খেলনার প্রলোভনে শিশুদের গহনা নিয়ে যাচ্ছে এক নারী
Why this classification
This is a recent, specific incident on 27 March 2026 in which a woman lured three girls into an auto-rickshaw, took them to a deserted road in Chandina, and forcibly snatched their earrings and chain. Because the crime involves physical force against children, it is classified as a violent robbery, although no injuries were reported.
Killed
0
Injured
0
Summary
কুমিল্লার চান্দিনায় গত ২৭ মার্চ (শুক্রবার) সকালে বোরকা পরা এক নারী খেলনার প্রলোভনে তিন শিশুকে অটোরিকশায় ছায়কোট হোরেরপাড় রাস্তার নির্জন স্থানে নিয়ে যায় এবং শিশু সামিয়া ইসলামের কান থেকে স্বর্ণের দুল ও সায়মা ইসলামের গলা থেকে রূপার চেইন ছিনিয়ে নেয়। গত এক মাসে একই কৌশলে চারটি ঘটনার অভিযোগ উঠেছে, তবে চান্দিনা থানার ওসি জানিয়েছেন তিনি এখনও লিখিত বা মৌখিকভাবে কোনো অভিযোগ পাননি।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
খেলনার প্রলোভনে শিশুদের গহনা নিয়ে যাচ্ছে এক নারী
খেলনার প্রলোভনে শিশুদের গহনা নিয়ে যাচ্ছে এক নারী Advertisement চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম কুমিল্লার চান্দিনায় খেলনা ও মোবাইলের প্রলোভন দেখিয়ে কন্যা শিশুদের বাড়ির পাশ থেকে নিয়ে যাচ্ছে এক নারী ছিনতাইকারী। বাড়ি থেকে ২-১ কিলোমিটার দূরে নির্জন স্থানে নিয়ে ওই কন্যা শিশুদের কানে ও গলায় থাকা স্বর্ণ বা রূপার গহনা ছিনিয়ে নিচ্ছে। গত এক মাসে চান্দিনা পৌরসভা ও এতবারপুর ইউনিয়নে চারটি ঘটনা ঘটে। আর সেগুলোর পর্যালোচনা করে দেখা গেছে- এক নারী ছিনতাইকারী একাই এ কাজে লিপ্ত। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভুক্তভোগীদের পোস্ট ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। এসব ঘটনায় উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা। জানা যায়, শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের তুলাতলী উত্তরপাড়া এলাকা থেকে তিন শিশুকে খেলনার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ির পাশ থেকে অটোরিকশাযোগে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে নিয়ে যায়। ছায়কোট হোরেরপাড় রাস্তার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে শিশু সামিয়া ইসলামের (১০) কান থেকে স্বর্ণের দুল, শিশু সায়মা ইসলামের (৯) গলা থেকে রূপার চেইন ছিনিয়ে নেয়। শিশুর সামিয়া ইসলামের পিতা শরীফুল ইসলাম জানান, সকালে বাড়ির সংলগ্ন দোকানের সামনে খেলা করছিল তারা। এ সময় বোরকা পরিহিত একটি নারী দোকান থেকে খেলনা কিনে বাচ্চাদের দেয় এবং মোবাইলে শিশুদের আকৃষ্ট করার ভিডিও দেখিয়ে একটি অটোরিকশাযোগে ছায়কোট নিয়ে যায়। সেখানে রিকশা থামিয়ে পায়ে হেঁটে একটি নির্জন সড়কে নিয়ে তাদের কাছ থেকে গহনাগুলো ছিনিয়ে নেয়। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) উপজেলার এতবারপুর ইউনিয়নের বানিয়াচং গ্রাম থেকে একই কৌশলে এক কন্যাশিশুকে নিয়ে এতবারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এনে তার কানের দুল ছিনিয়ে নেয়। ১৮ মার্চ (বুধবার) হারং গ্রামের সেলিম কমিশনার বাড়িসংলগ্ন একটি বাড়ি থেকে জসিম ও মহসিনের দুই শিশু কন্যাকে একই কৌশলে নিয়ে যায়। পরে একই গ্রামের বারেক ডাক্তারের বাড়ির পাশে নিয়ে গিয়ে এক শিশুর কানের দুল খুলে নিয়ে যায়। শিশুটির দাদা খোকন মিয়া জানান, আমার ১১ বছরের নাতনি ২ বছরের একটি শিশুকে কোলে নিয়ে বাড়িতে ছিল। এ সময় বোরকা পরিহিত এক নারী বাড়ির পাশে আমাদের দোকানে এসে চিপস, ডাল ভাজার একটি প্যাকেট আমার কাছে রেখে বলে- ‘এগুলো একটু রাখেন, আমি মোবাইলে টাকা রিচার্জ করে আসছি’। এই বলে আমার বাড়িতে ঢুকে দুই নাতনিকে নিয়ে যায়। বাড়ি থেকে প্রায় অর্ধ কিলোমিটার দূরে বারেক ডাক্তারের বাড়ির পাশে নিয়ে আমার বড় নাতনির কানের দুল খুলে নিয়ে যায়। সিসি ক্যামেরায় ভিডিও আছে। ১৩ ফেব্রুয়ারি এতবারপুর গ্রামের কামাল হোসেনের ১০ বছরের শিশু মেয়েকে বাড়ির পাশ থেকে নিয়ে স্বর্ণের কানের দুল খুলে নেয়। এদিকে ভুক্তভোগী চার পরিবারের শিশুদের সঙ্গে কথা বলে এবং সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায়- বোরকা পরিহিত এক নারী এ কাজ করে চলেছে। দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনতে না পারলে আরও অনেক শিশু তার শিকার হবে। এ ব্যাপারে চান্দিনা থানার ওসি আতিকুর রহমান জানান, এসব ঘটনায় কেউ আমাকে লিখিত বা মৌখিকভাবে অবহিত করেনি। দ্রুত বিষয়টি যথাযথ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
