রাজধানীর বংশালে স্ত্রীর হাতে খুন ঢামেক কর্মচারী
Why this classification
This is a single, specific incident on 7 July 2026 in which a man died after his wife struck him in the chest with an iron rod during a struggle at their home in Bangladesh. The death is a murder case, so it qualifies as relevant violence under the fatalities criteria.
Killed
1
Injured
0
Summary
রাজধানীর বংশাল থানাধীন নাজিমউদ্দীন রোডের জমিদার গলিতে ২০২৬ সালের ৭ জুলাই (মঙ্গলবার) স্ত্রী নাসিমা আক্তারের সঙ্গে ধস্তাধস্তির সময় বুকে লোহার রড ঢুকে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের দৈনিক ভিত্তিক কর্মচারী মো. সুমন মিয়া (৪০) নিহত হন। স্ত্রীর দাবি, মাদকাসক্ত স্বামী বাজারের টাকা সরিয়ে নিয়ে মাদক কেনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে মারধর করলে এই ঘটনা ঘটে এবং নাসিমাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
রাজধানীর বংশালে স্ত্রীর হাতে খুন ঢামেক কর্মচারী
রাজধানীর বংশালে স্ত্রীর হাতে খুন ঢামেক কর্মচারী Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর এক বাসায় স্ত্রী নাসিমা আক্তারের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে বুকে লোহার রড ঢুকে মো. সুমন মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বংশাল থানাধীন নাজিমউদ্দীন রোডের জমিদার গলিতে মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটে। সুমন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে দৈনিক ভিত্তিক কর্মচারী হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি হবিগঞ্জ জেলার কমলগঞ্জ থানার মো. নবী মিয়ার ছেলে। এ বিষয়ে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, লাশ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বংশাল থানাকে জানানো হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তিনি আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নাসিমাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। জানা যায়, দুপুর ১টার দিকে সুমনের দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা রক্তাক্ত অবস্থায় সুমনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নাসিমার দাবি, তার স্বামী মাদকাসক্ত। সোমবার বাসার বাজারের জন্য রাখা ১ হাজার ৫০০ টাকা নাসিমার অগোচরে সুমন সরিয়ে নেন। সেই টাকায় মাদক কেনেন। মঙ্গলবার এ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে সুমন নাসিমাকে মারধর করেন।
