হামলার বিচার না, ফুটপাত মানুষের জন্য উন্মুক্তের দাবি সোহানী শিফার

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

ঘটনাটি একটি নির্দিষ্ট, সাম্প্রতিক (৭ জুন) ছুরিকাঘাতের ঘটনা, যেখানে একজন নারী আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন। এটি সহিংসতার সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে, তাই is_violence সত্য।

Reported by:Dhaka PostSingle source
07/06/26•ঢাকার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পথে

Killed

0

Injured

1

Summary

গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পরিচালনার কারণে গত ৭ জুন ঢাকায় দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে আহত হন আন্দোলনকারী সোহানী শিফা। তিনি মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

সোহানী শিফা

Tags

StabbingAssault

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 07/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 10/06/26open original ↗

হামলার বিচার না, ফুটপাত মানুষের জন্য উন্মুক্তের দাবি সোহানী শিফার

রাজধানীর ফুটপাত ও সড়ক সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন ‘ঢাকা বাঁচাও, হকার হটাও’ আন্দোলনের আন্দোলনকারী সোহানী শিফা। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পরিচালনার কারণে গত ৭ জুন দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতের শিকার হয়েছেন। তবে এর জন্য তিনি কারও শাস্তি চান না। বুধবার (১০ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শরিফুল কবির মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান সোহানী শিফা। সোহানী শিফা বলেন, গত ৯ মে থেকে ‘ঢাকা বাঁচাও, হকার হটাও’ শিরোনামে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করি। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত দখল, পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি, নারী হয়রানি এবং ঢাকায় ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপের প্রতিবাদে এই কর্মসূচি পালন করছিলাম। তিনি বলেন, গাউছিয়া মার্কেটসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ফুটপাত হকারদের দখলে থাকায় সাধারণ মানুষ চলাচলে সমস্যার মুখে পড়ছে। সিটি কর্পোরেশন হকার উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়ার খবরে আমি আশাবাদী হলেও পরে রাস্তায় দাগ কেটে দোকান বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ মেনে নিতে পারিনি। এর প্রতিবাদে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করি। পরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এ কর্মসূচিতে যোগ দেন। সোহানী শিফা বলেন, গত ১৩ মে আমিসহ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালামের সঙ্গে দেখা করি। সেখানে আমি গ্রামাঞ্চলে শ্রমিক সংকট, কৃষিকাজ থেকে মানুষের সরে আসা এবং জীবিকার সন্ধানে ঢাকামুখী হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরি। কৃষি খাতে শ্রমিকের সংকট বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে খাদ্য উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও জানাই। বর্তমানে ঢাকায় মানুষের বসবাসের জায়গার সংকট রয়েছে। একইসঙ্গে অটোরিকশার কারণে দুর্ঘটনাও বাড়ছে। এসব বিষয়ে আমি প্রশাসকের কাছে প্রশ্ন তুললেও সন্তোষজনক উত্তর পাইনি। সংবাদ সম্মেলনে সোহানী শিফা বলেন, পরে আমি গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু করি এবং তিন হাজারের বেশি স্বাক্ষর সংগ্রহ করি। তবে এ কর্মসূচি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার শুরু করার পর কিছু লোক আমাকে বাধা দিতে থাকে। তারা বলে রাস্তায় গণস্বাক্ষর সংগ্রহের জন্য অনুমতি লাগবে। তিনি বলেন, গত ৭ জুন ঢাকার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে আমি মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসা নিই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, আমার বিচার লাগবে না। শুধু ঢাকা থেকে ফুটপাত ও রাস্তা আমাদের মতো সাধারণ মানুষদের জন্য উন্মুক্ত করে দিন। অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ কমানো না গেলে পুরো দেশ অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু হয়ে যেতে পারে। সংবাদ সম্মেলন থেকে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরে সোহানী শিফা। তার প্রস্তাবগুলো হচ্ছে— ঢাকার বাইরে রিকশা ও অটোরিকশাচালকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, হকারদের জন্য জেলা পর্যায়ে হকার্স মার্কেট গড়ে তোলা, চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের সহায়তায় নিজ অঞ্চলে শ্রমের সঠিক বণ্টন করা, কাজের প্রয়োজনে ঢাকায় আগতদের জন্য ছাড়পত্র বা সনদের ব্যবস্থা, কৃষকদের উৎপাদিত শস্য সরাসরি কেনার উদ্যোগ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানো। তিনি বলেন, বাজেট ও শিক্ষা ব্যবস্থায় এ ধরনের পরিবর্তন আনা গেলে বেকারত্ব কমবে, কৃষি খাত শক্তিশালী হবে এবং রাজধানীর ওপর চাপও কমানো সম্ভব হবে। এমএইচএন/জেডএস