প্রতিশোধ ও সম্পত্তির লোভে চাচাত ভাইকে খুন
Why this classification
This is a concrete, single incident in which a man strangled his eight-year-old cousin and then cut his throat and the tendons in his hands and legs, causing a death. The incident occurred on 27 February 2026, within the 14-day window, and took place in Dinajpur, Bangladesh.
Killed
1
Injured
0
Summary
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার ইফতারের পর আমানুর ইসলাম আমান চাচির দুর্ব্যবহারের প্রতিশোধ ও চাচার সম্পত্তির লোভে তার ৮ বছর বয়সী চাচাত ভাই সিরাজুল আল শামসকে একটি মাদ্রাসায় শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলা ও হাত-পায়ের রগ কেটে দেয় এবং পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 9
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
প্রতিশোধ ও সম্পত্তির লোভে চাচাত ভাইকে খুন
নবাবগঞ্জে আসামির স্বীকারোক্তি প্রতিশোধ ও সম্পত্তির লোভে চাচাত ভাইকে খুন Advertisement দিনাজপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে চাচির দুর্ব্যবহারের প্রতিশোধ এবং চাচার সম্পত্তির লোভে চাচাত ভাই সিরাজুল আল শামসকে (৮) নৃশংসভাবে হত্যা করেছে আমানুর ইসলাম আমান নামে এক যুবক। শ্বাসরোধ করে হত্যার পর শ্বাসনালী ও হাত-পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। গ্রেফতারের পর পুলিশের কাছে হত্যার কথা স্বীকার করেন আমানুর ইসলাম। রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, শুক্রবার ইফতারের পরে কুশদহ ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে বাড়ি থেকে শিশু শামসকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যায় তার চাচাত ভাই আমানুর। পরে পার্শ্ববর্তী একটি মাদ্রাসায় নিয়ে গিয়ে প্রথমে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে পাশের ভুট্টাখেতে নিয়ে গলা, হাত ও পায়ের রগ কেটে দেয়। আমানুর জানিয়েছে, তার চাচি শাম্মী আক্তার (নিহত শামস-এর মা) বিভিন্ন সময়ে তাকে অপমানজনক কথাবার্তা বলে হেয়প্রতিপন্ন করত। এই কারণে তার ভেতর একটা প্রতিশোধের মনোভাব সৃষ্টি হয় এবং তার সন্তানকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পাশাপাশি ছেলে সন্তান না থাকলে চাচার সম্পত্তির অংশীদার হতে পারবে এই লোভেও চাচাত ভাইকে হত্যা করে আমানুর। এ ঘটনায় শামসের বাবা মমিনুল ইসলাম হত্যা মামলা করেন। পর দিন শনিবার পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদে আমানুর ইসলামের কথায় সন্দেহ হলে পরে তাকে আটক করা হয়।
