রাস্তায় কুকুরের ভয়ে বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া শিশুকে ধর্ষণ, কারাগারে বৃদ্ধ

AI-classifiedconfidence 83%

Why this classification

This incident was classified as gender-based violence in Netrokona. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 3 sources.

Reported by:Ajker PatrikaJugantorDhaka PostSamakalCorroborated · 4 sources
05/08/26•Barhatta

Killed

0

Injured

0

Summary

নেত্রকোনার বারহাট্টায় পঞ্চম শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে ২০২৬ সালের ৫ আগস্ট স্থানীয়রা এক বৃদ্ধকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। ৭ আগস্ট আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

83% · severity 5

Tags

RapeSexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 05/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (4 sources)

Source 1: Samakal · 15/05/26open original ↗

মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবা গ্রেপ্তার

মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবা গ্রেপ্তার প্রতীকী ছবি নেত্রকোনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬ | ২১:৫১ নেত্রকোনার মদনে মাদ্রাসা শিক্ষক দ্বারা মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণের পর এবার পূর্বধলায় নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বাবা শফিকুল ইসলামের (৪৮) বিরুদ্ধে। ওই কিশোরী এখন ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। পুলিশ শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে আজ বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। অভিযোগে জানা গেছে, নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ধলা যাত্রাবাড়ী আশ্রয়ণ প্রকল্পে বাবার লালসার শিকার হয়ে ১৬ বছরের এক কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরী বাদী হয়ে বুধবার তার বাবার বিরুদ্ধে পূর্বধলা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পরে ওইদিন সন্ধ্যায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। এ নিয়ে এলাকার মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। পরে বৃহস্পতিবার পুলিশ তাকে আদালতে পাঠায়। মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার ধলা যাত্রাবাড়ী আশ্রয়ণ প্রকল্পের মৃত হাবিবুল্লাহর ছেলে শফিকুল ইসলাম। তারই মেয়ে ভুক্তভোগী কিশোরী ঢাকায় একটি বাসায় কাজ করতো। প্রায় ৬ মাস আগে তিনি বাবার সঙ্গে ধলা যাত্রাবাড়ীতে চলে আসের। বাড়িতে আসার ২-৩ দিন পর প্রথমে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেন বাবা শফিকুল ইসলাম। এরপর প্রায় সময় ভয় দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে ধর্ষণ করতো। গত দুই মাস আগে কিশোরীকে ময়মনসিংহ এক বাসায় কাজ করতে পাঠানো হয়। শারীরিক পরিবর্তন ধরা পড়লে কিশোরীর বাবা শফিকুল তাকে পুনরায় বাড়িতে নিয়ে আসে। কিশোরীকে বিষয়টি প্রকাশ না করার জন্য ভয় ভীতি দেখায়। কিন্তু বিষয়টি এলাকার মানুষের মধ্যে জানাজানি হয়ে যায়। এক পর্যায়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য হাফিজ উদ্দিন ও ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমানসহ থানায় এসে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করলে মামলা রুজু করা হয়। পরে বিশকাকুনিয়া ইউনিয়নের ধলা যাত্রাবাড়ী আশ্রয়ণ প্রকল্প থেকে গতকাল শফিকুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠায় পুলিশ। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে এবং ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Source 2: Ajker Patrika · 07/08/26open original ↗

রাস্তায় কুকুরের ভয়ে বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া শিশুকে ধর্ষণ, কারাগারে বৃদ্ধ

নেত্রকোনার বারহাট্টায় ১২ বছর বয়সী পঞ্চম শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে কালী সাধন দত্ত (৭০) নামে এক বৃদ্ধকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বারহাট্টা থানার ওসি চম্পক দাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।আজ শুক্রবার বিকেলে জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বৃদ্ধকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আদালতে ভুক্তভোগী শিশুর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার বিকেলে ভুক্তভোগী শিশু এক বন্ধুর বাড়িতে খেলতে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে রাস্তায় কুকুর দেখে ভয় পেয়ে অভিযুক্ত কালী সাধন দত্তের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। এ সময় কালী সাধন দত্ত শিশুটিকে ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে তার চিৎকার শুনে রাস্তা থেকে দুই কিশোর ছুটে যায়। তারা শিশুটিকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেলে সে দাদির কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয়। এ ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত কালী সাধন দত্তকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। আজ সকালে ভুক্তভোগী শিশুর বাবার করা মামলায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।ওসি চম্পক দাম বলেন, দুপুরে অভিযুক্ত গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। বিকেলে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

Source 3: Dhaka Post · 27/08/26open original ↗

স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি

নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুলকে (৫০) দলীয় সকল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) দিবাগত রাতে কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সভাপতি খোকন আহমেদ ডিলার ও সাধারণ সম্পাদক মো. মোয়াজ্জেন হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক লিখিত বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের পদে দায়িত্বরত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সমস্ত পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। মামলার নথি ও ভুক্তভোগীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের নভেম্বরে ভুক্তভোগী যখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত, তখন তাকে চিকিৎসার কথা বলে ডেকে নিয়ে প্রথম ধর্ষণ করা হয় এবং গোপনে সেটির ভিডিও ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে সেই আপত্তিকর ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বকুল ও তার সঙ্গীরা তাকে বিভিন্ন স্থানে শারীরিক নির্যাতন ও ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন। এতে ভুক্তভোগী একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে নির্যাতনের শিকার মেয়েটি রাজি না হওয়ায় ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে গত ২৬ আগস্ট মধ্যরাতে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুলকে প্রধান আসামি করে ৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে কেন্দুয়া থানায় মামলা করেন। পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে মামলার ২ নম্বর আসামি আবু মিয়াকে (৩৬) গ্রেপ্তার করে এবং বুধবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। প্রধান অভিযুক্ত বকুল বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রধান আসামিসহ অন্য অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। চয়ন দেবনাথ/এসএইচএ

Source 4: Jugantor · 21/09/26open original ↗

বারহাট্টায় কৃষক কালকিনিতে বৃদ্ধ হত্যায় গ্রেফতার ২

বারহাট্টায় কৃষক কালকিনিতে বৃদ্ধ হত্যায় গ্রেফতার ২ Advertisement নেত্রকোনা ও কালকিনি-ডাসার প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নেত্রকোনার বারহাট্টায় ছয়গাঁও গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আবুল মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের সদস্যরা গাজীপুরের শ্রীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে। আসামি আবুল মিয়া ছয়গাঁও গ্রামের বাসিন্দা এবং নিহত রফিকুল ইসলামের আপন চাচাতো ভাই। এসআরবি সূত্র জানায়, গত ২৭ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে বর্গাচাষের জমি নিয়ে ছয়গাঁও গ্রামের রফিকুল ইসলামের সঙ্গে তার চাচাতো ভাইদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে চাচাতো ভাই ও তাদের লোকজন লাঠিসোঁটা এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রফিকুল ইসলামের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এতে রফিকুল ইসলাম গুরুতর হলে হাসপাতালে ভর্তি করার পর মারা যান। এদিকে মাদারীপুরের কালকিনিতে বৃদ্ধ এছাহাক সরদার হত্যা মামলার প্রধান আসামি তুহিন মোল্লাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তুহিনের বাড়ি পৌর এলাকার উত্তর জনারদন্দি গ্রামে। রোববার তাকে মাদারীপুর হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ। পূর্বশত্রুতার জেরে ২২ আগস্ট রাতে এছাহাক মোল্লাকে কুপিয়ে জখম করে দুই পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।