পদ্মার চরে ত্রাসের রাজত্ব

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

প্রতিবেদনে পদ্মা চরে কাকন ও মণ্ডল বাহিনীর মধ্যে গুলিবিনিময়ের ঘটনা উল্লেখ আছে, যাতে ৩ জন নিহত হয়েছে। এটি স্পষ্টতই সশস্ত্র সংঘর্ষ, যা সহিংসতার সংজ্ঞা পূরণ করে। তারিখটি ১৪ দিনের মধ্যে (৯ জুন) হওয়ায় এটি সাম্প্রতিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।

Reported by:JugantorSingle source
09/06/26•পদ্মার চরাঞ্চল (ঈশ্বরদী, বাঘা, লালপুর, দৌলতপুর)

Killed

1

Injured

0

Summary

পাবনা, রাজশাহী, নাটোর ও কুষ্টিয়ার পদ্মা চরে কাকন বাহিনী ও মণ্ডল বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়েছে। গত ৯ জুন কাকন বাহিনীর ঝড়ু মস্তান নিহত হওয়ার পর সর্বশেষ ২৭ অক্টোবর মণ্ডল গ্রুপের দুই কৃষক নিহত হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 8

Perpetrator side

কাকন বাহিনীমণ্ডল বাহিনী

Victim side

কাকন বাহিনীমণ্ডল বাহিনী

Other actors

কাকনঝড়ু মস্তানআমান মণ্ডলনাজমুল মণ্ডললিটন

Tags

Gang WarMurderExtortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: কাকন বাহিনী, মণ্ডল বাহিনী

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: কাকন বাহিনী, মণ্ডল বাহিনী

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 09/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 19/06/26open original ↗

পদ্মার চরে ত্রাসের রাজত্ব

পদ্মার চরে ত্রাসের রাজত্ব বিভিন্ন বাহিনীর মধ্যে গুলিবিনিময় Advertisement ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজশাহীর বাঘা, নাটোরের লালপুর, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর ও পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার বিস্তীর্ণ পদ্মা চরের ত্রাসের রাজত্ব কায়েমকারী বাহিনীর দ্বন্দ্বে প্রায়ই ঘটছে হানাহানির ঘটনা। পদ্মার চরাঞ্চলগুলো দুর্গম হওয়ায় চরগুলো সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। গড়ে উঠেছে একাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যমতে, কাকন বাহিনী, মণ্ডল বাহিনী, টুকু বাহিনী, সাঈদ বাহিনী, লালচাঁদ বাহিনী, বান্নাহ বাহিনী, সুখচাঁদ বাহিনী, কালু বাহিনী অন্যতম সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী। এসব সন্ত্রাসী বাহিনীর মধ্যে কাকন বাহিনী সব থেকে শক্তিশালী। আধিপত্য বিস্তার, বালুমহল নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে কাকন বাহিনীর বিরুদ্ধে। পদ্মার চরের বালু থেকে শুরু করে সব কিছুতেই এই বাহিনীর হিস্যা থাকতে হবে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, বিগত সময় কাকন বাহিনীর বিরুদ্ধে কেউ মামলা করতে সাহস পায়নি। সম্প্রতি কিছু ঘটনায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগীরা। এরপর থেকেই একের পর এক হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটছে বিস্তীর্ণ পদ্মার চরাঞ্চলে। গত বছর ২৭ অক্টোবর দৌলতপুরের পদ্মা নদীর দুর্গম চরে এই বাহিনীর গুলিতে দুই কৃষক নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। নিহত দুজন মণ্ডল গ্রুপের আমান মণ্ডল ও নাজমুল মণ্ডল বলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে। সূত্রটি বলছে, একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে কাকন বাহিনীর সদস্য লিটনও নিহত হয়েছেন। চার জেলাজুড়ে বিস্তীর্ণ পদ্মার দুর্গম এই চরাঞ্চলে প্রায় ২০ বছর আগেও দুটি সন্ত্রাসী বাহিনীর উত্থান ঘটেছিল। তাদের ভাগ না দিয়ে কেউ চরের ফসল ঘরে তুলতে পারতেন না। এ নিয়ে দ্বন্দ্বে তাদের হাতে ওই সময় ৪১ জন মানুষ খুন হন বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। তখন চরের মাটিতে পা দিতে গা ছমছম করত। দুই বাহিনীর নাম ছিল ‘পান্না বাহিনী’ ও ‘লালচাঁন বাহিনী’। সর্বশেষ ৯ জুন কাকন বাহিনী ও মণ্ডল বাহিনীর সংঘর্ষে কাকন বাহিনীর আজিজুল হক ঝড়ু ওরফে ঝড়ু মস্তান নিহত হন। বিশ বছর আগে ২০০৫ সালে র্যাবের হাতে ক্রসফায়ারে নিহত হন পান্না। ২০০৫ সালে পান্না নিহত হওয়ার পর ২০০৭ সালে কাকন সৌদি আরবে চলে যান। কয়েক বছর পর ফিরে এসে তখনকার ক্ষমতাসীন নেতাদের আশ্রয়ে এলাকার বালুমহালগুলো নিয়ন্ত্রণে নিতে শুরু করেন তিনি। এই বালুমহাল নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়েই গড়ে তোলা হয় সন্ত্রাসী বাহিনী। অপারেশন ফার্স্টলাইটের পর সন্ত্রাসী বাহিনীগুলো কিছুদিন শান্ত থাকলেও আবারও শুরু হয়েছে তাদের তাণ্ডব। একের পর এক গোলাগুলি ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে। ফলে আতঙ্কে দিন কাটছে নদী পারের বাসিন্দার। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, দুর্গম চরাঞ্চল হওয়ায় তাদের সহজে গ্রেফতার করা যায় না। পুলিশের উপস্থিতি টের পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা দুর্গম চরের আরও গভীরে প্রবেশ করে ফলে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। বাহিনীটির বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি (উপমহাপরিদর্শক) মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে। নাম না প্রকাশের শর্তে এক বালু ব্যবসায়ী বলেন, গত বছর লালপুর উপজেলার দিয়াড় বাহাদুরপুর বালু মহাল ইজারা নিয়ে যত্রতত্র বালু উত্তোলন করা হয়। কিন্তু এ বছর পাবনা কুষ্টিয়া জেলায় কোন বালু মহালের ইজারা না থাকায় রাতের আঁধারে তারা বালু উত্তোলন করছে। এবিষয়ে ঈশ্বরদী নৌ পুলিশের আইসি খন্দকার শফিকুল ইসলাম বলেন, সাঁড়া মাজদিয়া এলাকায় রাতে বালু উত্তোলনের বিষয়টা আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এবিষয়ে ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব বলেন, ঈশ্বরদী সীমানা থেকে রাতে বালু উত্তোলন করার বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি এখনই থানা প্রশাসন এবং নৌ পুলিশকে অবগত করছি তারা জানে এটার ব্যবস্থা নেই।