সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় সাভার থানার ওসিসহ ৪ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার
Why this classification
[ { "justification": "This incident in Savar, Dhaka, on May 22, 2026, was classified as criminal violence based on reports that four journalists were attacked by drug dealers while gathering information. The altercation resulted in four injuries, though the specific perpetrator and victim sides are not recorded, and four police officers were subsequently withdrawn. Two corroborating sources reported on the event, while any other actors or affected infrastructure remain unknown." } ]
Killed
0
Injured
4
Summary
২০২৬ সালের ২২ মে সাভারে মাদক কারবারিদের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন চার সাংবাদিক। এই হামলার ঘটনার জেরে সাভার থানার ওসিসহ চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
89% · severity 4
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 4
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় সাভার থানার ওসিসহ ৪ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার
সাংবাদিকদের ওপর মাদক কারবারিদের হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাভার থানায় বড় ধরনের প্রশাসনিক রদবদল করা হয়েছে। সর্বশেষ আজ মঙ্গলবার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলীকে প্রত্যাহার করে ঢাকার পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন। তিনি জানান, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে ওসি আরমান আলীকে সাভার থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর আগে একই ঘটনায় সোমবার সাভার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আসিফুর রহমান ও মো. মেরাজকেও প্রত্যাহার করে ঢাকার পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।জানা গেছে, গত শুক্রবার (২২ মে) সাভারে মাদক কারবারিদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হন দেশ টিভির ঢাকা কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক তাইফুর রহমান তুহিন, ক্যামেরাপারসন মনিরুল হক কাইয়ুম, গাড়িচালক জয়নাল আবেদীন এবং এসএ টিভির সাভার প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেন। অভিযোগ রয়েছে, সাভারের চিহ্নিত মাদক কারবারি শামীম হোসেন ও তাঁর সহযোগীরা সাংবাদিকদের ওপর এ হামলা চালায়। পরে এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদক কারবারি শামীম হোসেনের সঙ্গে সাভার থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্যের সখ্যতার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগে রয়েছে , এসআই মনিরুল ইসলাম এবং এএসআই আসিফুর রহমান ও মো. মেরাজের সঙ্গে ওই মাদক কারবারির ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। এদিকে আজ মঙ্গলবার ঢাকায় কর্মরত সাংবাদিকেরা বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নজরে আনেন। এর পরপরই সাভার থানার ওসি আরমান আলীকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে ওসি আরমান আলীকে সাভার থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একই কারণে গত সোমবার আরও তিন পুলিশ কর্মকর্তাকেও প্রত্যাহার করা হয়েছে।
আদালতের বাইরে আসামির কথা বলা ও প্রচার নিয়ে কড়া নির্দেশনা
আদালতের বাইরে পুলিশ হেফাজতে থাকাবস্থায় আসামির কথা বলা ও তা প্রচার না করতে নির্দেশনা দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে, আদালতের বাইরে আসামির দেওয়া বক্তব্য ও তা প্রচার না করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিতে আবেদন করেন এ মামলা পরিচালনায় বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবে নিয়োগ পাওয়া আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু। তিনি আদালতকে বলেন, আইন অনুযায়ী বিচারকের সামনে ছাড়া পুলিশ হেফাজতে থাকাবস্থায় কথা বলার এখতিয়ার আসামির নেই। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। পুলিশি হেফাজতে থাকা বা দণ্ডিত আসামিদের বক্তব্য মিডিয়ায় প্রচার করা বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত ও রাষ্ট্রীয় সংস্থার নিয়মানুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা রক্ষা, জনমত প্রভাবিত হওয়া রোধ এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এসব নির্দেশনা মেনে ভবিষ্যতে যেন আসামিরা কারও সামনে কথা না বলে সে বিষয়ে পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা চান এই আইনজীবী। পরে আদালত তার আবেদন মঞ্জুর করেন। এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এদিন সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার জবানবন্দির মাধ্যমে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এরপর ভিক্টিমের মা পারভীন আক্তার সাক্ষ্য দেন। রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামি পক্ষের আইনজীবী মূসা কলিমউল্লাহ তাদের জেরা করেন। এরপর ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে রামিসার বড় বোনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত। এদিন আদালতে মামলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিবেন বলে জানা গেছে। এদের মধ্যে রয়েছেন- ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রতিবেশীরা। এদিকে সকাল পৌনে নয়টায় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়েছে। এসময় তাদেরকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ চলাকালে তাদেরকে এজলাসে নেওয়া হয়। এর আগে গতকাল সোমবার আদালত সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই দিন বিকেলে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়। গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেয়। এর আগে একই দিনে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। মামলার সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয় পুলিশ। এ ঘটনায় ২০ মে ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। এনআর/বিআরইউ
রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী, দ্রুত বিচারের আশ্বাস
রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী, দ্রুত বিচারের আশ্বাস Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ১১:৫৫ পিএম রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী। ছবি : সংগৃহীত রাজধানীর পল্লবীতে হত্যাকাণ্ডের শিকার সাত বছরের শিশু রামিসার বাসায় গিয়ে পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় রামিসার বড় বোনের ভবিষ্যতের দায়িত্ব নেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরের বাসায় পৌঁছান তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ আরও অনেকে। প্রধানমন্ত্রী রামিসার শোকাহত পরিবারে প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্ত নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরে একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। আটক হওয়ার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন সোহেল রানা। একই সঙ্গে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
সাভারে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
শ্লীলতাহানিপ্রতীকী ছবি ঢাকার সাভার উপজেলার একটি মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে (১৩) শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মো. কামরুজ্জামানকে (৩৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার বিকেলে সাভারের কমলাপুর এলাকার একটি মাদ্রাসায় ঘটনাটি ঘটে। আজ শনিবার দুপুরে সাভারের ভবানীপুর এলাকা থেকে মো. কামরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যদের বরাতে পুলিশ জানায়, মেয়েটি ওই মাদ্রাসার ছাত্রীবাসে থেকে সপ্তম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময় প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান শিক্ষার্থীর সঙ্গে অশালীন কথাবার্তা বলতেন এবং অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে শরীরে হাত দিতেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গতকাল বিকেল চারটার দিকে মাদ্রাসার একটি শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে শিক্ষার্থীকে জড়িয়ে ধরে শ্লীলতাহানি করেন কামরুজ্জামান। পরে শিক্ষার্থী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে তাঁর বাবা বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন। ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইমরান হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ভুক্তভোগীর বাবা আজ সকালে শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা করেছেন। পরে দুপুরে ভবানীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন গ্রেপ্তারসাভারঢাকামামলাধর্ষণ
