মাজারের গিলাফে আগুন, ধাওয়া খেয়ে পালালেন দুর্বৃত্তরা

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

প্রবন্ধে সাম্প্রতিক (১৭ জুলাই ২০২৬) অগ্নিসংযোগের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে, যা আরসেনের সংজ্ঞা অনুযায়ী ধ্বংসাত্মক কাজ (আর্সন) এবং বাংলাদেশে ঘটেছে, তাই এটি বৈধ রাজনৈতিক-হিংসা রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত।

Reported by:SamakalSingle source
17/07/26•Hajrat Ismail Shah Mazar

Killed

0

Injured

0

Summary

শুক্রবার রাত ৩টায় বরগুনা আমতলীর হজরত ইসমাইল শাহের মাজারের গিলাফে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করে। গিলাফের একটি অংশ পুড়ে যায়, কোনো আহত বা মৃতের খবর নেই।

AI analysis

Category

Communal / Religious Violence

Confidence

95% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

মো. সেকান্দার আলী বয়াতিমো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলমো. ইয়াকুব হোসাইন

Affected infrastructure

Shrine dome (gilaaf)

Tags

Religious ClashMosque Attack

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 17/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 19/07/26open original ↗

মাজারের গিলাফে আগুন, ধাওয়া খেয়ে পালালেন দুর্বৃত্তরা

মাজারের গিলাফে আগুন, ধাওয়া খেয়ে পালালেন দুর্বৃত্তরা ছবি: সমকাল/জাকির হোসেন আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ জুলাই ২০২৬ | ২২:১১ | আপডেট: ১৮ জুলাই ২০২৬ | ২২:১৭ বরগুনার আমতলীতে গভীর রাতে একটি মাজারে ঢুকে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বিষয়টি টের পেয়ে ভক্তদের ধাওয়া খেয়ে পালিয়েছে তারা। শুক্রবার রাত ৩টার দিকে আমতলী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত হজরত ইসমাইল শাহের (র.) মাজারে এই ঘটনা ঘটে। এ সময় কবরের ওপরে থাকা গিলাফ পুড়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, মাজারের কর্মকাণ্ডকে ইসলামবিরোধী আখ্যা দিয়ে ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ রাতে এই মাজারে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। মাজার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছিলেন ইসলামী আন্দোলনের স্থানীয় কিছু নেতার নেতৃত্বে ওই হামলা হয়। গত শুক্রবার রাতের হামলার প্রত্যক্ষদর্শী মো. সেকান্দার আলী বয়াতি। তিনি মাজারের পাশেই বসবাস করেন। সেকান্দার আলী রাত ৩টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে আসেন। এ সময় তিনি দেখেন, মাজারের উত্তর পাশের জানালা দিয়ে একদল দুর্বৃত্ত ভেতরে কবরের ওপর থাকা গিলাফে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। এ সময় তিনি চিৎকার শুরু করলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। প্রতিবেশী কয়েকজন এগিয়ে এলে তাদের নিয়ে আগুন নেভান তিনি। এর আগেই গিলাফের অংশ পুড়ে যায়। মাজারের খাদেম অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, ‘খবর পেয়ে রাতেই মাজারে গিয়ে দেখি কবরের ওপরে ঢেকে দেওয়া গিলাফের একটি অংশ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কেরোসিন ঢেলে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করেছিল দুর্বৃত্তরা। মেঝেতে কেরোসিন ছড়িয়ে রাখার আলামত পাওয়া গেছে।’ অগ্নিসংযোগে কারা জড়িত, তা জানা নেই। এ বিষয়ে থানার লিখিত অভিযোগ দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। খাদেম আরও জানান, আমতলী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে ১৯৯৬ সালে হজরত ইসমাইল শাহের (র.) মাজার প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতি চৈত্র মাসের ২ ও ৩ তারিখ এখানে ওরস হয়। এতে ভক্ত-অনুরাগী, দর্শনার্থীসহ বিপুল মানুষের সমাগম ঘটে। আমতলী থানার ওসি মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাদের বিরুদ্ধেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।