আদালতের বারান্দায় আসামিকে পিটিয়ে উলঙ্গ করে ফেলার অভিযোগ
Why this classification
এটি রাজনৈতিক সহিংসতা কারণ হামলাকারীরা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের কর্মী এবং তারা তাদের দলের একজন নিহত নেতার হত্যার প্রতিশোধ নিতে আদালতের ভেতরে আসামির ওপর হামলা চালিয়েছে।
Killed
0
Injured
1
Summary
২০২৬ সালের ২৩ আগস্ট নারায়ণগঞ্জ আদালতের বারান্দায় ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা হত্যা মামলার আসামি শেখ সিফাতকে পিটিয়ে উলঙ্গ করে ফেলে। এই ঘটনাটি ২০ আগস্ট সংঘটিত জাহিদ আল আমিন বুলবুল হত্যাকাণ্ডের জের ধরে ঘটেছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Islami Andolan Bangladesh
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
আদালতের বারান্দায় আসামিকে পিটিয়ে উলঙ্গ করে ফেলার অভিযোগ
নারায়ণগঞ্জ আদালতের বারান্দায় আসামিকে পিটিয়ে উলঙ্গ করে ফেলার অভিযোগ ছবি: সংগৃহীত নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬ | ১২:৪১ আদালতে তোলার সময় হত্যা মামলার আসামিকে পিটিয়ে উলঙ্গ করে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রোববার নারায়ণগঞ্জ আদালতের বারান্দায় ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা এ হামলা চালান বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ সুপারের ব্যর্থতাকে দায়ী করে তাঁকে নারায়ণগঞ্জ থেকে সরানোর দাবি জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের মানবাধিকারকর্মী ও নাগরিক আন্দোলনের নেতারা। জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ১১ জনের বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকতা। গতকাল রোববার আদালতে তোলার সময় আসামি শেখ সিফাতকে পিটুনি দিয়ে উলঙ্গ করে ফেলেন ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা। পরে পুলিশ উদ্ধার করে আদালতে হাজির করলে শুনানি শেষে সাতজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন বিচারক। একই মামলায় আরও চার নারীকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী এ রিমান্ডের আদেশ দেন বলে জানান আদালত পুলিশের পরিদর্শক আব্দুস সামাদ। ১০ দিনের রিমান্ড পাওয়া আসামিরা হলেন– বন্দর উপজেলার শাহী মসজিদ এলাকার শেখ সিফাত, কদমরসুল এলাকার হোয়াইট জুম্মন, মো. সিয়াম, বারৈপাড়ার মাহবুব হোসেন মাহাফুজ, শাহী মসজিদের রিয়াদ, চিতাশালের ইরফান, চৌধুরী বাড়ির সিজান জিসান। তিন দিনের রিমান্ড পাওয়া আসামিরা হলেন– সালেহনগর এলাকার মিনারা, রুমা, নাসিমা এবং শাহী মসজিদ এলাকার ইয়াসমিন। গত ২০ আগস্ট রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় অভিযুক্তদের হামলায় নিহত হন ইসলামী যুব আন্দোলনের বন্দর থানা (পশ্চিম) কমিটির যুগ্ম সম্পাদক জাহিদ আল আমিন বুলবুল। রাতে ক্ষুব্ধ ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা এলাকার রাস্তা ও পরদিন সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মদনপুর এলাকায় অবরোধ করেন। এ ঘটনার পরেই রাতভর অভিযান চালিয়ে বন্দরের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন গত শুক্রবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সি জানান, ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই ব্যবসায়ী বুলবুলের অটোরিকশার গ্যারেজে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে ২০ আগস্ট শেখ সিফাত ও তাঁর সহযোগীদের আসামি করে বন্দর থানায় একটি মামলা করেন তিনি। এক বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, মামলার পর থেকেই বুলবুলকে হুমকি দিচ্ছিলেন আসামিরা। