টঙ্গিবাড়ীতে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৬

AI-classifiedconfidence 99%

Why this classification

This incident is classified as political violence because two factions of the BNP, acting as both perpetrator and victim sides, engaged in clashes and cocktail explosions in Dighirpar and Kamarkhara Bazar, Munshiganj. The conflict resulted in six injuries and was reportedly triggered by disputes over slogans. The report is supported by three corroborating sources. No information regarding affected infrastructure or other involved actors was recorded.

Reported by:Dhaka PostSamakalCorroborated · 2 sources
22/01/26•Dighirpar and Kamarkhara Bazar

Killed

0

Injured

6

Summary

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি এই সংঘর্ষে অন্তত ছয়জন আহত হন এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

99% · severity 5

Perpetrator side

BNP

Victim side

BNP

Tags

BNPIntra-party clashCocktail explosionPolitical violenceMunshiganj

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 6

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 22/01/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 12/07/26open original ↗

জমির বিরোধে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ

সারাদেশ জমির বিরোধে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ × সংঘর্ষ চলাকালে একনালা বন্দুক হাতে এক ব্যক্তি মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬ | ২২:২৫ - অ + মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলে বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণের সময় হামলা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১২জন আহত হয়েছেন। আজ রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তিন দফায় আধারা ইউনিয়নের মিজিকান্দি গ্রামে বোরহান উদ্দিন মিজি ও সরাফত আলী সরকার পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে সরাফত আলী সরকার পক্ষের লোকজন অস্ত্রের মহড়া ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটালে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং একাধিক ককটেল, একনালা বন্দুক ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে। আবারও সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকায় ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সংঘর্ষে আহতরা হলেন– বোরহান মিজি পক্ষের জাহাঙ্গীর মিজি, শরিফ মিজি, আরিফ মিজি, কবির মিজি, শেফালী বেগম ও পপি বেগম এবং সরাফত আলী সরকার পক্ষের আলমগীর বেপারী, রবিন, দুলাল, সাব্বির বেপারী, আক্তার বেপারী ও দিলা দেওয়ান। তাদের মধ্যে জাহাঙ্গীর, রবিন, দুলালকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। এই ঘটনায় দুইপক্ষই রোববার সন্ধ্যায় সদর থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগের তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রামবাসী জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বোরহান মিজি পক্ষের সঙ্গে সরাফত আলী সরকার পক্ষের বিরোধ চলে আসছে। রোববার সকালে বোরহান মিজি গং বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণ করছিলেন। এসময় সরাফত পক্ষের লোকজন ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বোরহান মিজিদের ওপর হামলা চালায়। বোরহান মিজির লোকজন প্রতিরোধ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষে আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রুহুল আমীন বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে ৫ থেকে ৭ জন আহত ব্যক্তি হাসপাতালে আসেন। তাদের শরীর ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বোরহান মিজির ছেলে শরিফ মিজি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাদের বসতভিটা দখল করতে সরাফত সরকার গং হামলা, মামলা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল। রোববার সকালে নিজেদের জায়গায় ঘর নির্মাণ করছিলেন তারা। তখন সরাফত সরকার পাশের গ্রামের আলমগীর, দিলাদের ভাড়া করে এনে হামলা চালায়। তারা বন্দুক দিয়ে গুলি করে, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। তার ভাই জাহাঙ্গীর মিজিকে কুপিয়ে আহত করে। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে সেখানেও হামলা চালানো হয়। প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আহত হয়েছি সেই খবর শুনে ছোট ভাই রাজীব মিজি ঘটনাস্থলে এলে তাকেও পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। এখন আমরা সরাফত গংদের ভয়ে এলাকায়ও যেতে পারছি না।’ অভিযোগের বিষয়ে সরাফত আলী সরকারের ভাষ্য, কারও ওপর হামলা করেননি তারা। বোরহানরাই তাদের ওপর হামলা করেছেন। তাদের রেকর্ডভুক্ত জমি দখলের চেষ্টা করছিলেন। সকালে জমির গাছপালা কেটে জোর করে দখল করতে গেলে বাধা দেন তারা। তখন বোরহান মিজির লোকজন হামলা চালায়। মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তছলিম উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি ককটেল ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উভয়পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। বিষয় : মুন্সীগঞ্জ সংঘর্ষ আহত গুলি ককটেল বিস্ফোরণ আরও পড়ুন পূর্বশত্রুতার জেরে রিফাতকে হত্যা করা হয়, প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪: র‌্যাব গাইবান্ধার আলোচিত হরিদাস চন্দ্র মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেপ্তার সবাই যাতে বাংলাদেশে ভালোভাবে চলতে পারি, সেটিই হচ্ছে বর্তমান সরকারের রাজনীতি: প্রধানমন্ত্রী সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও এমপি নজরুল ইসলাম চৌধুরী আর নেই সর্বশেষ পূর্বশত্রুতার জেরে রিফাতকে হত্যা করা হয়, প্রধান আসামিসহ গ্রেপ্তার ৪: র‌্যাব নরওয়ের বিদায়ের পর কোন দলকে সমর্থন দিচ্ছেন হালান্ড? অনলাইন জুয়া ও অর্থপাচার চক্রের দু’জন গ্রেপ্তার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি তুলে ধরতে গানের প্রতিযোগিতা গাইবান্ধার আলোচিত হরিদাস চন্দ্র মানি লন্ডারিং মামলায় গ্রেপ্তার সবাই যাতে বাংলাদেশে ভালোভাবে চলতে পারি, সেটিই হচ্ছে বর্তমান সরকারের রাজনীতি: প্রধানমন্ত্রী মেসিদের হারাতে বেলিংহামদের যে টোটকা দিলেন রুনি ১১ জেলায় চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল, মেডিকেল টিম আরও পড়ুন ×

