রাবি ছাত্রদলের তিন নেতা বহিষ্কার ৬ জনকে শোকজ
Why this classification
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়, এতে চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। এটি একটি নির্দিষ্ট সহিংস ঘটনা, তাই সহিংসতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
10
Summary
২০২৬ সালের ৪ অক্টোবর রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অবস্থানকালে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়; এতে চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে ছাত্রদল তিন নেতাকে বহিষ্কার ও ছয়জনকে শোকজ করে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 10
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Journalists
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
মামলার আশ্বাসে কর্মসূচি থেকে ফিরলেন সাংবাদিকরা
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা করার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন। এরপর কর্মসূচি থেকে ফিরেছেন সাংবাদিকরা, তবে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারসহ দাবিগুলোতে অনড় রয়েছেন তারা। রোববার (৪ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার সাংবাদিক গুরুতরসহ বেশ কয়েকজন আহত হন। প্রতিবাদে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়াসহ বিভিন্ন দাবি জানান সাংবাদিকরা। সাংবাদিকদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে মামলা করতে হবে এবং সোমবার (৫ অক্টোবর) বেলা ১২টার মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার নিশ্চিত করতে হবে। হামলায় জড়িতদের মধ্যে যাদের ছাত্রত্ব রয়েছে, তাদের ছাত্রত্ব বাতিল এবং যাদের পড়াশোনা শেষ হয়েছে, তাদের সনদ বাতিলের দাবিও জানান তারা। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নন, এমন অভিযুক্তদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করা এবং অভিযুক্তদের ছাত্রত্ব বাতিলের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত রাতের মধ্যেই সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশের দাবি জানান সাংবাদিকরা। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে হামলার ঘটনায় সোমবারের মধ্যে মামলা করার আশ্বাস দেওয়া হলে সাংবাদিকরা আপাতত কর্মসূচি থেকে ফিরে যান। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মামলা করা না হলে পরবর্তী কর্মসূচি কী হবে, সে বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান সাংবাদিকরা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলিম, উপউপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবুর রহমান, হল প্রভোস্টসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, রোববার রাতে জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবিবসহ কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল এবং দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু। জোবায়ের জিসান/এএমকে
রাবি ছাত্রদলের তিন নেতা বহিষ্কার ৬ জনকে শোকজ
সাংবাদিকদের ওপর হামলা রাবি ছাত্রদলের তিন নেতা বহিষ্কার ৬ জনকে শোকজ Advertisement রাজশাহী ব্যুরো ও রাবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সোমবার প্রশাসন ভবনের সামনে মানববন্ধন করেন সাংবাদিকরা -যুগান্তর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের তিন নেতাকে বহিষ্কার ও ছয়জনকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাদের বিরুদ্ধে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার ছাত্রদলের কেন্দ্র থেকে দুটি পৃথক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি আহসান হাবিব ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিব হাসানকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ছাত্রনেতা বিশাল চক্রবর্তীকে প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো। আরেক বিজ্ঞপ্তিতে সহসভাপতি তাকবীর আহমেদ ইমন, বুলবুল রহমান, শরিফুল ইসলাম, ফারুক হোসেন, সহদপ্তর সম্পাদক শাহারিয়ার আলম এবং ছাত্রনেতা সাজুকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রদল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পদে থেকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে আপনাদের বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কেন নেওয়া হবে না-তা সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হলো। জড়িতদের দ্রুত শাস্তির দাবি, দিনভর অবস্থান প্রতিবাদ : সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনায় হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলায় অজ্ঞাতদের আসামি করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিকরা। সোমবার হামলাকারীদের গ্রেফতার দাবিতে প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা। এর আগে বিকাল ৪টার মধ্যে দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। তবে তাতে কোনো ফল হয়নি। সর্বশেষ রাত ৯টার সময়ও অবস্থান কর্মসূচি চলছিল। সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে গতকাল ক্লাস বর্জন করে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন থেকে হামলায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার, ছাত্রত্ব বাতিল ও অর্জিত সনদ বাতিলের দাবি জানানো হয়। বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন বকুল বলেন, ‘সংবাদ সংগ্রহের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতা ও শিক্ষাঙ্গনের নিরাপদ পরিবেশের ওপর মারাত্মক আঘাত।’ অধ্যাপক আল মামুন বলেন, ‘জুলাইয়ের পর এমন ঘটনার মুখোমুখি হতে হবে, তা আমরা আশা করিনি। সাংবাদিকরা জনগণের চোখ ও কান হিসাবে কাজ করেন। হামলাকারীদের শাস্তি চাই।’ রোববার রাতে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অবস্থানের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি-ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মীর হাতে রামদা, চাপাতি, হকিস্টিক, পাইপ ও ব্যাট-বলসহ বিভিন্ন অস্ত্র ছিল। চোখে কালো কাপড় বেঁধে ইবি সাংবাদিকদের প্রতিবাদ : রাবির সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদল নেতাকর্মীদের হামলা ঘটনায় চোখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) কর্মরত সাংবাদিকরা। সোমবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে মৌন অবস্থান কর্মসূচি করেন তারা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুসাইন; সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নিয়ামতুল্লাহ মুনিম ও সাধারণ সম্পাদক জুয়েল রানা এবং রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সাকিব আসলাম ও সাধারণ সম্পাদক রবিউল আলমসহ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সাংবাদিক মারধরে জড়িতদের বিচার দাবিতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন তারা। আসকের উদ্বেগ : রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। একই সঙ্গে ঘটনার নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত করে হামলায় জড়িতদের শনাক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি। সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সাংবাদিকদের ওপর হামলা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নেতাকে বহিষ্কার করল ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটি
আহসান হাবিব (বাঁ থেকে), হাসিবুল ইসলাম ও বিশাল চক্রবর্তীছবি : সংগৃহীত সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবীবসহ তিন নেতাকে বহিষ্কার এবং ছয়জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদ। আজ সোমবার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃত নেতারা হলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম ও ছাত্রনেতা বিশাল চক্রবর্তী। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আহসান ও হাসিবুলকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের কারণে তাঁদের সংগঠনের সাংগঠনিক পদ এবং বিশালকে ছাত্রদলের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এদিকে একই অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ছয় নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন সহসভাপতি তাকবীর আহমেদ ইমন, সহসভাপতি বুলবুল রহমান, সহসভাপতি শরিফুল ইসলাম, সহসভাপতি ফারুক হোসেন, সহদপ্তর সম্পাদক শাহারিয়ার আলম ও ছাত্রনেতা সাজু। বিজ্ঞপ্তিতে তাঁদের বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া গ্রহণ করা হবে না, সেই বিষয়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে তাঁদের ব্যাখ্যা দেওয়ার কথা বলা হয়। এর আগে গতকাল রোববার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা–মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর গতকাল রাতে দুই সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে নিয়ে ছাত্রদল নেতা এম আহসান হাবীবের একটি ফেসবুক পোস্টের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এ ঘটনার সূত্রপাত। ছাত্রদল নেতা আহসান হাবীবের অভিযোগ, ওই পোস্টের মন্তব্যে রাকসুর সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম তাঁর মা ও বোনকে নিয়ে গালাগাল করেছেন। অন্যদিকে রাকিবুলের দাবি, তাঁকে মারধরের হুমকি দিয়ে অবস্থান জানতে চেয়েছিলেন আহসান হাবীব। পরে দুজনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে পাল্টাপাল্টি পোস্ট করেন। আরও পড়ুন ভিডিও ফুটেজে হামলাকারীরা ‘চিহ্নিত’, তবু অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা ৭ ঘণ্টা আগে রোববার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট দপ্তরে অবস্থান করেন রাকিবুল। পরে বিকেল ৫টা ৫৪ মিনিটে সেখানে অবস্থান নেন আহসান হাবীব। ছাত্রদলের ওই অবস্থানের সমালোচনা করে শহীদ জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আরিফুল ইসলাম তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘. . . সোনার ছেলেরা চাঁদাবাজি ছেড়ে দিয়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে।’ এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা রড, পাইপ, চাপাতিসহ বিভিন্ন দেশি অস্ত্র নিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে মিছিল নিয়ে যান। পরে সেখানে দুই দফা হামলায় চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আরও পড়ুন ‘শিক্ষকতার তিন দশকে সাংবাদিকদের ওপর কখনো এমন আঘাত দেখিনি’ ১০ ঘণ্টা আগে প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন হামলাসাংবাদিকরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রদলরাজশাহীরাজশাহী বিভাগ
