পল্লবীতে বিএনপি নেতাকে গুলি, পথচারী নারীসহ আহত ২
Why this classification
The incident is classified as political violence because it involved a targeted shooting of a BNP member by members of the Jubo League.
Killed
0
Injured
2
Summary
শুক্রবার (৭ আগস্ট) মিরপুর-১১ এলাকায় স্থানীয় যুবলীগ নেতা ও তাদের সহযোগীরা একটি প্রাইভেট কার থেকে গুলি ছুড়ে বিএনপি নেতা মো. আলমগীর ও এক পথচারী নারীকে আহত করেছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
পল্লবীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধে মাদক বিক্রেতা গুলিবিদ্ধ
পল্লবীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধে মাদক বিক্রেতা গুলিবিদ্ধ ফাইল ছবি সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬ | ২০:১১ রাজধানীর পল্লবীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধে মাদক কারবারিদের গুলিতে আরেক মাদক বিক্রেতা হৃদয় ওরফে গণ্ডার (২৫) আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে সেকশন ১২ এর ই ব্লকের ৬ নম্বর সড়কে এ ঘটনা ঘটে। হৃদয়কে গুলি করার পর তার সহযোগী আব্দুল্লাহকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই গুলির ঘটনা ঘটেছে। গুলিবিদ্ধ হৃদয়ও মাদক বিক্রেতা। এ কারণে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর সে থানায় কোনো অভিযোগ করেনি এবং গোপনে কোনো হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। তার বাসা পল্লবী এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে একটি প্রাইভেটকার ৬ নম্বর সড়কের মাথায় থামে। গাড়ি থেকে ৩-৪ জন বের হয়। তারা হৃদয়কে গুলি করে এবং আব্দুল্লাহকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী রিকশাচালক মো. শামিম জানান, মঙ্গলবার রাতে তিনি ৬ নম্বর সড়কে অবস্থান করছিলেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে সড়কের মাথায় একটি প্রাইভেটকার থামে। এরপর শব্দ শুনতে পান তিনি। পরে দেখেন হৃদয় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। পল্লবী থানার ওসি হাসান বাসির সমকালকে জানান, মঙ্গলবার রাতে গুলির ঘটনা ঘটলেও ভুক্তভোগী বা তার পরিবারের কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। বুধবার বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। যারা গুলি করেছে এবং যে গুলিবিদ্ধ হয়েছে সবাই একই গ্রুপের। তারা মাদক কেনাবেচা করে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই গুলির ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, হৃদয়ের সহযোগী আব্দুল্লাহকে প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এটি নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। আব্দুল্লাহ হামলাকারীর পক্ষে কাজ করে থাকতে পারে। ফলে সে নিজেই ওই গাড়িতে চলে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি। - বিষয় : - গুলিবিদ্ধ
পল্লবীতে বিএনপি নেতাকে গুলি, পথচারী নারীসহ আহত ২
রাজধানীর পল্লবীতে দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে বিএনপির এক নেতা ও এক পথচারী নারী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত বিএনপি নেতা মো. আলমগীরকে (৫৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পল্লবী থানাধীন মিরপুর-১১ নম্বরের রোড নম্বর-২, ব্লক-বি এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত আলমগীর পেশায় মাছ ব্যবসায়ী। তিনি ঢাকার নবাবগঞ্জ থানা বিএনপির মূল দলের সদস্য বলে জানা গেছে। তার বাবার নাম আব্দুর রাজ্জাক। তিনি মিরপুর-১, ব্লক-বির ৩ নম্বর রোডের ১৭ নম্বর বাসার বাসিন্দা। আহত আলমগীরকে হাসপাতালে নিয়ে আসা তার চাচা আশিক জানান, বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মিরপুর-১১ নম্বরের রোড-২ এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে বসে ছিলেন আলমগীর। এ সময় স্থানীয় যুবলীগ নেতা রুবেল ও বাপ্পাসহ চারজন একটি প্রাইভেটকারে করে এসে তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে দ্রুত পালিয়ে যান। তিনি বলেন, গুলিতে আলমগীরের মাথার ডান পাশে, পেটের ডান পাশে ও ডান পাছায় আঘাত লাগে। খবর পেয়ে তাকে প্রথমে স্থানীয় ইসলামী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এদিকে, একই ঘটনায় রাস্তা পার হওয়ার সময় এক নারীও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। আহত ওই নারীকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেকে পাঠানো হয়েছে। পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান বশীর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওই এলাকায় দুর্বৃত্তরা তিন রাউন্ড গুলি ছুড়েছে। এতে আলমগীরসহ একজন নারী আহত হয়েছেন। এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তি ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি জরুরি বিভাগের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। এমএসি/এমএন
পল্লবীতে রামিসাকে পাশের ফ্ল্যাটে নিয়ে হত্যা, মূল সন্দেহভাজন আটক
