শিক্ষকের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
Why this classification
This is a specific, recent incident in Dhaka where protesters ransacked two school buildings and attacked police escorting the school chairman, injuring at least 15 people. The student's suicide itself is not violence, but the crowd's destruction and assault on police is a concrete violent act.
Killed
0
Injured
15
Summary
ঢাকার কদমতলী দনিয়ায় ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যার পর শিক্ষকের বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার (২১ মে ২০২৬) বিক্ষোভকারীরা বিদ্যালয়ের পুরোনো ও নতুন ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। চেয়ারম্যানকে পুলিশ পাহারায় সরানোর সময় পুলিশের ওপর হামলা হয় এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 15
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 21/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
শিক্ষকের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ
রাজধানীতে শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা শিক্ষকের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ যুগান্তর প্রতিবেদন ও যাত্রাবাড়ী Advertisement (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর কদমতলী দনিয়ায় ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাবিকুন নাহার নামের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। বুধবার বিকালে ওই শিক্ষার্থী দনিয়া নাসির উদ্দীন রোড এলাকায় নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। সাবিকুন বিদ্যালয়ের মানবিক শাখার শিক্ষার্থী ছিল। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদী জেলায়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ, স্কুলের চেয়ারম্যান ও শিক্ষক মাঈদুল হাসান রানা ওই ছাত্রীকে বুধবার পরীক্ষার কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে শাসায় এবং তার মাকে স্কুলে ডেকে পাঠান। এর জেরে ওই ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুরোনো ও নতুন ভবনের সামনে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে বহিরাগত শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ যোগ দেয়। একপর্যায়ে বিদ্যালয়ের পুরোনো ও নতুন ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। বিকাল ৪টায় বিদ্যালয়ের চেয়ারম্যানকে পুলিশ পাহারায় ভবন থেকে বের করে নেওয়ার সময় পুলিশের ওপর হামলা করা হয়। এ সময় ৮ পুলিশ সদস্য, সাংবাদিক ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। চেয়ারম্যানকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে এবং পুলিশ সদস্যদের রাজারবাগ পুলিশ লাইন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীদের স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যান মাসুদ হাসান লিটন বলেন, নিহত শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অমনোযোগী ছিল। বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে পড়লে আমাকে জানায়। আমি তার মাকে স্কুলে ডেকে নিয়ে মেয়ের পরীক্ষার হলের বিষয়টি জানাই। ভবিষ্যতে যেন এর পুনরাবৃত্তি না হয় তার মার উপস্থিতিতে বলে তাদের বিদায় দেওয়া হয়। বাসায় মা-মেয়ে একসঙ্গে যাওয়ার পর তার মা হয়তো তাকে শাসন করেছে বা কিছু বলেছে।
