না পেয়ে দম্পতিকে জিম্মি করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর
Why this classification
A BNP-linked local leader forcibly stopped a vehicle carrying an Awami League leader and his wife, held them at his office against their will, and demanded Tk 10,000. The couple were released after police were called, and their signatures were taken on three blank stamps under duress. This involves physical detention and coercion, which falls within the violence definition, and the date of 13 May 2026 is within the 14-day window.
Killed
0
Injured
0
Summary
১৩ মে বরিশালের আগৈলঝাড়ার কাজীরহাট এলাকায় উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী হোসেন স্বপন ভূঁইয়া আওয়ামী লীগ নেতা লাল মিয়া কবিরাজ ও তাঁর স্ত্রী ইউপি সদস্য জেসমিন আরা বেগমকে গাড়ি থেকে নামিয়ে নিজ কার্যালয়ে জিম্মি করে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা না পেয়ে তাঁদের তিনটি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়, এবং জেসমিন ৯৯৯-এ ফোন দিলেও পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তাঁদের ছাড়া হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
না পেয়ে দম্পতিকে জিম্মি করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর
আগৈলঝাড়ায় বিএনপি নেতার চাঁদা দাবি না পেয়ে দম্পতিকে জিম্মি করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর Advertisement আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চাহিদামতো চাঁদা না দেওয়ায় আগৈলঝাড়ায় এক আওয়ামী লীগ নেতা ও তার স্ত্রী ইউপি সদস্যকে নিজ অফিসে জিম্মি করে তিনটি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রাখার অভিযোগ উঠেছে এক বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই নারী ইউপি সদস্য জাতীয় জরুরি সেবায় ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে ভয়ে ওই দম্পতি স্ট্যাম্প উদ্ধারের জন্য থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে পারেননি। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক লাল মিয়া কবিরাজ ও তার স্ত্রী সংরক্ষিত ইউপি সদস্য জেসমিন আরা বেগম ১৩ মে দুপুরে অটোরিকশায় উপজেলা সদরে আসার পথে কাজীরহাট নামক স্থানে গাড়ির গতিরোধ করে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী হোসেন স্বপন ভূঁইয়া তার নিজস্ব কার্যালয়ে নিয়ে তাদের জিম্মি করে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। তাদের কাছে টাকা না থাকায় স্বামী লাল মিয়া কবিরাজকে আটক রেখে স্ত্রী জেসমিন আরা বেগমকে টাকার জন্য বাড়িতে পাঠান। তিনি বাড়ি গিয়ে কৌশলে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সিকদার হাফিজুল ইসলাম ও যুগ্ম আহ্বায়ক সামচুল হক খোকনকে ঘটনা জানান। এরপর তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন। এরপর ওই অফিসে ফিরে গেলে দাবিকৃত টাকা না দেওয়ায় জেসমিন আরা বেগমের কাছ থেকে আলী হোসেন স্বপন ভূঁইয়ার অনুসারী হাউল নামে এক ব্যক্তি ৫০০ টাকা নিয়ে ছয়গ্রাম বাজার থেকে ১০০ টাকার তিনটি স্ট্যাম্প ক্রয় করে আনেন। এরপর ওই সাদা স্ট্যাম্পে আ.লীগ নেতা লাল মিয়া কবিরাজ ও তার স্ত্রী জেসমিন আরা বেগমের স্বাক্ষর রেখে ছেড়ে দেন। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা আলী হোসেন স্বপন ভূঁইয়া বলেন, ‘তারা আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আমার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হেনস্তাসহ অনেক টাকা খরচ করিয়েছিল। এসব বিষয় জানতে তাদের দুজনকে গাড়ি থেকে নামানো হয়েছিল। কে বা কারা তাদের কাছে টাকা চেয়েছে বা সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখেছে তা আমার জানা নেই।’ এ ব্যাপারে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক (ভারপ্রাপ্ত) সিকদার হাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘জেসমিন আরা বেগম ফোনের মাধ্যমে আমাকে ঘটনাটি জানিয়েছিলেন। পরে তারা আমার কাছে না আসায় কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায়নি।’ থানার ওসি (তদন্ত) সুশংকর মল্লিক বলেন, ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন পেয়ে এসআই সমীর বিশ্বাসকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল।
