ধারের টাকা পরিশোধ না করায় জামায়াত কর্মীকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
Why this classification
The article reports a specific murder on 15 June 2026 in Rajbari, involving a Jamaat member killed over unpaid debt, with three suspects arrested. This meets the definition of relevant violence and falls within the 14‑day recency window.
Killed
1
Injured
0
Summary
১৫ জুন কালুখালীতে জামায়াতের সম্পাদক আশাদুল ইসলামকে ঋণ না পরিশোধের কারণে মিজান শেখ ও সহযোদ্ধারা হত্যা করে দাহ করা হয়। পুলিশ তিনজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ধারের টাকা পরিশোধ না করায় জামায়াত কর্মীকে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
রাজবাড়ীর কালুখালীতে আসাদুল ইসলাম (২২) নামের জামায়াতে এক কর্মীকে হত্যার ঘটনায় রহস্য উদঘাটনের করেছে পুলিশ। ধারের টাকা পরিশোধ না করাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. শামসুল হক। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের সূর্য্যদিয়া গ্রামের কাউসার শেখের ছেলে মো. মিজান শেখ (২৪), পশ্চিম রতনদিয়া গ্রামের আসমত মন্ডলের ছেলে মো. আনোয়ার মন্ডল (৪৪) ও সূর্য্যদিয়া গ্রামের শাহাজউদ্দীনের ছেলে মো. আব্দুল করিম মোল্লা (৩৫)। নিহত আসাদুল ইসলাম কালুখালী উপজেলার মদাপুর ইউনিয়নের বিলমানুষমারি গ্রামের শাহজাহান মন্ডলের ছেলে। তিনি মীর মশাররফ হোসেন সরকারি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ও মদাপুর ইউনিয়ন ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মাল সম্পাদক। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ জুন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কালুখালী থানার মদাপুর ইউনিয়নের সূর্য্যদিয়া মাদরাসার পিছনে পাট ক্ষেতে নিখোঁজ মো. আশাদুল ইসলামের মরদেহ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় ভিকটিমের বাবা শাহজাহান মন্ডল বাদী হয়ে কালুখালী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কালুখালী থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখা নিবিড়ভাবে এই মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রাখে। তদন্তকালে জানা যায় যে, আসামি মিজান শেখের কাছ থেকে ভিকটিম আশাদুল ইসলাম ৪ মাস আগে ৬৮ হাজার টাকা ধার নেন। সময়মত ধারের টাকা ভিকটিম পরিশোধ করতে না পারায় পূর্বে থেকেই তাদের মধ্যে বিরোধ চলমান ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আসামি মিজান শেখ ও তার সহযোগীরা মিলে আশাদুলকে হত্যা করে মরদেহে আগুন লাগিয়ে দেয়। পরবর্তী সহকারী পুলিশ সুপার, পাংশা সার্কেল দেব্রত সরকারের নেতৃত্বে কালুখালী থানা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার সদস্যদের সমন্বয়ে একটি চৌকস টিম আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) যৌথ অভিযান পরিচালনা করে এই হত্যা মামলায় সম্পৃক্ত ৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে। এসময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ব্যবহৃত ১টি মোটরসাইকেল, ১টি রক্তমাখা হেলমেট, ১টি এসএস পাইপ (রড) ও ১টি লোহার ফোল্ডিং স্টিক উদ্ধার করা হয়েছে। রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. শামসুল হক বলেন, গ্রেপ্তারকৃত তিন আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আসামি মিজান শেখ বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। তিনি আরও বলেন, অন্যান্য অজ্ঞাতনামা আসামিদের শনাক্তপূর্বক গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। মীর সামসুজ্জামান সৌরভ/এসএইচএ
ধারের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় জামায়ত নেতা খুন
ধারের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় জামায়ত নেতা খুন কালুখালীতে গ্রেফতার তিন, একজনের স্বীকারোক্তি Advertisement রাজবাড়ী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কালুখালীতে জামায়াত নেতা মো. আসাদুল ইসলাম (২৪) হত্যায় ৩ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত মোটর সাইকেল, রক্তমাখা হেলমেট উদ্ধার করা হয়েছে। ধারের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় ওই নেতাকে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছে এক আসামি। মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন কালুখালী থানার ওসি মো. মোস্তফা কামাল। গ্রেফতাররা হলো, কালুখালীর মদাপুর ইউনিয়নের মিজান শেখ, পশ্চিম রতনদিয়া ইউনিয়নের মো: আনোয়ার মণ্ডল ও সূর্য্যদিয়া গ্রামের আব্দুল করিম মোল্লা। পুলিশ জানিয়েছে, মদাপুর ইউনিয়ন জামায়াতের ৬ নং ওয়ার্ডের বায়তুলমাল সম্পাদক আসাদুল ইসলাম মো. মিজান শেখের কাছ থেকে ৬৮ হাজার টাকা ধার নেন। ওই টাকা সময়মতো পরিশোধ করতে না পারায় পূর্ব থেকেই তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো, এর পরিপ্রেক্ষিতে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী মিজানসহ আরো দুইজন সহযোগীদের সাথে মিলে আসাদুলকে হত্যা করে লাশে আগুন ধরিয়ে দেয়। ওসি মো: মোস্তফা কামাল বলেন, নিহত আসাদুল ইসলাম হত্যায় মো. মিজান শেখ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। উল্লেখ্য, গত রোববার বিকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হন আসাদুল ইসলাম। পরে রাতে তিনি সৌদি প্রবাসী দুলাভাইয়ের কাছে মুঠোফোনে জরুরি ৫ হাজার টাকা লাগবে বলে জানান। এরপর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। সোমবার সকালে স্থানীয় কৃষকরা মাঠে কাজ করতে গিয়ে ওই জামায়াত নেতার লাশটি দেখতে পান। পরে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।
