags

MurderRobbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 05/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 08/02/26open original ↗

নির্বাচনের আগে খুলনায় বেড়েছে সন্ত্রাসী তৎপরতা

যুবককে হত্যা ও ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি, গ্রেপ্তার নেই নির্বাচনের আগে খুলনায় বেড়েছে সন্ত্রাসী তৎপরতা বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায়ও আটক নেই, হয়নি মামলা খুলনা ব্যুরো প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৮:২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ নির্বাচনের আগে খুলনায় হঠাৎ সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়েছে। এ জেলায় গত তিন দিনে গুলি করে এক যুবক ও এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর দোকান লুট এবং পুলিশকে জানানোয় বাড়িতে গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে। তিন ঘটনায় এক আসামিকেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। হত্যাকাণ্ড এবং চাঁদাবাজির ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্রগুলোও উদ্ধার হয়নি। এসব নিয়ে খুলনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ জানায়, ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে নগরীর মধ্যম হরিণটানার শিশু বাগান এলাকায় স্যালুনে বসেছিলেন যুবক রাকিব হোসেন। রাত ১০টার দিকে দুই যুবক স্যালুন থেকে তাঁকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে বের করে মাথায় গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। কোনো মামলাও হয়নি। নগরীর লবণচরা থানার ওসি তৌহিদ উজ জামান জানান, ঘটনাস্থলের পাশে আশি বিঘা এলাকায় একটি চক্র ছিনতাই ও মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত। রাকিব ও তার ওপর হামলাকারীরা ওই চক্রের সদস্য। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। একই দিন বিকেলে চাঁদার দাবিতে খুলনার শেখপাড়া লোহাপট্টির একটি দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেয় সন্ত্রাসীরা। পরদিন শুক্রবার সকালে সেই তালা ভেঙে দোকানের ক্যাশ বাক্স থেকে ৯ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে যায় তারা। বিষয়টি পুলিশকে জানানোয় ক্ষিপ্ত হয়ে সন্ত্রাসীরা নগরীর নবীনগর এলাকায় অবস্থিত ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে। এ ঘটনায় পুরো শেখপাড়া ও নবীনগর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম জানান, গুলির ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি। সর্বশেষ শুক্রবার রাতে খুলনা নগরীর রেলওয়ে হাসপাতাল রোডে মার্কেট এলাকায় বাবুল মোল্লা (৭৫) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষরা। এ ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। গতকাল বিকেলে খুলনা সদর থানার ওসি কবির হোসেন জানান, এটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নয়; তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঝগড়া। এর জের ধরেই মারধরের এক পর্যায়ে বৃদ্ধ মারা গেছেন। আসামিদের চিহ্নিত করা হয়েছে। শনিবার রাতে মামলা হবে। এরপর দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হবে। নিহতের মেয়ে রিমি বেগম জানান, তাদের প্রতিবেশী নাসু, গামা ও সাব্বির এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তারাই তাঁর বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। পুলিশকে জানানোর পরও কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি। খুলনা মহানগর পুলিশের কমিশনার মোহাম্মাদ জাহিদুল হাসান বলেন, এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনার কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে– এমন বলার সুযোগ নেই। প্রতিটি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করা হয়েছে। দ্রুত তারা গ্রেপ্তার হবে। নির্বাচন নিয়ে শঙ্কার কিছু নেই। তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালে খুলনা শহরে ৩৬টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর মধ্যে ৩৩টির কারণ উদ্ঘাটন করা হয়েছে। ২৪টি হত্যাকাণ্ডের আসামিরা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে।   - বিষয় : - সন্ত্রাসবাদ