স্ত্রীর পরকীয়া দেখে ফেলায় যুবককে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
Why this classification
A 27-year-old man was found dead at his in-laws' house in Bhandaria, and his mother alleges his wife and her family killed him over a dispute about his wife's trips to Dhaka and a hotel incident. Police say it is not yet confirmed whether this was murder or suicide, and a relative also allegedly beat the mother, so the report describes a possible crime with an assault.
Killed
1
Injured
0
Summary
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার কানুয়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে ২৭ বছর বয়সী শাহাদাৎ হোসেন বাপ্পির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, যা নিয়ে তার মা হত্যার অভিযোগ তুলেছেন এবং পুলিশ ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর হত্যা না আত্মহত্যা তা নিশ্চিত হওয়ার কথা জানিয়েছে। এ ঘটনার জেরে নিহতের মা রুবী বেগমকে মীমের চাচাতো ভাই বেল্লাল হাওলাদার মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
72% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
স্ত্রীর পরকীয়া দেখে ফেলায় যুবককে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নিয়ে হত্যার অভিযোগ
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় শাহাদাৎ হোসেন বাপ্পি নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালের দিকে ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার কানুয়া (৮ নম্বর ওয়ার্ড) এলাকার শ্বশুরবাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত শাহাদাৎ হোসেন বাপ্পি (২৭) উপজেলার ১ নম্বর ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর শিয়ালকাঠী গ্রামের শহিদ হাওলাদারের ছেলে। তিনি আহাদ হাওলাদার মুরসালিন (৬) এবং মুসফিকা (সাড়ে ৩ বছর) নামের দুটি সন্তানের জনক। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত বাপ্পির স্ত্রী হাফিজা আক্তার মীম জর্ডানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু স্বামী বাপ্পি ও তার পরিবার এতে রাজি ছিলেন না। এ নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে মীম কিছুদিন আগে তার বাবার বাড়িতে চলে আসেন। অভিযোগ রয়েছে, বিদেশ যাওয়ার কাগজপত্র তৈরির অজুহাতে মীম প্রায়ই ঢাকায় যাতায়াত করতেন এবং বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করতেন। নিহতের পরিবারের দাবি, গত ১১ জুন মীম বাপ্পিকে না জানিয়ে পুনরায় ঢাকায় গিয়ে একটি হোটেলে অবস্থান নেন। ওই সময় বাপ্পি মোবাইল ফোনে স্ত্রীর সঙ্গে রাগারাগি করেন। একপর্যায়ে ভিডিও কল দিলে মীম যে হোটেল রুমে ছিলেন, সেখানে এক পুরুষকে দেখতে পান বাপ্পি। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার দ্বন্দ্ব চরম পর্যায়ে পৌঁছায়। পরবর্তীতে গত ১৪ জুন মীম ঢাকা থেকে কানুয়ায় তার বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন এবং মোবাইল ফোনে বাপ্পিকে সেখানে ডেকে নেন। এ বিষয়ে নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তার মীম জানান, গতকাল (সোমবার) রাতে খাবার শেষ করে তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এরপর রাত ১টার দিকে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২টার দিকে মীমের ঘুম ভাঙলে তিনি বাপ্পিকে না দেখে খুঁজতে শুরু করেন। একপর্যায়ে ঘরের আঁড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় বাপ্পিকে ঝুলতে দেখেন। মীম আরও বলেন, তিনি একাই ওড়না কেটে বাপ্পির দেহ নিচে নামিয়ে খাটে রাখেন এবং পরে বাপ্পির পরিবারকে খবর দেন। তবে বাপ্পির মা রুবী বেগম এই ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলেকে হত্যা করে এখন গলায় ফাঁসের নাটক সাজানো হচ্ছে। পুত্রবধূ মীম উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন করত। অন্যজনের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে। দুই দিন আগেও ঢাকায় অন্য জনের সঙ্গে হোটেলে ছিল, যা আমার ছেলে ভিডিও কলে দেখে ফেলে। এই ক্ষোভ থেকেই তারা আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে বাপ্পির মা রুবী বেগম মীমদের বাড়িতে এসে আহাজারি শুরু করলে একপর্যায়ে মীমের চাচাতো ভাই বেল্লাল হাওলাদার তাকে মারধর করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) রত্নেশর কুমার মন্ডল জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশি তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এসএইচএ
পিরোজপুরে কৃষকের রান্নাঘরে অগ্নিসংযোগ
পিরোজপুরে কৃষকের রান্নাঘরে অগ্নিসংযোগ Advertisement পিরোজপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ পিরোজপুর সদর উপজেলার একপাই জুজখোলা গ্রামে এক কৃষকের রান্নাঘরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার সন্ধ্যার পর এ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। তবে স্থানীয়দের সহায়তায় অল্পের জন্য রক্ষা পায় ভুক্তভোগীর বসতঘর। ভুক্তভোগী আব্দুল বারেক শেখ জানান, সন্ধ্যার পর মাগরিবের নামাজ আদায় শেষে পার্শবর্তী একটি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এরপর হঠাৎ করেই স্থানীয়দের ডাক চিৎকারে বাড়ির মধ্যে ছুটে গিয়ে দেখতে পান তার রান্নাঘরটি দাউ দাউ করে জ্বলছে। এ সময় প্রতিবেশীদের সহায়তায় পানি দিয়ে আগুন নেভায় বারেক। তবে অল্প সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে রক্ষা পায় বারেকের বসতঘরটি। তিনি জানান, স্থানীয় কয়েক প্রতিবেশীর সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তার দ্বন্দ্ব আছে। এরই জেরে ঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তার। আগুনে বারেকের অন্তত অর্ধ লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে দাবি করে পিরোজপুর সদর থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন তিনি। প্রত্যক্ষদর্শী ফাতেমা আক্তার বলেন, সন্ধ্যার পর আগুন লাগা ঘরটির আশপাশে অন্ধকারের মধ্যে দুই ব্যক্তিকে ঘোরাফেরা করতে দেখেছেন তিনি। তার দাবি ওই দুই ব্যক্তিই ঘরটিতে আগুন দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়েছে।
