‘ছাত্রলীগ’ সন্দেহে ঢাবি শিক্ষার্থীকে মেরে থানায়

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A Dhaka University student was beaten for about two to two and a half hours by members of the NCP-linked student group Jatiya Chhatrashakti and other activists, who suspected him of being a Chhatra League member. The attack happened on Monday, 9 March 2026, and he was injured and taken to hospital after being handed to police, so this is a concrete, recent physical attack.

Reported by:JugantorSingle source
09/03/26•কাজী নজরুল ইসলাম হল (বুয়েট), পলাশী, ভিসি চত্বর, শাহবাগ থানা

Killed

0

Injured

1

Summary

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলকে ছাত্রলীগ সন্দেহে ৯ মার্চ ২০২৬ (সোমবার) ভোরে সেহরির সময় বুয়েটের কাজী নজরুল ইসলাম হল থেকে শুরু করে পলাশী, ভিসি চত্বর হয়ে ২–২.৫ ঘণ্টা ধরে জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা মারধর করে। পরে তাকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয় এবং তিনি ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

NCP

Victim side

Awami League

Other actors

রাহিদ খান পাভেল (ভুক্তভোগী, ঢাবি দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী)সাইফুল্লাহ (জাতীয় ছাত্রশক্তি, ঢাবি শাখার নেতা)হাসিব আল ইসলাম (বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা)সর্দার নাদিম মোহাম্মদ শুভমোহাম্মদ মহিউদ্দিনআবরারপ্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমদশাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসাদুজ্জামান

Tags

Party ClashThief Caught

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: NCP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 09/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 10/03/26open original ↗

‘ছাত্রলীগ’ সন্দেহে ঢাবি শিক্ষার্থীকে মেরে থানায়

‘ছাত্রলীগ’ সন্দেহে ঢাবি শিক্ষার্থীকে মেরে থানায় Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে ‘ছাত্রলীগ’ সন্দেহে কয়েক দফায় মেরে পুলিশের হাতে সোপর্দ করার অভিযোগ উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। সোমবার ভোরে সেহরির সময় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী রাহিদ খান পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি বুয়েটের কাজী নজরুল ইসলাম হলে সেহরি খেতে গিয়েছিলাম। সেখানে হাসিব, শুভ, সাইফুল্লাহ, মহিউদ্দিন ও আবরারও খাচ্ছিল। তাদের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন আমাকে কোনো কারণ ছাড়াই দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা মারধর করেছে। আমার দোষ থাকলে আমাকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার কথা বলেছিলাম। কিন্তু তারা কোনো কথা শোনেনি। পাভেল বলেন, তারা আমাকে পলাশীতে এনে আবার মারে। সেখান থেকে বাইকে করে ভিসি চত্বরে এনে কয়েকজন মিলে কিল-ঘুসি মারে। আমার অবস্থা খারাপ হয়ে গেলে- শাহবাগ থানায় ফেলে দিয়ে যায়। সেখান থেকে পুলিশ আমায় আটক করে। তারা আমাকে ছাত্রলীগ বলে পেটায়। আমি কখনো কোনো সংগঠনে ছিলাম না। আমার কোনো পদ নেই। মারার পর তারা মোবাইল, মানিব্যাগ ও বাইকের চাবি নিয়ে গেছে। পাভেলের অভিযোগ-জাতীয় ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা সাইফুল্লাহ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা হাসিব আল ইসলাম, সর্দার নাদিম মোহাম্মদ শুভ, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও আবরার তাকে মারধর করেছে। এই ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে সাইফুল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, বুয়েটে সেহরি খেতে গেলে পাভেলকে দেখে হাসিব ডাক দেয়। এ সময় ছাত্রলীগ পুনর্বাসনের ইস্যু নিয়ে তারা তর্কে জড়ায়। পরে পাভেল কাকে যেন ফোন দেয়। এরপর হাসিব ও শুভর সঙ্গে হাতাহাতি হয় আর তাকে বের করে নিয়ে যায়। পরে শাহবাগ থানায় গিয়ে দেখি তাকে মারধর করা হয়েছে। ছাত্রলীগ ইস্যু থাকায় আমি তখন ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলাম। তবে পাভেল এমনিতে আমার খুবই ভালো বন্ধু। শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, আজকে (সোমবার) সেহরির সময় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা তাকে (পাভেল) পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এখন সে আমাদের হেফাজতে আছে। তার শারীরিক অবস্থা খারাপ-এজন্য ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সে আগে সুস্থ হোক, তারপর আমরা তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেবে কিনা জানতে চাইলে প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমদ বলেন, আমাদের কাছে এ নিয়ে কোনো অভিযোগ আসেনি। তবে আমি এ ঘটনা জানার পর সেই ছেলেকে মেডিকেল ট্রিটমেন্ট দিতে শাহবাগ থানাকে অনুরোধ করেছি। আমরা তার খোঁজখবর রাখছি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।