জামাই ও চাচাশ্বশুর মিলে তরুণীকে ধর্ষণ চেষ্টা ধামরাইয়ে
Why this classification
The article reports a recent (within 14 days) sexual assault attempt in Bangladesh, meeting the relevance and recency criteria; therefore it is classified as a valid violence incident.
Killed
0
Injured
0
Summary
ধামরাইয়ে জামাই সুজন মাহমুদ ও চাচাশ্বশুর দুলাল মিয়া চাকরির প্রলোভনে বাড়ি ডেকে এনে তরুণীকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করেন; স্থানীয় জনতা তাকে থামিয়ে তিনজনকে থানায় নিয়ে যায়।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
94% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 24/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
জামাই ও চাচাশ্বশুর মিলে তরুণীকে ধর্ষণ চেষ্টা ধামরাইয়ে
চাকরির প্রলোভনে ডেকে এনে জামাই ও চাচাশ্বশুর মিলে তরুণীকে ধর্ষণ চেষ্টা ধামরাইয়ে Advertisement ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ধামরাইয়ে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাসায় ডেকে এনে তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে জামাই সুজন মাহমুদ এবং চাচাশ্বশুর দুলাল মিয়ার বিরুদ্ধে। পোশাক কারখানায় চাকরিরত সুজনের স্ত্রী সুমী আক্তারের নীরব সহযোগিতায় এ ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা মিটমাটের কথা বলে একই সুযোগ নেয় ধর্ষণ চেষ্টাকারীর চাচাশ্বশুর দুলাল মিয়া। একই ঘর থেকে ধর্ষণের চেষ্টার শিকার ওই তরুণীকে উদ্ধার ও ধর্ষণ চেষ্টাকারীদের আটক করেন স্থানীয় জনতা। তাদেরকে উত্তম-মধ্যম দিয়ে পুলিশের জরুরি সেবা ট্রিপল নাইনে ফোন করলে ধামরাই থানা পুলিশের এসআই নান্নু মন্ডল ঘটনাস্থলে গিয়ে জনতার হাতে আটক ভিকটিমসহ তিনজনকে থানায় নিয়ে যান। শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে পৌর শহরের ৫নং ওয়ার্ডের দক্ষিণপাড়ার মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে। এ ঘটনায় ধর্ষণের চেষ্টাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা না নিয়ে রাতভর থানায় আটকে রেখে তাদেরকে শনিবার দুপুরে মোটা অঙ্কের উৎকোচ হাতিয়ে নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসীর মাঝে এ নিয়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে ধামরাই থানার এসআই নান্নু মন্ডল বলেন, ঘটনায় জড়িত কেউ বাদী না হওয়ায় তাদেরকে ঘটনার পরদিন দুপুরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
