পটুয়াখালীতে বনের গাছ কেটে জমি দখলের অভিযোগ, বন বিভাগের জিডি

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

Local men cut down about 400 to 500 mangrove trees in a government forest plantation and cleared about 200 acres with an excavator to make a melon field. When forest officials tried to stop them, the men insulted them and drove them away with threats, so this is a concrete act of destruction and intimidation.

Reported by:Prothom AloSingle source
02/10/26•দক্ষিণ চরবিশ্বাস, চরবিশ্বাস ইউনিয়ন, গলাচিপা

Killed

0

Injured

0

Summary

পটুয়াখালীর গলাচিপায় গত ২ অক্টোবর (শুক্রবার) বিএনপি নেত্রীর ভাই শাহিন হাওলাদার ও তাঁর সহযোগীরা বন বিভাগের ৪০০-৫০০ ম্যানগ্রোভ গাছ কেটে প্রায় ২০০ একর জমিতে খননযন্ত্র দিয়ে তরমুজখেতের বাঁধ তৈরি করেন। বাধা দিতে গেলে তাঁরা বন কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করেন এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাড়িয়ে দেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Forest Department

Other actors

শাহিন হাওলাদার (৪২)মো. ফারুক (৫৫)আজাদ তালুকদার (৫০)আবদুর রহিমআবদুর বারীক (চরআগস্তি বনায়নের বিট কর্মকর্তা)নয়ন মিস্ত্রী (গলাচিপা উপজেলা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা)রেনু আক্তার (গলাচিপা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন)

Affected infrastructure

বন বিভাগের ম্যানগ্রোভ বনায়নের গাছ (কেওড়া, শৈলা, গেওয়া, বাইন)প্রায় ২০০ একর বনভূমি (মাটি কেটে বাঁধ ও তরমুজখেত তৈরি)

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Forest Department

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 02/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Prothom Alo · 06/10/26open original ↗

পটুয়াখালীতে বনের গাছ কেটে জমি দখলের অভিযোগ, বন বিভাগের জিডি

বন বিভাগের গাছ কাটার পর খননযন্ত্র দিয়ে মাটি কেটে তৈরি করা হচ্ছে তরমুজখেত। গত শুক্রবার বিকেলে পটুয়াখালীর গলাচিপার চরবিশ্বাস এলাকায়ছবি: প্রথম আলো পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় বন বিভাগের গাছ কেটে জমি দখল করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেত্রীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে। গলাচিপা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রেনু আক্তারের ছোট ভাই শাহিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করে বন বিভাগ। এ ঘটনায় গত শনিবার গলাচিপা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন গলাচিপা উপজেলা ডেপুটি রেঞ্জার ও চরআগস্তি বনায়নের বিট কর্মকর্তা আবদুর বারীক। জিডি সূত্রে জানা যায়, গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ চরবিশ্বাস এলাকায় ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৭৫ হেক্টর জমিতে ম্যানগ্রোভ বন তৈরি করেছে বন বিভাগ। ওই বনে কিছুদিন ধরে বিএনপি নেত্রী রেনু আক্তারের ছোট ভাই শাহিন হাওলাদার (৪২) ও তাঁর সহযোগী মো. ফারুক (৫৫), আজাদ তালুকদার (৫০) ও আবদুর রহিম ওই বনের গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। গত শুক্রবার বিকেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ওই বনে প্রবেশ করে ১০ লাখ টাকা মূল্যের ৪০০ থেকে ৫০০ গাছ কেটে ফেলেন। বন বিভাগের দাবি, শাহিন হাওলাদার বন বিভাগের করা বনায়নের গাছ উপড়ে খননযন্ত্র দিয়ে মাটি কেটে বাঁধ তৈরি করে তরমুজখেত প্রস্তুত করার কাজ অব্যাহত রেখেছেন। এ ঘটনায় বন বিভাগের লোকজন বাধা দিতে গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁদের লাঞ্ছিত করেন। দক্ষিণ চরবিশ্বাস এলাকায় বনায়ন রয়েছে; কিন্তু স্থানীয় শাহিন হাওলাদার সেই বনায়ন ধ্বংস করে তরমুজখেত করছেন। এ বিষয়ে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করা হয়েছে। এখন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নয়ন মিস্ত্রী, গলাচিপা উপজেলা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা এ বিষয়ে চরআগস্তি বনায়নের বিট কর্মকর্তা আবদুর বারীক প্রথম আলোকে বলেন, শাহিন হাওলাদার ও তাঁর লোকজন বনের কেওড়া, শৈলা, গেওয়া ও বাইনগাছ উপড়ে ফেলেন। উপড়ে ফেলা এসব গাছের বয়স ১০ থেকে ১১ বছর। এরপর প্রায় ২০০ একর জমিতে মাটি কেটে বাঁধ তৈরির কাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে গত শুক্রবার বিকেলে তিনি ও তাঁর লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গাছ উপড়ে ফেলা এবং মাটি কেটে বাঁধ তৈরির কাজ করতে নিষেধ করেন। এ সময় শাহিন হাওলাদার বাধা অগ্রাহ্য করে উল্টো তাঁদের লাঞ্ছিত করেন এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাড়িয়ে দেন। পরে বিষয়টি তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও গলাচিপা উপজেলা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তাকে জানান এবং গলাচিপা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে গত শনি, রবি ও গতকাল সোমবার তিন দিনে শাহিন হাওলাদারের মুঠোফোনে মোট আটবার ফোন করা হলে পাঁচবার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তিনবার ফোনে রিং হলেও তিনি ধরেননি। এ ছাড়া গত রোববার সন্ধ্যায় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে খুদে বার্তা পাঠিয়ে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি। তবে স্থানীয় ব্যক্তিদের মুঠোফোনে ধারণ করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, শাহিন হাওলাদার ওই জমি নিজের বলে দাবি করছেন। এ সময় বন কর্মকর্তা আবদুল বারীক ও তাঁর সঙ্গে থাকা বনকর্মীদের সঙ্গে তিনি উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় করেন। এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গলাচিপা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রেনু আক্তার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, কয়েক দিন ধরে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন। বন বিভাগের গাছ কেটে তরমুজখেত করার বিষয়টি তিনি জানেন না। এ বিষয়ে তিনি তাঁর ভাই শাহিন হাওলাদারের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। গলাচিপা উপজেলা বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা নয়ন মিস্ত্রী প্রথম আলোকে বলেন, দক্ষিণ চরবিশ্বাস এলাকায় তাঁদের বনায়ন রয়েছে; কিন্তু স্থানীয় শাহিন হাওলাদার সেই বনায়ন ধ্বংস করে তরমুজখেত করছেন। এ বিষয়ে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় জিডি করা হয়েছে। এখন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বরিশাল বিভাগবন বিভাগপটুয়াখালীবনঅভিযোগ