বৃদ্ধাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে টাকা দাবি, আদালতে মামলা
Why this classification
This article reports a specific, recent incident in Muladi, Barisal, on 22 April 2026, in which two men forced their way into an elderly widow's home, raped her, filmed the assault, and demanded two lakh taka under threat of publishing the video. The police have found preliminary evidence, and the victim has filed a case, although one accused denies the rape.
Killed
0
Injured
0
Summary
বরিশালের মুলাদীতে ২২ এপ্রিল রাতে দুই ব্যক্তি এক বিধবা বৃদ্ধাকে ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করে এবং ভিডিও ধারণ করে, পরে ২ লাখ টাকা দাবি করে ভাইরাল করার হুমকি দেয়। ভুক্তভোগী বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন, তবে অভিযুক্ত হালিম ব্যাপারী ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
85% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বৃদ্ধাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে টাকা দাবি, আদালতে মামলা
বৃদ্ধাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে টাকা দাবি, আদালতে মামলা Advertisement মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম ফাইল ছবি। বরিশালের মুলাদীতে এক বিধবা বৃদ্ধাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে টাকা দাবির অভিযোগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভুক্তভোগী বাদী হয়ে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এ মামলা করেন। অভিযুক্তরা হলো- চরলক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত জব্বার ব্যাপারীর ছেলে হালিম ব্যাপারী (৬০) ও মৃত সুয়াজেল খন্দকারের ছেলে মাসুদ খন্দকার (৪০)। মুলাদী থানার ওসি খন্দকার মো. সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, হালিম ব্যাপারী ওই বৃদ্ধার বাড়ির সামনে দিয়ে যাতায়াতের সময় অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি এবং তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এ বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানিয়ে বিচার চান ওই ভুক্তভোগী বৃদ্ধা। এতে হালিম ব্যাপারী ক্ষিপ্ত হয় এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দেয়। পরে গত ২২ এপ্রিল রাত সাড়ে ৯টার দিকে হালিম ব্যাপারী ও মাসুদ খন্দকার ওই বৃদ্ধার বাড়িতে গিয়ে কৌশলে ঘরে প্রবেশ করে। পরে হালিম ব্যাপারী বৃদ্ধাকে ধর্ষণ করে এবং মাসুদ খন্দকার ভিডিও ধারণ করে। পরে মাসুদ খন্দকারও বৃদ্ধাকে ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে বৃদ্ধাকে ভিডিও দেখিয়ে দুই লাখ টাকা দাবি করে আসামিরা। ওই নারী টাকা দিতে পারবেন না জানালে তারা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করার হুমকি দেয়। পরে বৃদ্ধা স্থানীয় লোকজনকে জানিয়ে বিচার পেতে ব্যর্থ হয়ে বৃহস্পতিবার বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে মামলা করেন। অভিযুক্ত হালিম ব্যাপারী ধর্ষণের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, মাসুদ খন্দকার বৃদ্ধার অশ্লীল ভিডিও ধারণ করেছিলেন। টাকা দাবির বিষয়টি জানা নেই। মুলাদী থানার ওসি খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, বিধবা বৃদ্ধা অশ্লীল ভিডিও ধারণ ও টাকা দাবির ঘটনায় থানায় অভিযোগ করেছিলেন। পুলিশ ঘটনার তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে। বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী বরিশাল আদালতে একটি মামলা করেছেন। আদালতের নির্দেশনা পেলে আসামিদের গ্রেফতারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
