দশ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন তিন জেলে
Why this classification
Armed members of the Bara Jahangir gang kidnapped three fishermen and a trawler from the Sundarbans on 15 February 2026 and released them after receiving a 10 lakh taka ransom on 27 February. The abduction took place within the 14-day window and involved an armed gang seizing people and property, so it counts as a violent crime.
Killed
0
Injured
0
Summary
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সুন্দরবনের কটকা এলাকার হৌলি খাল থেকে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনী তিন জেলে ও মাসুম মাঝির ট্রলার অপহরণ করে। ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) রাতে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ নিয়ে জেলেদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Bara Jahangir Bahini
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
দশ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন তিন জেলে
দশ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন তিন জেলে Advertisement পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সুন্দরবনে দস্যুদের ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেলেন তিন জেলে। শুক্রবার রাতে তারা পাথরঘাটায় আসেন। জেলেরা হলেন-পাথরঘাটা উপজেলার রুহিতা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে রাজু মিয়া, আব্দুল মন্নানের ছেলে মো. মাহবুব ও ইব্রাহিম মোল্লার ছেলে মো. রাজু মোল্লা। শনিবার দুপুরে ফিরে আসা জেলেরা সাংবাদিকদের এ কথা জানান। ১৫ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবনের কটকা এলাকার হৌলি খালের মধ্য থেকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের রুহিতা গ্রামের মাসুম মাঝির ট্রলারসহ জেলেদের অপহরণ করে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা। শুক্রবার রাতে ১০ লাখ টাকা দিলে সবাইকে মুক্তি দেয় দস্যুবাহিনী। বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, দস্যুদের তৎপরতা বেড়ছে। আমাদের জেলেদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এভাবে চলতে থাকলে জেলেরা সাগরে যাওয়া বন্ধ করে দেবে।
