সাজেকে দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে শিশু শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ
Why this classification
ঘটনাটি রাজনৈতিক সহিংসতা কারণ এতে ইউপিডিএফ এবং জেএসএস নামে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের সমর্থনপুষ্ট সশস্ত্র গ্রুপ সরাসরি বন্দুকযুদ্ধে লিপ্ত ছিল এবং এতে একজন নিরীহ শিশু গুলিবিদ্ধ হয়েছে। সংঘর্ষের মূল কারণ ছিল এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, যা রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের অংশ।
Killed
0
Injured
1
Summary
রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকে ইউপিডিএফ ও জেএসএস সমর্থিত দুই সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বন্দুকযুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী কস্মিকা ত্রিপুরা (৮) গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: UPDF, PCJSS
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
পাহাড়ে দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে আট বছরের শিশু গুলিবিদ্ধ
পাহাড়ে দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে আট বছরের শিশু গুলিবিদ্ধ মায়ের সঙ্গে গুলিবিদ্ধ শিশু। ছবি-সমকাল রাঙামাটি অফিস প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৮:৩৫ রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের মাচালং এলাকার মন্দিরাছড়ায় বিবদমান দুই আঞ্চলিক সংগঠনের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধের সময় কস্মিকা ত্রিপুরা (৮) নামে এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। কস্মিকা ত্রিপুরা মাচালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। সে উলেন্দ্র ত্রিপুরা ও মনিকা ত্রিপুরার মেয়ে। স্থানীয়রা জানান, মন্দিরাছড়া এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। এ সময় কস্মিকা বাড়ির ভেতরে ছিল। হঠাৎ একটি গুলি এসে তার বাম হাতে বিদ্ধ হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মাচালং বাজারের একটি ফার্মেসিতে নিয়ে যান। সেখানে গুলি বের করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাকে খাগড়াছড়ি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সাজেক ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জৌপৈই থাং ত্রিপুরা বলেন, বাড়িতে অবস্থানের সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে শিশুটি আহত হয়েছে। পরে তাকে মাচালং বাজারের একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে খাগড়াছড়ি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, ঘটনা জানার পর তিনি ওই এলাকায় গেছেন। তবে স্থানীয়রা এ বিষয়ে কথা বলতে চাইছেন না। তারা জানিয়েছেন, আহত শিশুটিকে খাগড়াছড়ি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের বিষয়ে জেএসএস ও ইউপিডিএফের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে শিশু কস্মিকা ত্রিপুরা গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ত্রিপুরা ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, আঞ্চলিক দলগুলোর আধিপত্য বিস্তারের সশস্ত্র সংঘাতের কারণে সাধারণ মানুষের জীবন প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে। নিজ পাড়ায় অবস্থানকালে একটি শিশু গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিবৃতিতে পাহাড়ে সশস্ত্র সহিংসতা বন্ধ, আহত শিশু কস্মিকা ত্রিপুরার সুচিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি পার্বত্যাঞ্চলে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাজেকে ইউপিডিএফ-জেএসএসের গোলাগুলি, শিশু গুলিবিদ্ধ
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইউপিডিএফ (প্রসীত) ও জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত সশস্ত্র দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলিতে সঞ্জিতা ত্রিপুরা (৯) নামে এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস-সন্তু লারমা) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ-প্রসীত) আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে সঞ্জিতা ত্রিপুরা (৯) নামের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে সাজেকের চাইল্যাতলী এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ইউপিডিএফ (প্রসীত) ও জেএসএস (সন্তু লারমা) সমর্থিত সশস্ত্র দুই পক্ষের মধ্যে এ গোলাগুলি হয়। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে কয়েকশ রাউন্ড গুলি বিনিময় হয়। গোলাগুলির মধ্যে চাইল্যাতলী এলাকার বাসিন্দা শিশু সঞ্জিতা ত্রিপুরার বাম হাতে গুলি লাগে। পরে তার হাত থেকে গুলি বের করা হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি সুস্থ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। সাজেক থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফায়েল আহমেদ বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সকালে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় এক শিশুর বাম হাতে গুলি লাগে। পরে শিশুটির হাত থেকে গুলি বের করা হয়েছে। বর্তমানে সে সুস্থ রয়েছে। মোস্তফা কামাল রাজু/আরএআর
সাজেকে দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে শিশু শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ
সাজেকে দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে শিশু শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ রাঙামাটি প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার দুর্গম সাজেকে দুই সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চলা বন্দুকযুদ্ধে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তার নাম কস্মিকা ত্রিপুরা (৮)। মঙ্গলবার সকালে সাজেক ইউনিয়নের মাচালং এলাকার নোয়াপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, এদিন সকাল থেকে ওই এলাকায় ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এবং জনসংহতির (জেএসএস) সমর্থনপুষ্ট দুই সশস্ত্র গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ সময় স্থানীয় গ্রামের পথচারী শিশু কস্মিকা ত্রিপুরা বাম হতে গুলিবিদ্ধ হয়। কস্মিকা ওই এলাকার ভুয়োছড়ির নিচে মন্দিরাছড়া গ্রামের উলেন্দ্র ত্রিপুরা মেয়ে ও মাচালং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনায় ফেসবুক পোস্টে দেওয়া এক বিবৃতিতে ?বাংলাদেশ ত্রিপুরা ঐক্য পরিষদের পক্ষে পাহাড়ে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। সাজেক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জুপিথাং ত্রিপুরা বলেন, শিশুটিকে উদ্ধার করে মাচালং বাজারের একটি ফার্মেসিতে নিয়ে হাতে বিদ্ধ গুলি বের করে দেওয়া হয়। এরপর বিকালে খাগড়াছড়ি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাজেকে দুই আঞ্চলিক দলের বন্দুকযুদ্ধ, শিশু গুলিবিদ্ধ
রাঙামাটির সাজেকফাইল ছবি রাঙামাটির সাজেকে পাহাড়িদের দুটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কস্মিতা ত্রিপুরা (৯) নামের এক শিশু হাতে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ইউনিয়নের নোয়াপাড়া ও হাজাছড়ার মাঝামাঝি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করে জানান, সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও প্রসীত খিসার নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) কর্মীদের মধ্যে এ গোলাগুলি হয়। গোলাগুলির এক পর্যায়ে স্থানীয় উলেন্দ্র ত্রিপুরার ৯ বছর বয়সী মেয়ে কস্মিতা ত্রিপুরার হাতে গুলি লাগে। গুলিবিদ্ধ শিশুটিকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমা প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাস করে এবং পাহাড়িদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে গণতান্ত্রিকভাবে আন্দোলন করছে। সাজেকে বন্দুকযুদ্ধের বিষয়টি আমরা অবগত নই। তবে আমাদের তথ্যমতে, জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা নোয়াপাড়া নামের একটি গ্রামে এসে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ করে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক শিশু আহত হয়েছে।’ জানতে চাইলে জেএসএস রাঙামাটি জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক নগেন্দ্র চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জেএসএস সম্পৃক্ত নয়। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন সাজেকবাঘাইছড়িঅপরাধচট্টগ্রাম বিভাগরাঙামাটিগুলি
