ঘরে অর্ধগলিত মরদেহ আর দু’পক্ষের সংঘর্ষে জিয়ারুলের মৃত্যু

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

প্রতিবেদনে রাজশাহীতে দুটি পৃথক সহিংস ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। প্রথমটি একটি হত্যাকাণ্ড, যেখানে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। দ্বিতীয়টি জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনা, যেখানে এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। উভয় ঘটনাই সাম্প্রতিক (১১ অক্টোবর) এবং বাংলাদেশের ভূখণ্ডে সংঘটিত হয়েছে, তাই এগুলো সহিংসতার ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Reported by:Dhaka PostAjker PatrikaProthom AloCorroborated · 3 sources
11/10/26•কেদুরমোড় ও খড়খড়ি কমলাপুর

Killed

2

Injured

1

Summary

রাজশাহীর কেদুরমোড় এলাকা থেকে বেলী রাণী (৭০) নামের এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ, যার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অন্যদিকে, পবা উপজেলার খড়খড়ি কমলাপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারামারিতে জিয়ারুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

বেলী রাণীজিয়ারুল ইসলামমিনারুলওসি মাছুমা মুস্তারীওসি মনিরুল ইসলাম

Tags

MurderLand Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 11/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 12/10/26open original ↗

জমি নিয়ে বিরোধে ২ চাচাতো ভাইয়ের মারামারিতে ১ জন নিহত

রাজশাহী মহানগরীতে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই চাচাতো ভাইয়ের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। পরে মো. জিয়া (৩৫) নামের একজন নিহত হন। এরপর জিয়ার অন্য ভাইদের মারধরে গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর চাচাতো ভাই মো. মিনারুল (৩৬)। আজ রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেল পাঁচটার দিকে নগরীর চন্দ্রিমা থানার ললিতাহার কমলাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর আহত মিনারুলকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যমতে, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে জিয়া ও তাঁর চাচাতো ভাই মিনারুলের মধ্যে মারামারি হয়। একপর্যায়ে জিয়াকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে নওদাপাড়া এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে জিয়ার অন্য ভাইয়েরা মিনারুলকে মারধর করেন। মারধরে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাঁকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। নগরীর চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘জিয়ার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা লাশের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ছাড়া বলা যাবে না। এ জন্য লাশ মর্গে রাখা হয়েছে। আগামীকাল সোমবার ময়নাতদন্ত করা হবে। পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত করছে।’