পল্লবীতে রামিসাকে পাশের ফ্ল্যাটে নিয়ে হত্যা, মূল সন্দেহভাজন আটক Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন ও মিরপুর (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬, ০৯:৩৮ পিএম শিশু রামিসা আক্তার। ফাইল ছবি স্কুল শেষে বাসায় ফেরার পথে প্রতিবেশীর লালসার শিকার হলেন সাত বছরের ছোট্ট নিষ্পাপ শিশু রামিসা আক্তার। নিজ ফ্ল্যাটে ঢোকার আগেই পাশের ফ্ল্যাটের মাদকাসক্ত সোহেল রানা টেনে বাথ রুমে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে তাকে। হত্যার আগে রামিসাকে ধর্ষণ করা হয় বলে ধারণা পুলিশের। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ঘটে নৃশংস এ হত্যার ঘটনা। অভিযুক্ত সোহেল রানা (৩২) রিক্সা মেকানিক। শিশুটাকে হত্যা করে পালায় সোহেল। সন্ধ্যায় তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে আটক করে পুলিশ। তবে এর আগেই তার স্ত্রী সম্পাকে বাসা থেকে আটক করা হয়। সোহেল-সম্পা দম্পতির ঘরে মেয়েটিকে হত্যা করা হয়েছে। সোহেল একটি রিকশার গ্যারেজে কাজ করেন। প্রতিবেশী হওয়ায় রামিসা ও তার বাবা-মায়ের সঙ্গে সোহেলের পরিচয় ছিল। রামিসা মিরপুর পল্লবীর পপুলার মডেল স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার সকালে রামিসা বাসায় না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বাইরে কোথাও খুঁজে না পেয়ে প্রতিবেশী সোহেলের বাসার বন্ধ দরজায় টোকা দেন। ভেতর থেকে দরজা বন্ধ ছিল। ডাকাডাকি করে ভেতর থেকে কারও সাড়া না পেয়ে ৯৯৯ এ বিষয়টি জানানো হয়। এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পল্লবী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় বন্ধ দরজা ভেঙে পুলিশ বাসায় ঢুকে সোহেলের ঘরে রক্ত দেখতে পায়। এর পর প্রথমে খাটের নিচ থেকে শিশুটির মাথাবিহীন মরদেহ পাওয়া যায়। শরীর বিববস্ত্র ছিল। খাটের নিচে এক কোণায় রঙয়ের খালি প্লাস্টিক বালতির মধ্যে কাটা মাথার সন্ধান মেলে। সোহেলের স্ত্রী সম্পা রান্না ঘরে লুকিয়ে ছিলেন। সেখান থেকে তাকে আটক করা হয়। এর আগেই সোহেল পালিয়ে যান। অপর দুটি কক্ষে তালাবদ্ধ ছিল। পল্লবী থানা পুলিশ ছাড়াও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করে। পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ট্রাভেল এজেন্সির কর্মচারি আব্দুল হান্নান পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের ৭ নম্বর রোডের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার একটি ফ্লাটে পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন। এর পাশের ফ্ল্যাটের তিনটি কক্ষে আলাদা তিন পরিবার বাস করে। একটি ঘরে বাস করে সোহেল-সম্পা দম্পতি। ওই ঘর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এসময় শিশুটির মাথা শরীর বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল। পুলিশের প্রাথমিকভাবে ধারণা, ধর্ষণের পর রামিসাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির যুগান্তরকে বলেন, শিশুটি স্কুল থেকে বাসায় ফিরছিল। তাদের পাশের ফ্ল্যাটেই থাকত ঘাতক মাদকাসক্ত সোহেল। দুই ফ্ল্যাটের মাঝখানে ফাঁকা জায়গা থেকে সোহেল শিশুটিকে টেনে রুমের মধ্যে ঢুকিয়ে নেয়। পরে বাথরুমে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। আমাদের ধারণা ধর্ষণ করে মিশুটিকে গলা কেটে হত্যা করেছে। তিনি আরও জানান, ঘটনার সময় সোহেলের বউ ঘুমন্ত অবস্থায় ছিল। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে। ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। শিশুটির লাশের ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর ধর্ষণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। পল্লবী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। প্রথমে শিশুটির মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ওই বাসার ভেতরে একটি বালতির মধ্যে মাথাটি পাওয়া যায়। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, প্রতিবেশী সোহেল শিশুটিকে কৌশলে নিজের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। এরপর সেখানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোহেলের স্ত্রীকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পল্লবী থানা পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার পেছনের কারণ, ঘটনার সময়কার পরিস্থিতি এবং অন্য কেউ জড়িত ছিল কিনা সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সন্দেহভাজন সোহেলকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পল্লবীতে শিশু হত্যা: সোহেলের স্বীকারোক্তি
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে তিনি জবানবন্দি দেন। একই ঘটনায় তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানায়, গত সোমবার সকালে নিখোঁজ শিশুটির মস্তকবিহীন মরদেহ অভিযুক্তদের ফ্ল্যাটে বালতিতে মাথা সহ উদ্ধার হয়। সোহেল রানা নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার হন; ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এনে মামলা হয়েছে।
