নিখোঁজের একদিন পর লাকসাম থেকে উদ্ধার শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A Shibir leader was forcibly pulled into a car on the night of 11 June 2026 and was later found critically injured at Laksam railway junction. This is a concrete physical attack with injury, within the 14-day window, in Bangladesh.

Reported by:SamakalDhaka PostJugantorCorroborated · 3 sources
11/06/26•Daudkandi Model Mosque road (দাউদকান্দি মডেল মসজিদের সামনের সড়ক)

Killed

0

Injured

1

Summary

গত ১১ জুন ২০২৬ রাতে দাউদকান্দি মডেল মসজিদের সামনের সড়ক থেকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক জিসান আহমেদ প্রধানকে একটি গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়। পরে ১২ জুন রাতে লাকসাম রেলওয়ে জংশনে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Jamaat

Other actors

জিসান আহমেদ প্রধান (Central Assistant International Secretary, Shibir; victim)কাজী কামরুন্নাহার লাকী (Acting OC, Laksam Crossing Thana)সামছুল আলম প্রধান (OC Investigation, Daudkandi Model Thana)Unidentified abductors in a car

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 11/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 24/06/26open original ↗

নিখোঁজের একদিন পর লাকসাম থেকে উদ্ধার শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা

নিখোঁজের একদিন পর লাকসাম থেকে উদ্ধার শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান আহমেদ প্রধান কুমিল্লা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬ | ০২:১৮ | আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬ | ০৮:৪৫ কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর লাকসাম রেলওয়ে জংশন থেকে উদ্ধার হয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক জিসান আহমেদ প্রধান। তিনি দাউদকান্দি উপজেলার বাসিন্দা। জিসান শিবিরের কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে তাকে রেলওয়ে জংশনে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লাকসাম ক্রসিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী কামরুন্নাহার লাকী। তিনি বলেন, জিসানের নিখোঁজ হওয়া এবং উদ্ধারের পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাকে উদ্ধারের পর প্রথমে লাকসাম এবং পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ওসির ভাষ্য, নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় অভিযোগ করেছে জিসানের পরিবার। তাই দাউদকান্দি পুলিশ এ বিষয়ে তদন্ত করবে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত জিসান বলেন, আমি বৃহস্পতিবার রাতে এশার নামাজের পর দাউদকান্দি মডেল মসজিদের সামনের সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এ সময় একটি গাড়ি আমার সামনে এসে থামে এবং কয়েকজন আমাকে টান দিয়ে গাড়ির ভেতরে ঢুকিয়ে নেয়। এরপর থেকে আমি আর কিছু বলতে পারছি না বা মনে করতে পারছি না। এদিকে জিসান প্রধানের মুক্তির দাবিতে শুক্রবার বিকেলে দাউদকান্দি মডেল মসজিদ হতে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। পরে পৌর বাজার বড় মসজিদের সামনে এসে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম, কুমিল্লা উত্তর জেলা শিবিরের সভাপতি শাকিল আদনানসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে দাউদকান্দি মডেল মসজিদে এশার নামাজ আদায়ের পর থেকে জিসানের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। রাত ৮টার পর তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না মেলায় শুক্রবার সকালে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে পরিবার। রাতে পৌনে ২টার দিকে দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) সামছুল আলম প্রধান বলেন, উদ্ধারের পর জিসান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরায় একটি গাড়ি শনাক্ত করা হয়েছে। বিস্তারিত শনিবার সংবাদ সম্মেলনে জানানো হবে।