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শেখ সিফাতের নেতৃত্বে তাঁর সহযোগীরা বুলবুলকে কুপিয়ে জখম করে। পরে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিলে তাঁকে মৃত ঘাষণা করেন চিকিৎসক। পরদিন বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। এই মামলায় গ্রেপ্তার শেখ সিফাতের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আগেরও ১৪টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাঁর সহযোগী হোয়াইট জুম্মনের বিরুদ্ধে ৯টি, রিয়াদের বিরুদ্ধে চারটি মামলা আদালতে বিচারাধীন। আদালত প্রাঙ্গণে আসামির ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের ঢাকা (দক্ষিণ) বিভাগীয় সমন্বয়ক মাহবুবুর রহমান মাসুম। তিনি বলেন, আদালতে আসামির ওপর হামলা করলে বিচারটা হবে কিভাবে? একটি রাজনৈতিক দলের কর্মীদের মব সৃষ্টি করা কাম্য নয়। তাঁর ভাষ্য, নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আর কখনোই এতটা খারাপ হয়নি। একজন অযোগ্য পুলিশ সুপার নারায়ণগঞ্জে রয়েছেন। এই কারণেই আদালতে এমন ঘটনা ঘটল। তাঁকে নারায়ণগঞ্জ থেকে দ্রুত সরাতে হবে। সিফাতের বিরুদ্ধে অনেকগুলো মামলা। পুলিশ আগে তাঁকে গ্রেপ্তার করেনি কেন? আগে তাঁকে গ্রেপ্তার করলে বুলবুল হত্যাকাণ্ড ঘটত না। নারায়ণগঞ্জ নাগরিক আন্দোলনের আহ্বায়ক রফিউর রাব্বি বলেন, আদালতে আসামির ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না। বিচার ব্যবস্থা কোন পর্যায়ে সেটাই এখন প্রশ্নবিদ্ধ। শেখ হাসিনার সময়ে বিচার ব্যবস্থা যে ধস নেমেছিল সেটার কোনো পরিবর্তন হয়নি, সেটা ওই অবস্থায়ই আছে। এ ব্যাপারে কথা বলতে পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সির মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও ধরেননি। খুদেবার্তা পাঠালেও উত্তর দেননি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) হাসিনুজ্জামান বলেন, সেখানে যথাযথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। আদালতে নিহত বুলবুলের আত্মীয়-স্বজন শুভাকাঙ্ক্ষী ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা ছিলেন। তাদের সঙ্গে এক পর্যায়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। উলঙ্গ করার ঘটনা ঘটেনি। তবে ধকল সব পুলিশের ওপর দিয়ে গেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সহসভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘গ্রেপ্তারের পরে সিফাতের অঙ্গভঙ্গির কারণে আমাদের কর্মীরা ক্ষুব্ধ ছিল। এ কারণে এই ঘটনা ঘটে। এটা আকস্মিকভাবে ঘটেছে। এটা আসলে ঠিক হয়নি।’ - বিষয় : - নারায়ণগঞ্জ
বন্দরে বৈষম্যবিরোধী নেতা হত্যায় মামলা আসামি ৪০
বন্দরে বৈষম্যবিরোধী নেতা হত্যায় মামলা আসামি ৪০ Advertisement বন্দর (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মামলা তুলে না নেওয়ায় ইসলামী যুব আন্দোলন ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা জাহিদ হাসান বুলবুলকে (৩৮) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় বন্দর থানায় মামলা হয়েছে। বুলবুলের বড় ভাই জুবায়ের আল আমিন ‘সিফাত বাহিনী’র প্রধান শেখ সিফাতকে প্রধান আসামি করে ৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। বৃহস্পতিবার রাতে ২১নং ওয়ার্ড বন্দরের সালেহনগর এলাকায় বুলবুলকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। বুলবুল ২২নং ওয়ার্ড বন্দরের শাহী মসজিদ ঠাকুরবাড়ী এলাকার মৃত রাজা মাস্টারের ছেলে। তিনি ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ বন্দর থানা শাখার যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। ঘটনার পর বন্দরের কদমরসুল মাঠপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি সিফাতসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার অপর আসামিরা হচ্ছে, মাহাবুব হোসেন ওরফে মাহফুজ, জুম্মান ওরফে হোয়াইট জুম্মান, রিয়াদ, সিয়াম, ইরফান, মিনারা, নাসিমা বেগম, রুমা বেগম, ইয়াসমিন ও সিজান ওরফে জিসান। তাদের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। মামলার বাদী জানান, ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেয় বুলবুল। এ কারণে তার রিকশা গ্যারেজে হামলা ও ব্যাপক লুটপাট চালানো হয়। এই ঘটনায় ২০২৪ সালের ২০ আগস্ট শেখ সিফাতকে প্রধান আসামি করে বন্দর থানায় মামলা করেন বুলবুল। মামলা করার পর থেকেই এটি তুলে নেওয়ার জন্য বুলবুলকে ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে সালেহনগর এলাকায় বুলবুলকে একা পেয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেয় সিফাত বাহিনী। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বুলবুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রাস্তায় ফেলে যায়।
