কুকুরকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

ঘটনাটি একটি পথকুকুরের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ, যেখানে কোনো রাজনৈতিক দল বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত নয়। তাই এটি রাজনৈতিক সহিংসতা নয়, বরং অপরাধমূলক সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Reported by:Dhaka PostSingle source
29/06/26•কানছগাড়ী এলাকা, ইন্ডিপেন্ডেন্ট হাসপাতালের পশ্চিম পাশের গলি

Killed

0

Injured

0

Summary

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে বগুড়ার কানছগাড়ী এলাকায় এক পথকুকুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে ডিবি পুলিশ অভিযুক্ত ফার্নিচার ব্যবসায়ী স্বপনকে গ্রেপ্তার করে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 3

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

স্বপন (ফার্নিচার ব্যবসায়ী)মো. এমরান হোসেন (বাওয়া আহ্বায়ক)ইকবাল বাহার (ডিবি পুলিশ ইনচার্জ)

Tags

Animal Cruelty

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 29/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 30/06/26open original ↗

কুকুরকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত, ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

রাস্তার কুকুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের অভিযোগে বগুড়ায় স্বপন নামে এক ফার্নিচার ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। সোমবার (২৯ জুন) দিবাগত রাত ১২টায় শহরের বকশিবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে, সোমবার দুপুরে শহরের কানছগাড়ী এলাকায় সাদা-কালো রঙের একটি কুকুরকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত করা হয়। এ সময় কুকুরটি বাঁচতে প্রাণভয়ে দৌড়াতে গিয়ে রাস্তার পাশে একটি ড্রেনে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (বাওয়া) বগুড়া শাখার আহ্বায়ক সদস্য মো. এমরান হোসেন বগুড়া সদর থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, সোমবার দুপুরে খবর পেয়ে তিনি কানছগাড়ী এলাকার ইন্ডিপেন্ডেন্ট হাসপাতালের পশ্চিম পাশের একটি গলিতে সাদা-কালো রঙের পথকুকুরকে গুরুতর আহত অবস্থায় ড্রেনে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয় দুই ব্যক্তি এস এম সাদিকুল ইসলাম ও রাফিদ ইয়াসাদের সহযোগিতায় কুকুরটিকে উদ্ধার করে জলেশ্বরীতলা এলাকার একটি পশু চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তাসহ জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের একটি সমন্বিত চিকিৎসক দল কুকুরটির জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। অস্ত্রোপচারসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পর প্রাণীটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। মামলায় তিনি উল্লেখ করেছেন, স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পেরেছেন, স্বপন ধারালো কোনো বস্তু দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পথকুকুরটিকে আঘাত করে গুরুতর জখম করেছেন। মামলার বাদী এমরান হোসেন বলেন, গতকাল আমরা জানতে পারি, একটি পথকুকুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি, কুকুরটি ড্রেনের পাশে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে আছে। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুকুরটিকে কিছুটা সুস্থ করে তুলি। পরে অভিযুক্ত স্বপন মিয়ার বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি এজাহার দায়ের করি। এজাহার দায়েরের পরপরই ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন সব সময় প্রাণী কল্যাণে কাজ করে। আমরা চাই, ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের নিষ্ঠুর ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় এবং প্রাণীর প্রতি সবাই মানবিক আচরণ করে। বগুড়া ডিবি পুলিশের ইনচার্জ ইকবাল বাহার বলেন, মামলা হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে সোমবার দিবাগত রাতে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আব্দুল মোমিন/এসএইচএ