‘আব্বু-দাদি মিলে আম্মুকে মারছে পরে ঝুলাই দিছে’
Why this classification
A 19-year-old married woman was found hanged in Kukhrali, Satkhira, on Friday 22 May 2026, and her family alleges that her husband and mother-in-law beat her and then hanged her, a claim supported by a child who witnessed it. Police have not yet confirmed whether this was murder or suicide, but the reported beating and the allegation of murder make this a violent death linked to domestic violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
সাতক্ষীরার কুখরালী এলাকায় ২২ মে ২০২৬ (শুক্রবার) গৃহবধূ সোহানা পারভীন (১৯) রহস্যজনকভাবে মারা যান। পরিবারের অভিযোগ, স্বামী শেখ সাকিব হোসেন ও শাশুড়ি খালেদা বেগম তাকে মারধর করে ওড়না দিয়ে ঝুলিয়ে রেখেছে, এবং পুলিশ হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা তদন্ত করছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
80% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
‘আব্বু-দাদি মিলে আম্মুকে মারছে পরে ঝুলাই দিছে’
সাতক্ষীরায় নারীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য ‘আব্বু-দাদি মিলে আম্মুকে মারছে পরে ঝুলাই দিছে’ Advertisement সাতক্ষীরা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সাতক্ষীরার কুখরালী এলাকায় সোহানা পারভীন (১৯) নামের এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, সোহানাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। শুক্রবার কুখরালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের একটি বাড়িতে ওই ঘটনা ঘটে। নিহত সোহানা পারভীন মো. আব্দুল খলিলের মেয়ে। ঘটনার অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী সোহানার শিশু সন্তান ফাইয়াজ হোসেন। সে সাংবাদিকদের জানায়, ‘আমার আব্বু আর দাদি দুজনে মিলে আম্মুকে মারছে। তারপর আম্মুকে ঘরের ভেতরে ওড়না দিয়ে ওপরের আড়ার সঙ্গে ঝুলাই দিছে।’ অবুঝ শিশুর এমন বক্তব্যে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত সোহানার স্বামী শেখ সাকিব হোসেন ও শাশুড়ি খালেদা বেগম দীর্ঘদিন ধরে তার ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিল। প্রতিবেশীদের অভিযোগ, সাকিবের সঙ্গে পাশের বাড়ির একটি দ্বিতল ভবনের এক তরুণীর পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। সাকিব প্রায়ই ওই তরুণীকে নিয়ে বাইরে ঘুরতে যেতেন। ওই পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় তাকে নির্যাতন করত স্বামী। শুক্রবার সকালেও একইভাবে মারধরের একপর্যায়ে সোহানা মারা যান। ঘটনাটি ভিন্ন খাতে মোড় নিতে সাকিব ও তার মা মিলে সোহানার লাশ ঝুলিয়ে রাখে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। ওসি মাসুদুর রহমান জানান, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