Source 2: Dhaka Post · 11/02/26open original ↗

সিরাজদিখানে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ৯

সারাদেশ মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখানে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, টেঁটাবিদ্ধসহ আহত ৯জেলা প্রতিনিধিমুন্সীগঞ্জ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:৪২অ+অ-মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে কালাইচান মাদবর ও জহিরুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে চারজন টেঁটাবিদ্ধসহ ৯ জন আহত হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের পূর্ব চান্দেরচর গাজী মার্কেট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- সোহেলের ছেলে ইমরান (২৮), হাবীর ছেলে লিটন (৪৮), মান্নানের ছেলে সোহাগ (৩৫) এবং কালাইর ছেলে রিয়াজুল (২০)। এছাড়াও বাকি আহতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। গুরুতর টেঁটাবিদ্ধ অবস্থায় রিয়াজুল ও ইমরানকে প্রথমে ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (মিডফোর্ড) নেওয়া হয়। পরে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) স্থানান্তর করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, পূর্ব চান্দেরচর গ্রামের কালাইচান মাদবর ও জহিরুদ্দিন গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। নির্বাচনকে সামনে রেখে সেই বিরোধ নতুন করে চরম আকার ধারণ করে। বুধবার দুপুরে জহির গ্রুপের সদস্য সোহাগ গাজী মার্কেট এলাকায় পাইপ ফিল্টারের কাজ করতে গেলে কালাইচান গ্রুপের কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র, টেঁটা ও রামদা নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ রয়েছে, কালাইচান গ্রুপের সমুর ছেলে হাবি, জহিরুদ্দিন, সেলিম, হাবির ছেলে রিফাত সাওন, সিরাজুলের ছেলে সুজন, কালাইচানের ছেলে ইমন, নয়ন, নিজামুদ্দিনের ছেলে আমজাদ ও ছলমুদ্দিনের ছেলে মারুফসহ আরও কয়েকজন এ হামলায় অংশ নেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে। সিরাজদীখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম এ হান্নান সন্ধ্যা সোয়া ছয়টার দিকে ঢাকা পোস্টকে বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ ব্যাপারে কেউ এখনও অভিযোগ দায়ের করেনি। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। শামীম/এসএইচএ

Source 3: Prothom Alo · 22/01/26open original ↗

মুন্সিগঞ্জে স্লোগান দেওয়া নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ

টঙ্গিবাড়ীতে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনা। আজ বৃহস্পতিবার উপজেলার কামারখাড়া বাজারেছবি: সংগৃহীত মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণ ও দেশি অস্ত্র নিয়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার দিঘীরপাড় ইউনিয়নের দিঘীরপাড় বাজারে ও বেলা একটার দিকে কামারখাড়া ইউনিয়নের কামারখাড়া বাজারে এসব ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। তাঁরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। সংঘর্ষে জড়ানো এক পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শামীম মোল্লা ও অন্য পক্ষের নেতৃত্বে ছিলেন কামারখাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার ব্যাপারী। তাঁরা মুন্সিগঞ্জ–২ (টঙ্গিবাড়ী ও লৌহজং) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আবদুস সালাম আজাদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দিঘীরপাড় বাজার থেকে ধানের শীষের একটি মিছিল নিয়ে কামারখাড়া এলাকায় যান বিএনপির নেতা শামীম মোল্লার সমর্থকেরা। এ সময় ধানের শীষ প্রতীকের স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি শামীম মোল্লার নামেও স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁর সমর্থকেরা। এ সময় মনোয়ার ব্যাপারী ও তাঁর সমর্থকেরা বাধা দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে দুই পক্ষ যে যার মতো চলে যায়। প্রথম দফার সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও বেলা একটার দিকে আবার দুই পক্ষের লোকজন জড়ো হতে থাকেন। উত্তেজনার মধ্যে মনোয়ার ব্যাপারীদের সমর্থন দেন স্থানীয় খান বংশের লোকজন। পরে দিঘীরপাড় বাজারে দ্বিতীয় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে দেশি অস্ত্র নিয়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। সংঘর্ষের কারণে বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন। খবর পেয়ে দিঘীরপাড় ফাঁড়ির পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ বিষয়ে বিএনপির নেতা শামীম মোল্লা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে আমরা জড়িত। দল করতে গিয়ে হামলা–মামলার শিকার হয়েছি। যারা একসময় আওয়ামী লীগ করত, তারা এখন বিএনপিতে অনুপ্রবেশ করছে। প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগের লোকজন নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করেছে। ককটেল ফাটিয়েছে। পিটিয়ে নজরুল মোল্লাসহ আমাদের কয়েকজনকে আহত করেছে।’ মনোয়ার ব্যাপারীর পক্ষের আহত ফেরদৌস খান বলেন, ‘আমাদের মিছিলে শুধু আবদুস সালামের নামে স্লোগান দিতে বলা হয়। তবে শামীম মোল্লার কাছের লোক নজরুল মোল্লা শামীম মোল্লার পক্ষেও স্লোগান দেন এবং আমাদেরও দিতে বলেন। আমরা বাধা দিলে শামীম–নজরুল মোল্লাদের লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালান।’ টঙ্গিবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল হক ডাবলু বলেন, দিঘীরপাড় বাজারে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। কেউ আহত হয়েছেন কি না, খবর পাওয়া যায়নি। কয়েকটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ককটেল হামলামুন্সিগঞ্জবিএনপিটঙ্গিবাড়ীসংঘর্ষঢাকা বিভাগ