তরুণীকে ঘুরতে নিয়ে তিন বন্ধু মিলে ধর্ষণ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

প্রতিবেদনে একটি নির্দিষ্ট সাম্প্রতিক ঘটনার বর্ণনা আছে—নাটোরের লালপুরে তিন যুবক এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে এবং ভিডিও ধারণ করে চাঁদা দাবি করে; এটি সহিংস অপরাধ হিসেবে গণ্য।

Reported by:JugantorProthom AloCorroborated · 2 sources
03/10/26•লালপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠ সংলগ্ন ফাঁকা বাড়ি

Killed

0

Injured

0

Summary

(৩ অক্টোবর) নাটোরের লালপুরে প্রেমিক আশিক ও তার দুই বন্ধু এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে ১৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

95% · severity 7

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

মো. আশিক (২২)মো. শাকিল ইসলাম বাঁধন (২০)মো. কাজল হোসেন (২২)

Tags

RapeExtortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 03/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Jugantor · 06/10/26open original ↗

তরুণীকে ঘুরতে নিয়ে তিন বন্ধু মিলে ধর্ষণ

তরুণীকে ঘুরতে নিয়ে তিন বন্ধু মিলে ধর্ষণ ভিডিও ধারণ করে চাঁদা দাবি, তিন যুবক গ্রেফতার Advertisement লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ প্রেমের সম্পর্কের সূত্রে তরুণীকে (২৩) ঘুরতে নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে নাটোরের লালপুরের প্রেমিক আশিক (২২) ও তার দুই বন্ধুর বিরুদ্ধে। ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ভুক্তভোগীর কাছে চাঁদা দাবি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই তরুণী বাদী হয়ে লালপুর থানায় মামলা করেছেন। অভিযুক্ত তিন যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন-উপজেলার ছয় রাস্তার মোড় মন্ডলপাড়া গ্রামের মো. আশিক (২২), জোতদৈবকী গ্রামের মো. শাকিল ইসলাম বাঁধন (২০) এবং একই এলাকার মো. কাজল হোসেন (২২)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ছয় রাস্তার মোড় এলাকার যুবক মো. আশিকের সঙ্গে বিজয়পুর গুচ্ছগ্রামের ওই তরুণীর প্রায় এক মাস আগে মোবাইল ফোনে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত শনিবার বিকালে তারা লালপুরের গ্রিন ভ্যালি পার্কে ঘোরাঘুরি করেন। পরে অটোরিকশায় করে ফেরার পথে লালপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠের পূর্ব-দক্ষিণ পাশে একটি ফাঁকা বাড়ির কক্ষে নিয়ে যান আশিক। সেখানে আগে থেকে উপস্থিত ছিলেন আশিকের দুই বন্ধু শাকিল ও কাজল। অভিযোগে তরুণী জানান, সেখানে নিয়ে তারা তিনজনই তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এ সময় অভিযুক্তদের একজন তার মোবাইল ফোনে পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। একসময় তরুণীটি অসুস্থ হয়ে পড়লে সন্ধ্যা সাতটার দিকে একটি রিকশায় করে তাকে তার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। মানসম্মানের ভয়ে প্রথমে ওই তরুণী ঘটনাটি কাউকে বলেননি। থানা সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পরদিন রোববার দুপুরে ধারণ করা ভিডিওটি তরুণীর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠিয়ে ১৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন তারা। টাকা না দিলে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। পরে বিষয়টি তিনি এক প্রতিবেশী চাচিকে জানান। তার মাধ্যমে পরিবার বিষয়টি জানতে পেরে লালপুর থানায় যোগাযোগ করে। পরে তরুণী মামলা করলে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করে লালপুর থানা পুলিশ। ওই তরুণীর পরিবারের দাবি, প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার পর পরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে। অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে অভিযুক্তরা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চাঁদাও দাবি করে। তারা অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগীর মামলার ভিত্তিতে দ্রুত অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

Source 2: Prothom Alo · 10/06/26open original ↗

ধর্ষণ থেকে বাঁচতে চিৎকার–চেঁচামেচি করেন, কেউ এগিয়ে আসেননি

জবানবন্দিতে ভুক্তভোগী নারী নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালের ছাদে ধর্ষণ থেকে বাঁচতে চিৎকার–চেঁচামেচি করলেও কেউ এগিয়ে আসেননি বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগী নারী। ভুক্তভোগী নারী (১৮) আজ বুধবার সকালে আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে এ কথা বলেন। আজ সকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভুক্তভোগী নারীকে আদালতে হাজির করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুন আরা ওই নারীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। পরে ওই নারীকে তাঁর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। জবানবন্দিতে ভুক্তভোগী নারী বলেন, শিশুসন্তানের চিকিৎসার জন্য তিনি হাসপাতালে ছিলেন। গরমের কারণে তিনি ওয়ার্ড থেকে বের হয়ে লিফটের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী অমিত তাঁর হাত চেপে ধরেন এবং লিফটের মধ্যে টেনে নিয়ে যান। তাঁকে ভবনের ছাদে নিয়ে যাওয়া হয়। তখন তিনি চিৎকার–চেঁচামেচি করেন, কিন্তু কেউ তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেননি। অমিত তাঁকে ধর্ষণ করেন। অনিল ও প্রাঙ্গণ নামের দুই পরিচ্ছন্নতাকর্মী মোবাইল ফোনে সেটি ভিডিও করেন। জবানবন্দিতে ভুক্তভোগী নারী আরও বলেন, অমিতের নির্দেশে ওই দুজন চলে যান। তাঁরা পরে আবার এসে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করতে চান। কিন্তু অমিত তাঁদের তাড়িয়ে দেন। ওয়ার্ডে ফিরে ওই নারী সন্তানকে কান্নাকাটি করতে দেখেন। তিনি ধর্ষণের ঘটনাটি হাসপাতালে দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের জানান। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান ভুক্তভোগীর ২২ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রথম আলোকে বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করার সব ব্যবস্থা তাঁরা করেছেন। আসামিদের কাছ থেকে ঘটনার ভিডিও ফুটেজ আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে। এ ছাড়া ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে। ৫ জুন শহরের এক মা তাঁর দুই বছরের সন্তানকে চিকিৎসার জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ৭ জুন রাত ১১টার দিকে তিনি হাসপাতালে ধর্ষণের শিকার হন। এ ঘটনায় করা মামলায় পুলিশ অমিত, অনিল ও প্রাঙ্গণকে গ্রেপ্তার করেছে।