বড় ছেলের পক্ষ নেওয়ায় মাকে হত্যা করেন মেজো ছেলে!

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

ঘটনাটি একটি সুনির্দিষ্ট হত্যাকাণ্ড, যেখানে মেজো ছেলে জনাব আলী তার মাকে গলাটিপে হত্যা করে এবং পরে লাশ লুকানোর চেষ্টা করে। এটি ২৫ মে ২০২৬ তারিখে ঘটেছে, যা রেফারেন্স তারিখের ১৪ দিনের মধ্যে, তাই এটি সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনা হিসেবে গণ্য হয়েছে।

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
25/05/26•আগপাড়া শেরকোল গ্রাম, শেরকোল ইউনিয়ন

Killed

1

Injured

0

Summary

নাটোরের সিংড়ায় টয়লেটের গর্ত নিয়ে দুই ছেলের বিরোধে মায়ের পক্ষ নেওয়ায় মেজো ছেলে জনাব আলী তার মা মারিয়া বেগমকে (৭৫) গলাটিপে হত্যা করে। পরে মায়ের লাশ বস্তাবন্দি করে ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়, যা ৯ জুন পুলিশ উদ্ধার করে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

জনাব আলী (মেজো ছেলে)আল আমিন (নাতি)মর্জিনা বেগম (মেয়ে)শহিদুল ইসলাম (বড় ছেলে)

Tags

MurderLand DisputeFamily Feud

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 25/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 25/05/26open original ↗

চালক-যাত্রীকে বেঁধে অটোভ্যান ছিনতাই, ৩ জনকে গণপিটুনি

নাটোরের লালপুরে চালক ও যাত্রীকে বেঁধে রেখে অটোভ্যান ও মোবাইল ফোন ছিনতাই করে পালানোর সময় তিন 'ছিনতাইকারীকে' গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। সোমবার (২৫ মে) ভোরে উপজেলার কদিমচিলান ইউনিয়নের পুকুরপাড়া গ্রামের একটি ফাঁকা রাস্তায় এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ছিনতাই হওয়া মালামাল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। আটকরা হলেন- রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আলাইপুর গ্রামের আতাউর মন্ডল (৪২), আশরাফপুর গ্রামের শ্রী সুনীল কুমার (৫৫) এবং নাটোরের লালপুর উপজেলার দুড়দুড়িয়া গ্রামের সেন্টু আলী (৫৫)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোরে ভ্যানচালক সিদ্দিক মালিথা যাত্রী আবু তাহেরকে নিয়ে বনপাড়ার দিকে যাচ্ছিলেন। পুকুরপাড়া গ্রামের ফাঁকা রাস্তায় পৌঁছালে চারজন ছিনতাইকারী টর্চলাইট দিয়ে তাদের অটোভ্যানের গতি রোধ করে। পরে ধারালো অস্ত্রের মুখে তাদের হাত-পা ও চোখ-মুখ বেঁধে পাশের একটি খেজুর বাগানে ফেলে রাখে এবং অটোভ্যান ও একটি স্মার্টফোন ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় ভ্যানচালকের চিৎকারে আশপাশের গ্রামবাসীরা ছুটে এসে চারদিক থেকে ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করে তিনজনকে হাতেনাতে আটক করে। এসময় অপর একজন পালিয়ে যায়। পরে উত্তেজিত জনতা আটক তিনজনকে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে লালপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তাদের মধ্যে সেন্টু আলীর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে। বাকি দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থানায় নিয়ে আসা হয়। পুলিশ তাদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি ধারালো ছুরি, একটি টিপ চাকু, গামছা এবং দড়ি উদ্ধার করেছে। লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে জানান, এই ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দুই আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতক অপর আসামিকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। আশিকুর রহমান/এসএইচএ

Source 2: Jugantor · 10/06/26open original ↗

বড় ছেলের পক্ষ নেওয়ায় মাকে হত্যা করেন মেজো ছেলে!

প্রিন্ট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৪ এএম Advertisement বড় ছেলের পক্ষ নেওয়ায় মাকে হত্যা করেন মেজো ছেলে! Advertisement সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৬:২০ পিএম বৃদ্ধাকে হত্যা করায় ছেলে জনাব আলী ও নাতি আল আমিন গ্রেফতার আরও পড়ুন Advertisement নাটোরের সিংড়ায় বাড়ির সীমানায় টয়লেটের (পায়খানা) একটি গর্ত করা নিয়ে দুই ছেলের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় বড় ছেলের পক্ষ নেওয়ায় মারিয়া বেগম ওরফে শরিফা (৭৫) অর্থাৎ মাকে গলাটিপে হত্যা করেন মেজো ছেলে জনাব আলী (৫৫)। সেই টয়লেটের গর্তেই আবার মায়ের লাশ ফেলে স্লাব দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। এর ১০ দিন পরে (৪ জুন) লাশের দুর্গন্ধ ছড়ালে সেই লাশ বস্তাবন্দি করে গভীর রাতে বাড়ির পাশের কচুরিপানার ডোবায় ফেলে দেন ছেলে জনাব আলী। আর মায়ের লাশ ডোবায় ফেলতে সহযোগিতা করেন জনাব আলীর ছেলে আল আমিন (২৫)। মায়ের এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জনাব আলী একা জড়িত থাকলেও পরবর্তীতে লাশ লুকাতে সহযোগিতা করায় আল আমিনকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। ৬ জুন বৃদ্ধের মেয়ে মর্জিনা বেগম তার মায়ের হারানো বিষয়ে সিংড়া থানায় একটি জিডি করেন। এর সূত্র ধরেই ৯ জুন ছেলের বাড়ির পাশের ডোবা থেকেই মায়ের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ। বুধবার দুপুর ২টায় সিংড়া থানা চত্বরে পুলিশের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের এসব তথ্য দেন নাটোর জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ শরিফুল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- সিংড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর মোহাম্মদ আলী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মে শনিবার উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের আগপাড়া শেরকোল গ্রামে বাড়ির সীমানায় টয়লেটের একটি গর্ত করা নিয়ে বড় ভাই শহিদুল ইসলামের সঙ্গে মেজো ভাই জনাব আলীর কথা কাটাকাটি হয়। যৌক্তিক কারণে বড় ছেলে শহিদুল ইসলামের পক্ষ নেন মা। বিষয়টি মেজো ছেলে জনাব আলী ভালোভাবে নেননি। আর এই ক্ষোভেই ২৫ মে রাত ৯টায় তার মাকে গলাটিপে হত্যা করেন মেজো ছেলে জনাব আলী। পরে নিখোঁজের ১৫ দিন পর বাড়ির পাশের ডোবা থেকে বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। এলাকায় হৈ চৈ পড়ে যায়। পরে নিহত বৃদ্ধার চার ছেলেসহ স্বজনদের থানায় এনে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মৃত্যুর আসল রহস্য বের হয়ে আসে। সিংড়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, নিহতের মেয়ে মর্জিনা বেগম বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেছেন। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement Advertisement