স্ত্রীর নগ্ন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা
Why this classification
The article reports a specific, recent case in which a husband is accused of forcing a miscarriage, publishing his wife's private intimate photos online, and threatening to publish more. These are concrete acts of domestic abuse, not just threats, although the claims are allegations in a court complaint and no injuries or deaths are reported.
Killed
0
Injured
0
Summary
যশোরে স্ত্রীর ব্যক্তিগত নগ্ন ও অর্ধনগ্ন ছবি ফেসবুকে ছড়ানো এবং বিয়ে বহাল না রাখলে আরও ছবি ছড়ানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগে স্বামী আব্দুর রহমান জীমের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, স্বামী জোরপূর্বক স্ত্রীর গর্ভের সন্তান নষ্ট করেছিলেন, এবং ৪ মে ফোনে হুমকির ঘটনা ঘটে; আদালত মণিরামপুর থানাকে এজাহার হিসেবে মামলা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
70% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
স্ত্রীর নগ্ন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা
সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় স্ত্রীর নগ্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে স্বামীর বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামীর নাম আব্দুর রহমান জীম (২৬)। তিনি ঝিকরগাছা উপজেলার কাটাখালি রূপনগর গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। ভুক্তভোগী নারীর নালিশি অভিযোগটি আমলে নিয়ে যশোরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুবা শারমিন বিষয়টি নিয়মিত এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার জন্য মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন। ভুক্তভোগী মনিরামপুরের বাসিন্দা। মামলার আরজিতে ১৯ বছর বয়সী ওই নারী উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ২২ এপ্রিল জীমের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের দুই বছরের মাথায় তিনি সন্তানসম্ভবা হলে জীম জোরপূর্বক তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দেন। এ ঘটনা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চরম বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং ভুক্তভোগী নারী মনিরামপুরে বাবার বাড়িতে আলাদা থাকতে শুরু করেন। এর আগে, সন্তান নষ্ট করার অভিযোগে তিনি জীমের বিরুদ্ধে আদালতে একটি নালিশি অভিযোগ দিয়েছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জীম প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে ওঠেন। সংসার চলাকালীন কৌশলে ধারণ করা স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের নগ্ন ও অর্ধনগ্ন ছবি একটি ফেসবুক পেজ খুলে ছড়িয়ে দেন। এ ছাড়া, গত ৪ মে জীম ফোন করে হুমকি দেন, বিয়ে বহাল না রাখলে আরও অশ্লীল ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে। ছবিগুলো ওই নারীর হোয়াটসঅ্যাপ, ইমো ও মেসেঞ্জারেও পাঠানো হয়। সামাজিকভাবে চরম মানহানির শিকার হয়ে ওই নারী শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনা করে পুলিশকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। রেজওয়ান বাপ্পী/এএমকে
স্ত্রীর পরকীয়া নিয়ে কলহ, প্রেমিকের সহযোগিতায় খুন
স্ত্রীর পরকীয়া নিয়ে কলহ, প্রেমিকের সহযোগিতায় খুন বেনাপোলে ইউনুস হত্যার রহস্য উন্মোচন Advertisement যশোর ব্যুরো প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার বহুল আলোচিত ইউনুস আলী (৪৭) হত্যার রহস্য উন্মোচনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পরকীয়া নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তরিকুল ইসলাম ও সবুজ হোসেন নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি হত্যায় ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলও উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত ইউনুস আলী বেনাপোল স্থলবন্দরের একটি ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন। গত ২২ এপ্রিল বিকালে গাতিপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে ডেকে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় নিহতের ভাই ইউসুফ আলী বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তভার গ্রহণের পর পিবিআই প্রথমে গোপালগঞ্জ সদর এলাকা থেকে তরিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী রহমতপুর গ্রাম থেকে সবুজ হোসেন নামে আরেকজনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানিয়েছে, পরকীয়া নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে। নিহতের স্ত্রী তাসলিমা খাতুনের সঙ্গে আনোয়ার হোসেন নামে এক ব্যক্তির পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি নিয়ে পারিবারিক কলহ চরমে পৌঁছালে আনোয়ার ও তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে ইউনুস আলীকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে।
