বাসায় ডেকে নিয়ে বন্ধুকে খুন করলেন বন্ধু
Why this classification
A 26-year-old man, Parvez Mia, was killed after his friend Shahadat stabbed him in the face and head with a sharp weapon during an argument on the night of 10 May 2026. This is a concrete, recent, deadly attack within Bangladesh, so it qualifies as violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
সাভারের আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের কোনাবাড়ি এলাকায় ১০ মে রাতে বাকবিতণ্ডার জেরে বন্ধু শাহাদাত ধারালো অস্ত্র দিয়ে পারভেজ মিয়াকে (২৬) মুখে ও মাথায় আঘাত করলে তাঁর মৃত্যু হয়। অভিযুক্ত শাহাদাতকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 10/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বাসায় ডেকে নিয়ে বন্ধুকে খুন করলেন বন্ধু
সাভারের আশুলিয়ায় বন্ধুর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে পারভেজ মিয়া (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১০ মে) দিবাগত রাতে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের কোনাবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত পারভেজ মিয়া শেরপুর জেলার নকলা থানার রুনীগাঁও গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে। তিনি আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের হাজী জয়নাল আবেদীনের মালিকানাধীন ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। পুলিশ জানায়, রোববার দিবাগত রাতে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নে বন্ধু শাহাদাত তার বাড়িতে পারভেজকে ডেকে নেন। পরে একপর্যায়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হলে শাহাদাত ধারালো অস্ত্র দিয়ে পারভেজকে মুখে ও মাথায় আঘাত করেন। এরপর স্থানীয়রা পারভেজকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় স্থানীয়রা রাতে আশুলিয়া থানা পুলিশকে খবর দেন। আশুলিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের মুখে ও মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেনকে আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। লোটন আচার্য্য/আরএআর
