বরফজমা বোতল শিক্ষার্থীর মাথায় ছুড়ে মারা শিক্ষককে শোকজ, তদন্ত কমিটি গঠন

AI-classifiedconfidence 88%

Why this classification

A school teacher allegedly beat an 11-year-old student and struck his head with a frozen water bottle on 11 May 2026. The student lost consciousness several times and bled from the ear, and he is still receiving treatment, so this is a concrete physical attack with injury.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
11/05/26•রাজিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খালিয়াজুরী উপজেলা

Killed

0

Injured

1

Summary

নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার রাজিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত ১১ মে (সোমবার) সহকারী শিক্ষক কাউসার আহমেদের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মুগ্ধ তালুকদারকে (১১) মারধর করে বরফজমা পানির বোতল দিয়ে মাথায় আঘাতের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর শিক্ষার্থী একাধিকবার জ্ঞান হারায় এবং তার কান দিয়ে রক্ত বের হয়, এবং অভিযুক্ত শিক্ষককে শোকজ করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

88% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

কাউসার আহমেদ (সহকারী শিক্ষক, অভিযুক্ত)মুগ্ধ তালুকদার (১১, আহত শিক্ষার্থী)গোলাম মাওলা (প্রধান শিক্ষক)মো. তানভীর মিয়া (জনসংযোগ কর্মকর্তা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়)জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারউপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারমারুফ খান (মামা)

Tags

AttackBackdated

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 11/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 13/05/26open original ↗

বরফজমা বোতল শিক্ষার্থীর মাথায় ছুড়ে মারা শিক্ষককে শোকজ, তদন্ত কমিটি গঠন

নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মাথায় বরফজমা পানির বোতল ছুড়ে মারার অভিযোগে এক সহকারী শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে। একইসঙ্গে ঘটনার তদন্তে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। আহত শিক্ষার্থী বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আর অভিযোগের সত্যতা পেলে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. তানভীর মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার। একইসাথে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে। জানা গেছে, আহত শিক্ষার্থীর নাম মুগ্ধ তালুকদার (১১)। সে নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার বরান্তর গ্রামের হানিফ তালুকদারের ছেলে। বাবা-মা জীবিকার তাগিদে ঢাকায় থাকায় মুগ্ধ গ্রামে নানার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করছিল। সে পাশের খালিয়াজুরী উপজেলার রাজিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (১১ মে) দুপুরে বিদ্যালয়ে সহপাঠীদের সঙ্গে দুষ্টুমি করছিল মুগ্ধ। এ সময় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কাউসার আহমেদ ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মারধর করেন। অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে ফ্রিজে রাখা বরফ জমাট বাধা পানির বোতল দিয়ে শিশুটির মাথায় আঘাত করা হয়। এতে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেললে সহপাঠী ও উপস্থিত লোকজন তার মাথায় পানি ঢেলে জ্ঞান ফেরান। স্বজনদের অভিযোগ, ঘটনাটি কাউকে জানালে আরও মারধর করা হবে এবং পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হবে বলে ভয় দেখিয়ে শিক্ষক তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। বাড়ি ফেরার পর রাতে এবং পরদিন কয়েক দফা মুগ্ধ জ্ঞান হারায় ও বমি করে। একপর্যায়ে তার কান দিয়ে রক্ত বের হতে শুরু করলে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। মুগ্ধের মামা মারুফ খান বলেন, মঙ্গলবার সকালে তাকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক সিটি স্ক্যানসহ উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। তবে আর্থিক সংকটের কারণে বুধবার সকাল পৌনে ১০টা পর্যন্ত তাকে সেখানে নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মাওলা বলেন, বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। আরএইচটি/এমএসএ

Source 2: Jugantor · 12/05/26open original ↗

জমাটবাঁধা পানির বোতল দিয়ে মাথায় আঘাত, শিক্ষার্থী হাসপাতালে

জমাটবাঁধা পানির বোতল দিয়ে মাথায় আঘাত, শিক্ষার্থী হাসপাতালে Advertisement নেত্রকোনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ০৭:০৭ পিএম নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার রাজিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে জমাট বাধা পানির বোতল দিয়ে ছাত্রের মাথায় আঘাতের অভিযোগ উঠেছে। এতে মুগ্ধ তালুকদার (১১) নামের ওই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মুগ্ধ মোহনগঞ্জ উপজেলার বরান্তর গ্রামের হানিফ তালুকদারের ছেলে। সে রাজিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বেলা ১২টার দিকে বিদ্যালয়ের ভেতরে সহকারী শিক্ষক কাউসার আহমেদ ফ্রিজে রাখা বরফ জমাট পানির বোতল দিয়ে মুগ্ধর মাথায় একাধিকবার আঘাত করেন। অন্য শিক্ষার্থীদের দুষ্টুমির ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি এ হামলা করেন বলে অভিযোগ পরিবারের। আঘাতের পরপরই মুগ্ধ জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে সহপাঠী ও উপস্থিত ব্যক্তিরা তার মাথায় পানি ঢেলে জ্ঞান ফেরান। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার কথা বাড়িতে না বলতে শিক্ষার্থীকে হুমকিও দেন ওই শিক্ষক। মুগ্ধর খালা মুক্তা খান বলেন, মুগ্ধর বাবা-মা ঢাকায় থাকেন। আমরা তার দেখাশোনা করি। সামান্য দুষ্টুমির কারণে শিক্ষক বরফ জমাট পানির বোতল দিয়ে মাথায় আঘাত করেন। সঙ্গে সঙ্গে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে বাড়িতে কিছু বললে আবার মারধর ও পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয় দেখান। পরিবারের সদস্যরা জানান, বাড়ি ফেরার পর রাতে কয়েক দফা মুগ্ধ জ্ঞান হারায়, বমি করে এবং কান দিয়ে রক্ত বের হয়। পরে মঙ্গলবার সকালে তাকে মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ সরকার বলেন, মাথার আঘাতটি জটিল মনে হচ্ছে। বমি ও বারবার অজ্ঞান হওয়ার মতো উপসর্গ রয়েছে। রোগীর অবস্থা বিবেচনায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক কাউসার আহমেদ প্রায়ই শিক্ষার্থীদের মারধর করেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে কাউসার আহমেদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মাওলা বলেন, বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খালিয়াজুরী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মো. আজিমেল কদর বলেন, এ বিষয়ে আগে কেউ আমাকে জানায়নি। এখন খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।