৪০ লাখ টাকার জন্য ভাইকে ওষুধ সেবনে হত্যা
Why this classification
This article reports a single, specific death in Barguna, where the family alleges the victim was deliberately poisoned by his father-in-law over about 40 lakh taka in unpaid money. Police have not confirmed the cause of death and the forensic examination is pending, so the murder is an allegation, but it is a concrete violent crime and is included.
Killed
1
Injured
0
Summary
বরগুনার বেতাগী থানার লক্ষীপুরা গ্রামে সোমবার (২০২৬ সালের ৯ মার্চ) দুপুরে ৪০ লাখ টাকা পাওনা চাওয়ায় রুবেল খলিফাকে তার শ্বশুর ইউনুস হাওলাদার পরিকল্পিতভাবে ওষুধ খাইয়ে হত্যা করেছেন বলে পরিবারের অভিযোগ। ৮ মার্চ গ্যাসের ট্যাবলেট খাওয়ার পর বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়, এবং ফরেনসিক পরীক্ষায় মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের চেষ্টা চলছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
72% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
৪০ লাখ টাকার জন্য ভাইকে ওষুধ সেবনে হত্যা
৪০ লাখ টাকার জন্য ভাইকে ওষুধ সেবনে হত্যা Advertisement মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মঠবাড়িয়ায় পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন রুবেল খলিফা নামে এক যুবক। স্বজনদের অভিযোগ পাওনা টাকা চাওয়ায় তাকে পরিকল্পিতভাবে ওষুধ সেবন করিয়ে হত্যা করেছে শ্বশুর ইউনুস হাওলাদার। সোমবার দুপুর ১টায় বরগুনা জেলার বেতাগী থানার লক্ষীপুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। রুবেল খলিফা মঠবাড়িয়া উপজেলার পাটাকাটা গ্রামের মৃত মনতাজ খলিফার ছেলে। বরিশালের কোতোয়ালি মডেল থানার সুরতহাল সূত্রে জানা যায়, মৃত খলিফা দুবাই প্রবাসী ছিলে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে নিজ গ্রামে আসে। আসার পর থেকে মানসিক সমস্যায় ভুগতে ছিলেন। ৮ মার্চ শ্বশুরবাড়ি থাকা অবস্থায় বসতঘরের বাথরুমে গিয়ে গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিক মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে যাওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে রেফার্ড করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য লাশ বিভাগীয় প্রধান ফরেন্সি মেডিসিন বিভাগে প্রেরণ করা হয়। নিহতের বড় বোন নাজমা সুলতানার দাবি, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে টাকার জন্য হত্যা করেছে। আমার ভাই তার শ্বশুরের কাছে প্রায় ৪০ লাখ টাকা পাবে সেই টাকা চাইতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন। আমি প্রশাসনের কাছে সঠিক বিচার চাই। স্ত্রী সনিয়া আক্তার জানান, আমার স্বামীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আমার বাবাকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফাঁসানো হচ্ছে। যাতে আমার বাবার থেকে তারা সুবিধা নিতে পারে। এ ব্যাপারে মঠবাড়িয়া থানার ওসি (তদন্ত) শেখ হেলাল উদ্দিন জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই তবে খোঁজখবর নিয়ে জানাতে পারব।