Source 2: Dhaka Post · 11/10/26open original ↗

ঘরে অর্ধগলিত মরদেহ আর দু’পক্ষের সংঘর্ষে জিয়ারুলের মৃত্যু

রাজশাহীতে পৃথক স্থান থেকে নারী ও পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে জিয়ারুল ইসলাম (৪৫) এবং নিজ রুম থেকে বেলী রাণী (৭০) নামের এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ। বেলী রাণীর মৃত্যুর ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে থানায় নিয়েছে পুলিশ। রোববার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর কেদুরমোড় এলাকায় বেলী রাণী (৭০) এবং একইদিন বিকেলে খড়খড়ি কমলাপুর এলাকায় জিয়ারুল ইসলামের (৪৫) মৃত্যু হয়েছে। জানা গেছে- নিহত বেলী রাণী রাজশাহী নগরীর কেদুরমোড় এলাকার ‘বেলী ভিলা’ নামের একটিবাড়ির দুই তলায় বসবাস করতেন। সেই রুম থেকে বেলী রাণীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত বেলীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহত বেলী ওই এলাকার মৃত ফখরুদ্দীনের স্ত্রী। বেলীর চার সন্তান। এরমধ্যে একমেয়ে ও দুই ছেলে বিদেশে থাকেন। একছেলে তিনি ঢাকা থাকান। আর বাসার নিচ তলা অন্য ভাড়াটিয়া থাকতেন। তবে গেল দুই-তিন দিন থেকে বেলী বাইরে আসেননি। এনিয়ে প্রতিবেশীরা তাকে ডাকতে যান। তবে বন্ধ রুম থেকে পচা গন্ধ পান তারা। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশ এসে বেলীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক পুরুষসহ দুই নারীতে আটক করে থানায় নিয়েছে। আর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য খুঁজতে কাজ করছে সিআডি টিম। এ বিষয়ে নগরীর বোয়ালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাছুমা মুস্তারী বলেন- প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি হত্যাকাণ্ড। তবে কি কারণে হয়েছে। সেটি জানতে কাজ করছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। এই ঘটনায় মামলা হবে। অপরদিকে, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনায় জিয়ারুল ইসলাম (৪৫) নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পবা উপজেলার খড়খড়ি কমলাপুরে এই ঘটনা ঘটে। নিহত জিয়ারুল মৃত ওসমান আলী। তার খড়খড়িতে বাঁশের তৈরি আসবাবপত্র বিক্রির দোকান রয়েছে। জানা গেছে- নিহত জিয়ারুল ইসলাম ও অভিযুক্ত মিনারুল সম্পর্কে চাচাতো ভাই। তাদের পূর্ব পুরুষদের মধ্যে দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। এনিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে একাধিক বার মারামারি ঘটনাও ঘটেছে। এনিয়ে মামলাও চলমান রয়েছে। সবশেষ রোববার মিনারুল একজন ক্রেতাকে নিয়ে একই এলাকায় জমি বিক্রির জন্য দেখাতে নিয়ে যায়। বিষয়টা জানতে পারে জিয়ারুল পক্ষ। এরপরে উভয় পক্ষই একেঅপরে মারামরিতে জড়িয়ে যায়। এক পর্যায়ে জিয়ারুলকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে নওদাপাড়া ইসলামি ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে শারীরিক পরীক্ষা করে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ তার মরদেহ রামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়। আর মিনারুল আহত অবস্থায় রামেক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এনিয়ে অভিযুক্ত মিনারুলের পরিবার জানায়- জিয়ারুকলে মারধর করা হয়নি। তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন বলে দাবি করেন। এ বিষয়ে নগরীর চন্দ্রীমা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন- বিষয়টা তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শাহিনুল আশিক/বিআরইউ

Source 3: Prothom Alo · 13/10/26open original ↗

আম্মারের ফেসবুক পোস্টের প্রতিবাদে রাকসু ভবনে রবীন্দ্রনাথের পোস্টার সাঁটালেন ছাত্রদল নেতা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে ফেসবুকে সালাউদ্দিন আম্মারের পোস্টের প্রতিবাদে রাকসু ভবনে পোস্টার সাঁটান ছাত্রদল নেতা আবদুল্লাহ আল কাফি। গতকাল সোমবার বিকেলে রাকসু ভবনেছবি: সংগৃহীত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের ফেসবুক পোস্টকে অবমাননাকর উল্লেখ করে এর প্রতিবাদে পোস্টার সাঁটিয়েছেন শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল কাফি। গতকাল সোমবার বিকেলে রাকসু ভবনের নিচতলায় অনুসারীদের নিয়ে তিনি পোস্টার সাঁটান। পোস্টারে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ছবির নিচে লেখা আছে, ‘স্বাধীনতা তুমি রবি ঠাকুরের অজর কবিতা অবিনাশী গান।’ ছাত্রদল নেতা কাফি রাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেলের সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন। তিনি তিন হাজার ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছিলেন। সেই ভোটারদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে তিনি এ পোস্টার সাঁটিয়েছেন বলে দাবি করেছেন। আবদুল্লাহ আল কাফি প্রথম আলোকে বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য সাংস্কৃতিক পরিচয় ও চেতনার প্রতি অসম্মান। এমন বিদ্বেষের পেছনে সাংস্কৃতিক আত্মপরিচয়ের সংকট কাজ করে বলে তাঁর মনে হয়। যারা বাংলাদেশের জন্ম ও বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের বিরোধিতা করেছেন, তাদের মধ্যেই এ সংকট দেখা যায়। গত রোববার রবীন্দ্রসংগীতকে ব্যঙ্গ করে ‘রঠা সংগীত’ নামে গান বানিয়ে ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্ট করেন সালাহউদ্দিন আম্মার। এ ছাড়া রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করে আরেকটি পোস্ট করেন বলে অভিযোগ। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অনেকে সমালোচনা করেন। এ বিষয়ে সালাহউদ্দিন আম্মারের মুঠোফোন নম্বরে প্রথম আলোর পক্ষ থেকে একাধিকবার কল করলেও তিনি সাড়া দেননি। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন রাকসুছাত্রদলরবীন্দ্রনাথ ঠাকুররাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়রাজশাহীরাজশাহী বিভাগ