Source 2: Dhaka Post · 13/06/26open original ↗

নিখোঁজের এক দিন পর উদ্ধার শিবির নেতা, আত্মগোপনে ছিলেন বলে দাবি পুলিশের

নিখোঁজের এক দিন পর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পশ্চিম শাখার সাবেক সভাপতি জিসান আহম্মেদ প্রধানকে। শুক্রবার (১২ জুন) রাতে কুমিল্লার লাকসাম জংশন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। এদিকে শুক্রবার গভীর রাতে জেলা পুলিশের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ দাবি করেছে, কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ছাত্রশিবির নেতা জিসান প্রধান অপহৃত হননি, তিনি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। এর আগে পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাতে লাকসামের জংশন এলাকায় আহত অবস্থায় জিসানকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন। পরিবারের দাবি, বৃহস্পতিবার রাতে দাউদকান্দি মডেল মসজিদে এশার নামাজ আদায়ের পর থেকে জিসানের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। রাত ৮টার পর তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না মেলায় শুক্রবার সকালে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি (জিডি) করা হয় পরিবারের পক্ষ থেকে। এদিকে উদ্ধারের পর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় শিবির নেতা জিসান সাংবাদিকদের বলেন, দাউদকান্দি মডেল মসজিদে নামাজ শেষ করে মসজিদের সড়কের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। এ সময় একটি মাইক্রোবাস আমার সামনে এসে থামে। কয়েকজন আমাকে টেনে গাড়ির ভেতরে ঢুকিয়ে নেয়। এরপর থেকে আমি আর কিছু বলতে পারি না বা মনে করতে পারছি না। তবে কুমিল্লা জেলা পুলিশ রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি, তিনি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ জানায়, গত ২০ মে জিসান তার দাউদকান্দির ভাড়া বাসায় নিয়ে বিয়ের প্রলোভনে এক নারীকে ধর্ষণ করেন। পরবর্তীতে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ওষুধের মাধ্যমে ভ্রূণ নষ্ট করা হয়। এ ঘটনার পর ওই নারী জিসানকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিসান ১২ জুন বিয়ে করবে বলে সম্মতি দিয়েছিলেন। বিবৃতিতে পুলিশ আরও জানায়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জিসান বিয়ে না করার তালবাহানায় নিজেই আত্মগোপন করে। এ ঘটনায় সে তার চাচাতো ভাই রাসেল আহাম্মদের মাধ্যমে থানায় নিঁখোজের বিষয়ে জিডি করেন। এদিকে জিসানের নাটকীয় উদ্ধারের খবর পেয়ে শুক্রবার রাতে ওই নারী বাদী হয়ে ধর্ষণ, ধর্ষণের সহায়তা এবং ভ্রুণ নষ্ট করার অভিযোগে জিসানকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের বিরুদ্ধে দাউদকান্দি মডেল থানায় নারী ও নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের করেন। কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান বলেন, নিখোঁজ শিবির নেতাকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে কেউ অপহরণ করেনি। এক নারীর সঙ্গে প্রতারণামূলক ঘটনার জের ধরে সে নিজে আত্মগোপনে ছিলেন। ওই নারী তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমনে মামলাটি করা হয়। ওই নারী তার বিরুদ্ধে ভ্রূণ নষ্টসহ বেশ কিছু অভিযোগ করেছেন। এর আগে, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে তাকে রেলওয়ে জংশন থেকে উদ্ধার করে লাকসাম ক্রসিং থানা পুলিশ। এর আগে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল বারী বলেন, উদ্ধারের পর জিসানকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে জিডি হওয়ার পর থেকে বিষয়টি তদন্ত করছে পুলিশ। কয়েকটি সিসিটিভি ক্যামেরায় গাড়ি শনাক্তসহ বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। আরিফ আজগর/আরকে

Source 3: Jugantor · 25/05/26open original ↗

লাকসামে তিন ছাত্রীকে যৌন হয়রানি

লাকসামে তিন ছাত্রীকে যৌন হয়রানি অটোচালককে কারাদণ্ড Advertisement লাকসাম-মনোহরগঞ্জ (কুমিল্লা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ লাকসামে একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির তিন ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে আমির হোসেন নামের অটোচালককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার দুপুরে লাকসাম রেলওয়ে জংশন বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আসামি আমির হোসেনের বাড়ি চৌদ্দগ্রামের মিতল্লা গ্রামে। জানা যায়, ওই দিন দুপুরে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির তিন ছাত্রী প্রাইভেট পড়ে একটি অটোরিকশায় বাড়ি যাচ্ছিল। এ সময় রিকশাচালক তাদের যৌন হয়রানি করে। পরে ওই ছাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয় লোকজন চালককে আটক করে ইউএনও নার্গিস সুলতানা ও ওসি কামরুন নাহার লাইলীর হাতে তুলে দেন। ইউএনও তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত অটোরিকশাচালককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। ওসি জানান, আমির হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।