ফেসবুকে ‘নিঃশব্দে শেষ হয়ে যাবো’ স্ট্যাটাস, সকালে মিলল ঝুলন্ত মরদেহ

AI-classifiedconfidence 72%

Why this classification

A man was found hanging in a rented house, and his father alleges he was murdered and the body staged, which makes the discovery of a body potentially linked to crime a reportable violent death. The police have registered an unnatural death case and the cause is not yet confirmed, so the suicide claim is not treated as established.

Reported by:Dhaka PostSingle source
09/10/26•Lalmohan Municipality Ward 7, rented house

Killed

1

Injured

0

Summary

ভোলার লালমোহন পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি ভাড়া বাসা থেকে ৯ অক্টোবর (শুক্রবার) দলিল লেখক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের (৪৮) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, তাকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, যদিও পুলিশ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের অপেক্ষায় অপমৃত্যু মামলা নিয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

72% · severity 7

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

Abdullah Al Mahmud (48), deceased, document writerJainal Abedin, father of the deceasedNahida Parvin, wife of the deceased, Sub-Registrar office assistantMd. Nazrul Islam Majumder, acting OC, Lalmohan Police Station

Affected infrastructure

rented house

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 09/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 09/10/26open original ↗

ফেসবুকে ‘নিঃশব্দে শেষ হয়ে যাবো’ স্ট্যাটাস, সকালে মিলল ঝুলন্ত মরদেহ

ভোলার লালমোহন উপজেলায় একটি ভাড়া বাসা থেকে আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ (৪৮) নামে এক দলিল লেখকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার বাবার দাবি, হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল তার মরদেহটি। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে লালমোহন পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভাড়া বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয় এবং বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। আবদুল্লাহ আল মাহমুদ ভোলার চরফ্যাশনের সাব-রেজিস্টার অফিসের দলিল লেখক ও চরফ্যাশন পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের জয়নাল আবেদিনের ছেলে। এছাড়া তিনি চরফ্যাশন দলিল লেখক সমিতির সাবেক সভাপতি ছিলেন। স্বজনরা জানান, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ১৩ মিনিটে তার নিজ ফেসবুক আইডিতে পর পর দুইটি স্ট্যাটাস দেন। একটিতে তিনি লিখেন, ‘আমাকে হারানোর সবচেয়ে সহজ উপায়—আমাকে অসম্মান করা। অন্যায় সহ্য করতে পারি, অবহেলাতেও ফিরে আসতে পারি। ভালোবাসার জন্য অনেক কিছু মেনে নিতে পারি। কিন্তু আত্মমর্যাদায় আঘাত করলে—আমি নিঃশব্দে শেষ হয়ে যাবো। যেভাবে ইতিহাস হারিয়ে যায়, যেভাবে মায়ের কোল থেকে হারিয়ে যায় ছোট্ট শিশু। আল্লাহ সহায়, আল্লাহ উত্তম বিচারক’। এছাড়া অন্য পোস্টে লেখেন- ‘কারও সম্মান রক্ষার জন্য কখনও নিজের অস্তিত্ব বিলীন করে দেবে না। একদিন সে এসে আপনাকেই বিলীন করে দেবে’। নিহতের বাবা জয়নাল আবেদীন অভিযোগ করে বলেন, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ দলিল লেখক সমিতির সভাপতি থাকার সুবাদে লালমোহন পৌরসভার বাসিন্দা ও তৎকালীন চরফ্যাশন সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের অফিস সহকারী নাহিদা পারভীনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তার প্রথম স্ত্রীর ঘরে দুই মেয়ে থাকা সত্ত্বেও তাকে তালাক দেন। একই সঙ্গে নাহিদা পারভীনও প্রথম স্বামীর ঘরের একটি সন্তান রেখে স্বামীকে তালাক দেন। পরে ২০২৩ সালে দুজনেই দ্বিতীয় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপর থেকে নাহিদা মাহমুদকে নিয়ে লালমোহনে পৌর এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। দ্বিতীয় স্ত্রী নাহিদা মাহমুদকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দিতেন না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। প্রায় তিন বছর ধরে মাহমুদ স্ত্রীসহ সেখানে বসবাস করছেন। তাদের ঘরে একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। তিনি আরও বলেন, শুক্রবার সকালে হঠাৎ করে পুত্রবধূ নাহিদা মুঠোফোনে ছেলে আত্মহত্যা করেছে বলে আমাদেরকে জানায়। আমার ছেলে আত্মহত্যা করতে পারে না। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে তার মরদেহ ঝুলিয়ে রেখে এখন নাটক করছে নাহিদার পরিবার। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মাহমুদের স্ত্রী নাহিদা পারভীনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্যের জন্য তার ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। নাহিদা পারভীন বর্তমানে তজুমদ্দিন সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে অফিস সহকারী পদে কর্মরত আছেন বলে জানা গেছে। লালমোহন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাহমুদের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতাহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ভোলা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে বিকেলে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। মো.খাইরুল ইসলাম/এসএইচএ