আগুন জ্বালিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ
Why this classification
The article reports a recent (Saturday, 2026-06-13) arson protest by three members of the banned Chhatra League on a regional road in Patuakhali, leading to their arrest by police. This meets the definition of relevant violence (destructive act) and falls within the 14‑day recency window.
Killed
0
Injured
0
Summary
পটুয়াখালী-গলাচিপা আঞ্চলিক সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের তিন কর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। কোনো আহত বা মৃতের রিপোর্ট নেই।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
94% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, স্বামী-শ্বশুর গ্রেপ্তার
পটুয়াখালীর দশমিনায় লিপি আক্তার (২৭) নামে এক গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে প্রকাশ্যে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত স্বামী শাহ জামাল (৩৫) ও শ্বশুর মোসলেম মৃধাকে (৭০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চরহোসনাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, ইঞ্জিনচালিত একটি টমটমের ওপর লিপি আক্তারের হাত-পা বেঁধে তাকে মারধর করা হচ্ছে। নির্যাতনের সময় তিনি ব্যথায় চিৎকার করছিলেন। একপর্যায়ে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে অভিযুক্তদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা পরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের হস্তক্ষেপে টমটমটি থামানো হয় এবং অভিযুক্ত স্বামী ও শ্বশুরকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় লিপি আক্তারকে উদ্ধার করে দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল মৃধা বলেন, ওই নারীর চিৎকার শুনে আমরা কয়েকজন এগিয়ে গিয়ে টমটমটি থামাই। এ সময় শাহ জামাল ও তার বাবা মোসলেম মৃধা আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে আমাদেরও মারধর করেন। এতে আমার মাথায় আঘাত লাগে। ভুক্তভোগী লিপি আক্তার অভিযোগ করে বলেন, আমার দুই ছেলে ও তিন মেয়ে সন্তান রয়েছে। আমাদের রেখে আমার স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই তিনি ও আমার শ্বশুর আমাকে বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছেন। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি-স্বামী শাহ জামাল দ্বিতীয় বিয়ে করার পর থেকে প্রথম স্ত্রী লিপি আক্তারের ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। গতকালও তাকে মারধর করে হাত-পা বেঁধে স্বামী ও শ্বশুর কোথাও নিয়ে যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তদের আটক করে এবং নির্যাতনের শিকার নারীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। সোহাইব মাকসুদ নুরনবী/এএমকে
আগুন জ্বালিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ
আগুন জ্বালিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ গলাচিপায় আটক ৩ Advertisement গলাচিপা দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালী-গলাচিপা আঞ্চলিক সড়কের আমখোলা বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। আটকরা হলো-উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের দরিবাহেরচর গ্রামের ইমরান হোসেন, উত্তর আমখোলা গ্রামের জাহিদ খান ও গলাচিপার সালে আহমেদ শান্ত। এ সময় তারা ২-৩ মিনিট সড়কে অবস্থান করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতের অভিযোগে মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে নিশ্চিত করেছেন ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ। জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ করে কিছু যুবক আমখোলা বাজারসংলগ্ন আঞ্চলিক সড়কে অবস্থান নেয়। এরপর তারা একটি সেতুর ওপর দুটি টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভে অংশ নেওয়া যুবকরা সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অনুসারী। ওসি জানান, আমখোলা গলাচিপা উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন একটি এলাকা। তবে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
