‘ছাত্রলীগ’ সন্দেহে ঢাবি শিক্ষার্থীকে মেরে থানায়
Why this classification
A Dhaka University student was beaten for about two to two and a half hours by members of the NCP-linked student group Jatiya Chhatrashakti and other activists, who suspected him of being a Chhatra League member. The attack happened on Monday, 9 March 2026, and he was injured and taken to hospital after being handed to police, so this is a concrete, recent physical attack.
Killed
0
Injured
1
Summary
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলকে ছাত্রলীগ সন্দেহে ৯ মার্চ ২০২৬ (সোমবার) ভোরে সেহরির সময় বুয়েটের কাজী নজরুল ইসলাম হল থেকে শুরু করে পলাশী, ভিসি চত্বর হয়ে ২–২.৫ ঘণ্টা ধরে জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা মারধর করে। পরে তাকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয় এবং তিনি ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: NCP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
‘ছাত্রলীগ’ সন্দেহে ঢাবি শিক্ষার্থীকে মেরে থানায়
‘ছাত্রলীগ’ সন্দেহে ঢাবি শিক্ষার্থীকে মেরে থানায় Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে ‘ছাত্রলীগ’ সন্দেহে কয়েক দফায় মেরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করার অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। সোমবার ভোরে সেহরির সময় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি বুয়েটের কাজী নজরুল ইসলাম হলে সেহরি খেতে গিয়েছিলাম। সেখানে হাসিব, শুভ, সাইফুল্লাহ, মহিউদ্দিন ও আবরারও খাচ্ছিল। তাদের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন আমাকে কোনো কারণ ছাড়াই দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা মারধর করেছে। আমার দোষ থাকলে আমাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলেছিলাম। কিন্তু তারা কোনো কথা শোনেনি। পাভেল বলেন, তারা আমাকে পলাশীতে এনে আবার মারে। সেখান থেকে বাইকে করে ভিসি চত্বরে এনে কয়েকজন মিলে কিল-ঘুসি মারে। আমার অবস্থা খারাপ হয়ে গেলে- শাহবাগ থানায় ফেলে দিয়ে যায়। সেখান থেকে পুলিশ আমায় আটক করে। তারা আমাকে ছাত্রলীগ বলে পেটায়। আমি কখনো কোনো সংগঠনে ছিলাম না। আমার কোনো পদ নেই। মারার পর তারা মোবাইল, মানিব্যাগ ও বাইকের চাবি নিয়ে গেছে। পাভেলের অভিযোগ-জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা সাইফুল্লাহ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা হাসিব আল ইসলাম, সর্দার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও আবরার তাকে মারধর করেছে। এই ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে সাইফুল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, বুয়েটে সেহরি খেতে গেলে পাভেলকে দেখে হাসিব ডাক দেয়। এ সময় ছাত্রলীগ পুনর্বাসনের ইস্যু নিয়ে তারা তর্কে জড়ায়। পরে পাভেল কাকে যেন ফোন দেয়। এরপর হাসিব ও শুভর সঙ্গে হাতাহাতি হয় আর তাকে বের করে নিয়ে যায়। পরে শাহবাগ থানায় গিয়ে দেখি তাকে মারধর করা হয়েছে। ছাত্রলীগ ইস্যু থাকায় আমি তখন ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলাম। তবে পাভেল এমনিতে আমার খুবই ভালো বন্ধু। শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, আজকে (সোমবার) সেহরির সময় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা তাকে (পাভেল) পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এখন সে আমাদের হেফাজতে আছে। তার শারীরিক অবস্থা খারাপ-এজন্য ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সে আগে সুস্থ হোক, তারপর আমরা তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেবে কিনা জানতে চাইলে প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমদ বলেন, আমাদের কাছে এ নিয়ে কোনো অভিযোগ আসেনি। তবে আমি এ ঘটনা জানার পর সেই ছেলেকে মেডিকেল ট্রিটমেন্ট দিতে শাহবাগ থানাকে অনুরোধ করেছি। আমরা তার খোঁজখবর রাখছি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।
